سَیَقُوۡلُ الَّذِیۡنَ اَشۡرَکُوۡا لَوۡ شَآءَ اللّٰہُ مَاۤ اَشۡرَکۡنَا وَلَاۤ اٰبَآؤُنَا وَلَا حَرَّمۡنَا مِنۡ شَیۡءٍ ؕ کَذٰلِکَ کَذَّبَ الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِہِمۡ حَتّٰی ذَاقُوۡا بَاۡسَنَا ؕ قُلۡ ہَلۡ عِنۡدَکُمۡ مِّنۡ عِلۡمٍ فَتُخۡرِجُوۡہُ لَنَا ؕ اِنۡ تَتَّبِعُوۡنَ اِلَّا الظَّنَّ وَاِنۡ اَنۡتُمۡ اِلَّا تَخۡرُصُوۡنَ
মুফতী তাকী উসমানী
যারা শিরক অবলম্বন করেছে, তারা বলবে, আল্লাহ চাইলে আমরা শিরক করতাম না এবং আমাদের বাপ-দাদারাও না; আর না আমরা কোনও বস্তুকে হারাম সাব্যস্ত করতাম। ৯০ তাদের পূর্ববর্তী লোকেও (রাসূলগণকে) এভাবেই অস্বীকার করেছিল, পরিশেষে তারা আমার শাস্তি ভোগ করেছিল। তুমি (তাদেরকে) বল, তোমাদের কাছে কি এমন কোনও জ্ঞান আছে, যা আমার সামনে বের করতে পার? তোমরা কেবল কল্পনারই অনুসরণ কর এবং শুধু আনুমানিক কথাই বল।
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
৯০. এটা তাদের সেই একই অসার যুক্তি, যার উত্তর একাধিকবার দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আল্লাহ যদি শিরককে অপছন্দই করেন, তবে আমাদেরকে শিরক করার ক্ষমতা দেন কেন? উত্তর দেওয়া হয়েছে এই যে, আল্লাহ যদি দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে জোরপূর্বক ঈমান আনতে বাধ্য করেন, তবে পরীক্ষা হল কোথায়? অথচ দুনিয়াকে সৃষ্টিই করা হয়েছে এই পরীক্ষার জন্য যে, কে নিজ বুদ্ধি খাঁটিয়ে স্বেচ্ছায় সরল-সঠিক পথ অবলম্বন করে, যা আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক মানুষের স্বভাবের ভেতরও নিহিত রেখেছেন এবং যার পথ-নির্দেশ করার জন্য তিনি নবী-রাসূলগণকে পাঠিয়েছেন; আর কে ভ্রান্তপথ বেছে নেয়।