ইউনুস

সূরা নং: ১০, আয়াত নং: ২০

তাফসীর
وَیَقُوۡلُوۡنَ لَوۡلَاۤ اُنۡزِلَ عَلَیۡہِ اٰیَۃٌ مِّنۡ رَّبِّہٖ ۚ  فَقُلۡ اِنَّمَا الۡغَیۡبُ لِلّٰہِ فَانۡتَظِرُوۡا ۚ  اِنِّیۡ مَعَکُمۡ مِّنَ الۡمُنۡتَظِرِیۡنَ ٪

উচ্চারণ

ওয়া ইয়াকূলূনা লাওলাউনঝিলা ‘আলাইহি আ-য়াতুম মির রাব্বিহী ফাকুল ইন্নামাল গাইবুলিল্লা-হি ফানতাজিরু ইন্নী মা‘আকুম মিনাল মুনতাজিরীন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তারা বলে, এ নবীর প্রতি তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে কোনও নিদর্শন কেন অবতীর্ণ করা হল না? (হে নবী! উত্তরে) তুমি বলে দাও, অদৃশ্যের বিষয়সমূহ তো কেবল আল্লাহরই এখতিয়ারে। সুতরাং তোমরা অপেক্ষা কর। আমিও তোমাদের সঙ্গে অপেক্ষা করছি। ১১

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১১. এ আয়াতে নিদর্শন দ্বারা মুজিযা বোঝানো হয়েছে। এমনিতে তো আল্লাহ তাআলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বহু মুজিযা দিয়েছিলেন। উম্মী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর পবিত্র মুখে কুরআন মাজীদ উচ্চারিত হওয়াই তো এক বিশাল মুজিযা ছিল। তারপরও মক্কার কাফেরগণ তাঁর কাছে নিত্য-নতুন মুজিযা দাবী করত, যার কিছু বিবরণ সূরা বনী ইসরাঈলে (১৭ : ৯৩) আসবে। বলাবাহুল্য, কাফেরদের সকল দাবী পূরণ ও যে-কারও ফরমায়েশ অনুযায়ী নিত্য-নতুন মুজিযা প্রদর্শন করা নবী-রাসূলগণের কাজ নয়, বিশেষত যদি জানা থাকে তাদের সে সব দাবীর উদ্দেশ্য কেবল কালক্ষেপণ করা এবং ঈমান না আনার জন্য ছল-ছুতার আশ্রয় নেওয়া। এ কারণেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাদের সে সব ফরমায়েশের এই সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে বলা হয়েছে যে, গায়েবী যাবতীয় বিষয়, মুজিযাও যার অন্তর্ভুক্ত, আমার এখতিয়ারাধীন নয়। তা কেবল আল্লাহ তাআলারই ইচ্ছাধীন। তিনি তোমাদের কোন দাবী পূরণ করেন ও কোনটা অপূর্ণ রাখেন তা দেখার জন্য তোমরাও অপেক্ষা কর এবং আমরাও অপেক্ষা করছি।