আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৫৯৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আসসালামু আলাইকুম, কোনো ভূমিকা ছাড়াই মূল বিষয় তুলে ধরছি। আমরা আমাদের বাড়ি-ঘর, মসজিদ-মাদরাসার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কুরআনের আয়াত ও হাদীস লিখিত ওয়ালমেট, ক্যালেন্ডার, শোপিছ ও বিভিন্ন আসবাবপত্র ব্যবহার করে থাকি। এগুলোর কোনোটির মধ্যে সরাসরি আরবী লেখা থাকে, কোনোটির মধ্যে তরজমা, কোনোটির মধ্যে কেলিওগ্রাফির মাধ্যমে আয়াত বা হাদীস লেখা থাকে। আমার প্রশ্ন হল, এগুলো ব্যবহার কি জায়েয, না নাজায়েয? এগুলোর হুকুম কী? এ ধরনের ক্যালেন্ডার দিয়ে দরসি গায়রে দরসি কিতাব বাঁধাই করার, পড়ার টেবিলে বিছিয়ে ব্যবহার করার এবং বিভিন্ন স্থানে সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে লাগানোর হুকুম কী?

বিষয়টি ছোট করে না দেখে উপযুক্ত দলিলসহকারে বিস্তারিত সমাধান পেশ করার জন্য আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি। বারাকাল্লাহু ফীকুম, ওয়াসসালামু আলাইকুম।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩০৯৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

অনেকে বলে মাজারকে কবর বলা যাবে না। এতে করে ওলি আল্লাহদের অসম্মান হয়। আসলে কবর ও মাজারের পার্থক্য কী? কবরকে মাজার শরীফ ও মাজার শরীফকে কবর বলা যাবে কি? মাজার শরীফের উৎপত্তি কখন এবং কোথা হতে? আওলিয়ায়ে কিরামের মাজারকে কবর বললে তাদেরকে অসম্মান করা হয় কি না? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কবরকে রওজা শরীফ বলা হয় কেন? মাজারকে সিজদা করা, চুমু দেওয়া, মাজারকে ভক্তি দেখিয়ে পিছন হয়ে বের হওয়া, মাজারে গিলাফ চড়ানো এবং মাজারের মধ্যে টাকা-পয়সা ফেলা, মাজারের সামনে গাছের গোড়ায় মোমবাতি জ্বালানো, আগরবাতি জ্বালানো, গোলাপ জল ছিটানো শরীয়তসম্মত কি না? না হলে ওলি আল্লাহদের মাজার বা কবরকে শ্রদ্ধা, ভক্তি ও যিয়ারতের পদ্ধতি কী? কুরআন-হাদীসের আলোকে দলিলসহ বিস্তারিত জানালে দ্বীন পালনে সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৬১৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার ভগ্নিপতি ছোটবেলাতেই পিতা-মাতার সাথে সৌদিআরব চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। চার-পাঁচ বছর পর পর বাংলাদেশে এসে দু’-এক মাস থেকে যেতেন। তিনি গত বছর সৌদিতেই হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হন। তিনি তখন বলেছিলেন, আমি পূর্ণ সুস্থ হলে আমার ফরয হজ্ব পালন করে নেব। আর না পারলে তোমরা আমার পক্ষ থেকে হজ্ব করে নিবে। কিন্তু কিছুদিন পর তিনি দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হয়ে ইন্তিকাল করেন। পরে সৌদিআরব থেকে তাকে বাংলাদেশে এনে দাফন করা হয়।

এখন মুহতারামের নিকট প্রশ্ন হল, আমার ভগ্নিপতির ওসিয়তকৃত হজ্ব সৌদিআরবে অবস্থানরত তার বাবা/ভাই বা অন্য কারো মাধ্যমে করালে হবে, নাকি বাংলাদেশ থেকে কাউকে পাঠিয়ে তার ওসিয়তকৃত হজ্ব করাতে হবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৬১১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের মসজিদটি মুসল্লি বেশি হওয়ার কারণে আরো সম্প্রসারিত করা দরকার। তাই মসজিদেরই ওয়াকফকৃত জমি, যেখানে মসজিদ সম্প্রসারণ করা হবে, সেখানে তিনটি কবর রয়েছে। তিনটির মধ্য থেকে সবার শেষে যে কবরটি স্থাপন করা হয়েছে সেটার বয়স ৮ বছর। কবরওয়ালাদের পরিবার মসজিদ সম্প্রসারণের কথা শুনে তারা কবর থেকে মাটি ও হাড্ডি উঠিয়ে পাশে অন্যত্র নিয়ে তাদের কবরের চিহ্ন রাখার জন্য দাফন করেছে। জানার বিষয় হল, উক্ত কবরের জায়গায় মসজিদ সম্প্রসারণ করা যাবে কি না? অনেকে বলেন, কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে সেখানে নামায পড়া শিরক। কথাটি কতটুকু সঠিক? জানিয়ে বাধিত করবেন। আরো জানতে চাই, কবর কতদিনের পুরাতন হলে তার উপর প্রয়োজনে বাড়ি, মসজিদ বা সড়ক নির্মাণ করা যায়?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কবরের উপর ভবন নির্মাণ প্রসঙ্গে :

