মারইয়াম

সূরা নং: ১৯, আয়াত নং: ২৬

তাফসীর
فَکُلِیۡ وَاشۡرَبِیۡ وَقَرِّیۡ عَیۡنًا ۚ  فَاِمَّا تَرَیِنَّ مِنَ الۡبَشَرِ اَحَدًا ۙ  فَقُوۡلِیۡۤ اِنِّیۡ نَذَرۡتُ لِلرَّحۡمٰنِ صَوۡمًا فَلَنۡ اُکَلِّمَ الۡیَوۡمَ اِنۡسِیًّا ۚ

উচ্চারণ

ফাকুলী ওয়াশরাবী ওয়াকাররী ‘আইনান ফাইম্মা-তারায়িন্না মিনাল বাশারি আহাদান ফাকূলীইন্নী নাযারতুলিররাহমা-নি সাওমান ফালান উকালিলমাল ইয়াওমা ইনছিইইয়া-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তারপর খাও ও পান কর এবং চোখ জুড়াও, ১৪ মানুষের মধ্যে কাউকে আসতে দেখলে (ইশারায়) বলে দিও, আজ আমি দয়াময় আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি রোজা মানত করেছি। সুতরাং আজ আমি কোন মানুষের সাথে কথা বলব না। ১৫

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৪. বিগত শরীয়তসমূহের কোন-কোনটিতে কথাবার্তা না বলে চুপচাপ থাকাও এক ধরনের রোযা ও ইবাদত ছিল। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরীয়তে ইবাদতের এ পন্থা রহিত করে দেওয়া হয়েছে। এখন এরূপ রোযা রাখা জায়েয নয়। আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে হযরত মারয়াম আলাইহিস সালামকে নির্দেশ করা হয়েছিল, তিনি যেন এরূপ রোযার মানত করেন। অতঃপর যদি কথা বলার প্রয়োজন পড়ে, তবে তা যেন ইশারা দ্বারা সেরে নেন এবং বুঝিয়ে দেন আমি রোযা রেখেছি। এতে করে মানুষের অহেতুক সওয়াল-জওয়াবের ঝামেলা থেকে বেঁচে যাবেন এবং কিছুটা হলেও স্বস্তিতে থাকতে পারবেন।