আন নিসা

সূরা নং: ৪, আয়াত নং: ১০৩

তাফসীর
فَاِذَا قَضَیۡتُمُ الصَّلٰوۃَ فَاذۡکُرُوا اللّٰہَ قِیٰمًا وَّقُعُوۡدًا وَّعَلٰی جُنُوۡبِکُمۡ ۚ فَاِذَا اطۡمَاۡنَنۡتُمۡ فَاَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ ۚ اِنَّ الصَّلٰوۃَ کَانَتۡ عَلَی الۡمُؤۡمِنِیۡنَ کِتٰبًا مَّوۡقُوۡتًا

উচ্চারণ

ফাইযা-কাদাইতুমুসসালা-তা ফাযকুরুল্লা-হা কিয়া-মাওঁ ওয়াকু‘ঊদাওঁ ওয়া‘আলা জুনূবিকুম ফাইযাতমা’নানতুম ফাআকীমুস সালা-তা ইন্নাসসালা-তা কা-নাত ‘আলাল মু’মিনীনা কিতা-বাম মাওকূতা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

যখন তোমরা সালাত আদায় করে ফেলবে, তখন আল্লাহকে (সর্বাবস্থায়) স্মরণ করতে থাকবে দাঁড়িয়ে, বসে এবং শোওয়া অবস্থায়ও। ৭৪ অতঃপর যখন (শত্রুর দিক থেকে) নিরাপত্তা বোধ করবে, তখন সালাত যথারীতি আদায় করবে। নিশ্চয়ই সালাত মুসলিমদের এক অবশ্য পালনীয় কাজ নির্ধারিত সময়ে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৭৪. অর্থাৎ সফর বা ভীতি অবস্থায় নামায কসর (সংক্ষেপ) হয় বটে, কিন্তু আল্লাহর যিকির সর্বাবস্থায়ই চালু রাখা চাই। কেননা এর জন্য যেমন কোনও সময় নির্দিষ্ট নেই, তেমনি পদ্ধতিও। দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে সর্বাবস্থায়ই যিকির করা যেতে পারে।