✧
আযান
সুন্নাহ
(১) পাক-পবিত্র অবস্থায় আযান দেয়া।
- মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-১৭৯৯
(২) কিবলামুখী হয়ে আযান দেয়া এবং উভয় পায়ের মাঝে চার আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁক রেখে কিবলামুখী করে রাখা।
- আবু দাউদ, হাদীস নং-৫০৭, মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-১৮০২
(৩) প্রথম দুই তাকবীর এক শ্বাসে একত্রে বলে থামা।
(৪) অতঃপর দুই তাকবীর এক শ্বাসে একত্রে বলে থামা।
বিস্তারিত
(৫) অতঃপর মাঝের বাক্যগুলির মধ্য হতে এক একটি বাক্য এক শ্বাসে বলা এবং প্রত্যেক বাক্যের শেষে সাকিন করা ও থামা।
- মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবাহ, হাদীস নং-২৩৭৭
(৬) শেষের দুই তাকবীর এক শ্বাসে একত্রে বলে থামা ও উভয় তাকবীরের শেষে সাকিন করা।
(৮) ডান দিকে চেহারা ফিরানোর পর হাইয়া আলাসসালাহ বলা এবং বাম দিকে চেহারা ফিরানোর পর হাইয়া আলাল ফালাহ্ বলা। কিন্তু বুক ও পা কিবলার দিক থেকে ফিরাবে না।
- বুখারী শরীফ, হাদীস নং-৬৩৪
(৯) মহল্লার প্রথম আযান শ্রবণের সাথে সাথে আযান শেষ হওয়া পর্যন্ত শ্রোতাগণের তিলাওয়াত, যিকির, তাসবীহ ইত্যাদি বন্ধ করে দেয়া।
- মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-১৮৪৯
(১১) আযান শেষে দরূদ শরীফ পড়া।
- মুসলিম, হাদীস নং-৩৮৪
(১২) অতঃপর এই দুআ পড়াঃ اَللّٰهُمَّ رَبَّ هٰذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ اٰتِ مُحَمَّدَنِ الْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَّحْمُوْدَنِ الَّذِيْ وَعَدْتَّهٗ. اِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيْعَادَ
- বুখারী, হাদীস নং-৬১৪, ৪৭১৯, বাইহাকী হাদীস নং-১৯৩৩
বিস্তারিত