আল বাকারা

সূরা নং: ২, আয়াত নং: ২৩২

তাফসীর
وَاِذَا طَلَّقۡتُمُ النِّسَآءَ فَبَلَغۡنَ اَجَلَہُنَّ فَلَا تَعۡضُلُوۡہُنَّ اَنۡ یَّنۡکِحۡنَ اَزۡوَاجَہُنَّ اِذَا تَرَاضَوۡا بَیۡنَہُمۡ بِالۡمَعۡرُوۡفِ ؕ ذٰلِکَ یُوۡعَظُ بِہٖ مَنۡ کَانَ مِنۡکُمۡ یُؤۡمِنُ بِاللّٰہِ وَالۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ ؕ ذٰلِکُمۡ اَزۡکٰی لَکُمۡ وَاَطۡہَرُ ؕ وَاللّٰہُ یَعۡلَمُ وَاَنۡتُمۡ لَا تَعۡلَمُوۡنَ

উচ্চারণ

ওয়া ইযা-তাল্লাকতুমুন্নিছাআ ফাবালাগনা আজালাহুন্না ফালা-তা‘দুলূহুন্না আইঁ ইয়ানকিহনা আঝওয়া-জাহুন্না ইযা-তারা-দাও বাইনাহুম বিলমা‘রূফি যা-লিকা ইঊ‘আজুবিহী মান কা-না মিনকুম ইয়ুমিনুবিল্লা-হি ওয়াল ইয়াওমিল আখিরি যা-লিকুম আঝকা-লাকুম ওয়াআতহারু ওয়াল্লাহু ইয়া‘লামুওয়া আনতুম লা-তা‘লামুন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তোমরা যখন নারীদেরকে তালাক দেবে, তারপর তারা ইদ্দত পূর্ণ করবে, তখন (হে অভিভাবকেরা!) তোমরা তাদেরকে এ কাজে বাধা দিয়ো না যে, তারা তাদের (প্রথম) স্বামীদেরকে (পুনরায়) বিবাহ করবে যদি তারা পরস্পরে ন্যায়সম্মতভাবে একে অন্যের প্রতি রাজি হয়ে যায়। ১৭২ এর দ্বারা তোমাদের মধ্যে সেই সব লোককে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে, যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসে ঈমান রাখে। এটাই তোমাদের পক্ষে বেশি শুদ্ধ ও পবিত্র পন্থা। আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৭২. অনেক সময় তালাকের পর ইদ্দত পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর স্বামী-স্ত্রীর শিক্ষা লাভ হত, ফলে তারা নতুনভাবে জীবন শুরু করার জন্য পরস্পরে পুনরায় বিবাহ সম্পন্ন করতে চাইত। যেহেতু তালাক তিনটি হত না, তাই শরীয়তে নতুন বিবাহ জায়েযও ছিল এবং স্ত্রীও তাতে সম্মত থাকত, কিন্তু তার আত্মীয়-স্বজন নিজেদের কাল্পনিক অহমিকার কারণে তাকে তার প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে বাধা দিত। এ আয়াত তাদের সে ভ্রান্ত রসমকে অবৈধ সাব্যস্ত করছে।
﴾﴿