ইউনুস

সূরা নং: ১০, আয়াত নং: ৯৩

তাফসীর
وَلَقَدۡ بَوَّاۡنَا بَنِیۡۤ اِسۡرَآءِیۡلَ مُبَوَّاَ صِدۡقٍ وَّرَزَقۡنٰہُمۡ مِّنَ الطَّیِّبٰتِ ۚ فَمَا اخۡتَلَفُوۡا حَتّٰی جَآءَہُمُ الۡعِلۡمُ ؕ اِنَّ رَبَّکَ یَقۡضِیۡ بَیۡنَہُمۡ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ فِیۡمَا کَانُوۡا فِیۡہِ یَخۡتَلِفُوۡنَ

উচ্চারণ

ওয়া লাকাদ বাওওয়া’না-বানীইছরাঈলা মুবাওওয়াআ সিদকিওঁ ওয়া-রাঝাকনা-হুম মিনাততাইয়িবা-তি ফামাখ তালাফূহাত্তা-জাআহুমুল ‘ইলমু ইন্না রাব্বাকা ইয়াকদী বাইনাহুম ইয়াওমাল কিয়া-মাতি ফীমা-কা-নূফীহি ইয়াখতালিফূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

আমি বনী ইসরাঈলকে যথার্থভাবে বসবাসের উপযুক্ত এক স্থানে বসবাস করালাম এবং তাদেরকে উত্তম রিযক দান করলাম। অতঃপর তারা (সত্য দীন সম্পর্কে) ততক্ষণ পর্যন্ত মতভেদ সৃষ্টি করেনি, যতক্ষণ না তাদের কাছে জ্ঞান এসে পৌঁছেছে। ৪৮ নিশ্চয়ই তারা যেসব বিষয়ে মতভেদ করত কিয়ামতের দিন তোমার প্রতিপালক তাদের মধ্যে তার মীমাংসা করে দিবেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৪৮. অর্থাৎ বনী ইসরাঈলের আকীদা-বিশ্বাস একটা কাল পর্যন্ত সত্য দীন মোতাবেকই ছিল। তাওরাত ও ইনজীলে শেষ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আবির্ভাব সম্পর্কে যে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে, সে অনুযায়ী তাঁরাও তার আগমনে বিশ্বাসী ছিল। কিন্তু আসমানী কিতাবসমূহে বর্ণিত নিদর্শনাবলী দ্বারা যখন জানা গেল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই সেই নবী, তখন তারা বিদ্বেষবশত সত্য দীনের বিরোধিতা শুরু করে দিল।