আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৬৫২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জনৈক ব্যক্তির দুটি গাভী ছিল, যেগুলোর দুধ বিক্রি করে তার সংসার চলত। ঘটনাক্রমে একবার তার দুটো গাভীই রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। একসময় সে বলে, গাভীগুলো সুস্থ হলে সামনের কুরবানী ঈদে এই কালো গাভীটা আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্য কুরবানী করব। পরবর্তীতে গাভীদুটো সুস্থ হয়। কিন্তু কোনো কারণে সে ঐ বছর কালো গাভীটি কুরবানী করেনি। এদিকে পরের বছর ঐ গাভীটি একটি বাচ্চা প্রসব করে এবং তা বড়ও হয়ে যায়।

এখন ঐ ব্যক্তি গাভীটি কুরবানী না করার কারণে অনুতপ্ত। সেইসাথে সে জানতে চাচ্ছে, এ অবস্থায় এখন তার করণীয় কী?

উল্লেখ্য, সে একজন খেটে খাওয়া গরীব মানুষ। তার উপর কুরবানী ওয়াজিব নয় এবং সাধারণত সে কুরবানী করে না।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯০১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জনাব, আমরা জানি জবাইকারী কসাই বা কাজে সহযোগিতাকারীকে চামড়া, গোশত বা কুরবানীর পশুর কোনো কিছু পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া জায়েয নয়। কিন্তু জনৈক ব্যক্তি কুরবানীর পশু জবাইয়ের বিনিময়ে গোশত নেন।

এখন আমাদের প্রশ্ন হল,

১. কুরআন ও সহীহ হাদীসের দৃষ্টিতে কুরবানীর পশু জবাইয়ের পারিশ্রমিক হিসেবে গোশত নেওয়ার বিধান কী?

২. যদি কোনো ব্যক্তি কুরবানীর পশু জবাই করে গোশত নেয় তাহলে উক্ত জবাইকৃত পশুর কুরবানী কি সহীহ হবে? এর বিধান সবিস্তারে জানতে চাই।

৩. জবাইকারীকে পশু জবাইয়ের বিনিময়ে পারিশ্রমিক হিসেবে টাকা দেওয়ার পর স্বেচ্ছায় গোশত দেওয়া যাবে কি?

কুরআন-হাদীসের আলোকে উক্ত মাসআলাগুলো জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১১৪৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একজন লোকাল বাসচালক। কুরবানীর দিন আমার গাড়িতে কিছু গোশত পাই। যার ওজন প্রায় ১০/১১ কেজি হবে। সাথে সাথে আমি বাসস্ট্যান্ডে ঘোষণা করে দিয়েছি। কিন্তু একদিন এক রাত পার হওয়ার পরও মালিকের কোনো খোঁজ পাইনি।

পরে এ বিষয়ে এক আলেমের সাথে কথা বললে তিনি জানালেন, যদি সম্ভব হয় বিক্রি করে টাকা রাখেন। মালিক এলে তাকে দিয়ে দিবেন। না হয় কোনো গরীবকে সদকা করে দিবেন।

কিন্তু কুরবানীর সময় ঘরে ঘরে তো গোশত তাই কাউকে বিক্রি করতে পারিনি। পরে আমার এক গরিব ছেলে যার সংসার ভিন্ন তাকে দিয়ে দিয়েছি।

জানার বিষয় হল, নিজ সন্তানকে প্রাপ্ত/কুড়ানো সম্পদ দেওয়া কি ঠিক হয়েছে? তার জন্য তা বৈধ হবে কি?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১১৪৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি ফার্মের মুরগি বিক্রি করি। কিছুদিন আগে এক লোক ২০টা মুরগির অর্ডার দিয়েছেন। ছোট থেকেই জানতাম যে, পশু যবাইয়ের সময় বিসমিল্লাহ, আল্লাহু আকবার বলে যবাই করতে হয়। এটাই আমার বদ্ধমূল ধারণা ছিল। কিন্তু ঐদিন লোকটির সামনে মুরগিগুলো যবাইয়ের সময় শুধু বিসমিল্লাহ বলে যবাই করছিলাম। লোকটা জিজ্ঞাসাও করেছিল, আপনি কি বিসমিল্লাহ, আল্লাহু আকবার বলেন নাই? আমি বললাম, হাঁ, বলেছি। আমি মিথ্যা বললাম। কিন্তু পরে ভয় হল, আমি তো কাজটা ঠিক করিনি। এখন আমার কী করণীয় তাও বুঝতে পারছি না। দয়া করে আমার করণীয় কী তা জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৯০৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

প্রতি বছর কুরবানীর পর আমাদের বাসায় প্রচুর পরিমাণে চর্বি জমা হয়। এসকল চর্বি উত্তমরূপে না নিজে ব্যবহার করা যায় না অন্যকে দেওয়া যায়। আমার প্রতিবেশী মহিলারা চর্বি কিনতে আসা ব্যক্তিদের নিকট তা বিক্রি করে দেন। কিন্তু আমার স্বামী একথা বলে আমাকে চর্বি বিক্রি থেকে বিরত রেখেছেন যে, ‘কুরবানীর পশুর চর্বি বিক্রি করা নাজায়েয।’ আমি জানতে চাচ্ছি যে, তার উক্ত কথা কি ঠিক? আর যেহেতু সুষ্ঠুভাবে চর্বিগুলোকে ব্যবহার না করার কারণে তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় তাই তা বিক্রি করে গরীবদেরকে এর অর্থ দেওয়ার সুযোগ আছে কি না?


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০