জনাব, ২২ বছর আগে আমাদের গ্রামের এক মুরব্বী মসজিদের নামে ৫ শতাংশ জায়গা ওয়াকফ করেন। ওয়াকফকৃত  জায়গাটির সীমানার মধ্যে ডান পাশে পুরাতন একটি কবর ছিল। আমাদের জানামতে এটি ওয়াকফকারীর দাদার কবর। সে সময় আবাদী কম থাকায় মসজিদটি নির্মাণকালে আমরা কবরের দিক থেকে প্রায় দুই শতাংশ জায়গা ছেড়ে তা নির্মাণ করি। এখন মানুষের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। আমরা চাচ্ছি মসজিদটি বড় করে পূর্ণ জায়গার উপর নির্মাণ করতে। এক্ষেত্রে কী আমাদের জন্য কবরের জায়গাটি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে?

উল্লেখ্য, উক্ত জায়গাটি মুরব্বীর মালিকানাধীন সম্পদ ছিল। কবরস্থান বানানোর জন্য ওয়াকফকৃত ছিল না। তৎকালীন গ্রামের প্রচলন অনুযায়ী মৃত ব্যক্তিটিকে (মুরব্বীর দাদা) কবরস্থানে দাফন না করে উক্ত জায়গায় দাফন করা হয়েছে।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১১২১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন আগে আমার নানা ইন্তেকাল করেছেন। তিনি ঢাকায় বসবাস করতেন। তবে তার গ্রামের বাড়ি ছিল পাবনা। সেখানে তার ঘরবাড়ি এবং জায়গা-সম্পত্তি আছে। গ্রামে তিনি একটি মসজিদ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেগুলোর মুতাওয়াল্লি তিনিই ছিলেন। তাই কিছুদিন পরপরই সেখানে যেতেন। কয়েক দিন করে থাকতেন। মাদরাসাই ছিল তার সারা জীবনের স্বপ্ন এবং তার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু। তার খুব তামান্না ছিল, উক্ত মাদরাসা-মসজিদের কাছেই তার কবর হবে। সন্তানদেরকে কথা বলেছেনও বিভিন্ন সময়। কিছুদিন আগে তিনি ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। তখন তার দাফনের বিষয় নিয়ে মতভেদ হয়। গ্রামের লোকদের দ্বীনী মুরুবিক্ষ হওয়ায় তাদের চাওয়া ছিল তাকে গ্রামে দাফন করা হোক। ছাড়া বাবার কবর সেখানে থাকলে স্বভাবতই সন্তানদের মাদরাসার প্রতি বিশেষ মনোযোগ থাকার বিষয়টিও বিবেচনায় আনেন কেউ কেউ। আর তার নিজের তামান্না উপেক্ষা করাটাও সন্তানদের কাছে কষ্টকর হয়। তাই তাকে পাবনাতে নিয়েই দাফন করা হয়। কিন্তু আমি জানতাম, লাশ এত দূর নিয়ে দাফন করা মাকরূহে তাহরীমী নাজায়েয। এখন জানার বিষয় হল, উপরোক্ত অবস্থায় তাকে গ্রামে নিয়ে দাফন করাটা শরীয়তের দৃষ্টিতে উচিত ছিল কি না? আর এটি মাকরূহে তাহরীমী বা নাজায়েয কাজ হয়েছে কি না? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯১২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের গ্রামের মসজিদের আর্থিক প্রয়োজন পূরণের জন্য বেশ কিছু ওয়াক্ফকৃত জমি আছে। এতে চাষাবাদ হয় এবং ভালো ফলন হয়। মসজিদ কমিটির একজন প্রভাবশালী সদস্য  (সেক্রেটারী) এই ওয়াক্ফকৃত জমির একটি অংশ মুতাওয়াল্লীকে না জানিয়ে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। ক্রেতা এই জায়গাটিকে পারিবারিক কবরস্থান বানিয়েছে। তবে এতে এখনো কোনো মুর্দা দাফন করা হয়নি। বিনিময় হিসেবে সে অন্যত্র সমপরিমাণ জায়গা ও কিছু নগদ টাকা দিয়েছে। জানার বিষয় হল, এই বিক্রি সহীহ হয়েছে কি না? সহীহ না হলে এখন কী করণীয়? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।
 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৮১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জনৈক ব্যক্তি তার বড় পুত্রবধুর খেদমতে সন্তুষ্ট হয়ে তার জন্য নির্দিষ্ট একটা জমির অসিয়ত করেন। তখন সেখানে ঐ ব্যক্তির স্ত্রী ও এক ছেলে উপস্থিত ছিল। বিষয়টি অন্য দুই পুত্রবধু জানতে পারলে তাদের মাঝে কানাঘুষা হয়। একপর্যায়ে তা পারিবারিক ঝগড়ায় রূপ নেয়। এ পরিস্থিতি দেখে বড় পুত্রবধু সবার সামনে তার শ^শুরকে বলে আমার কোনো জমি লাগবে না। আমি আপনার জমি নিব না। তখন ঐ ব্যক্তি বলেছিল, আমি অসিয়ত করেছি, তুমি পাবে। ঐ ঘটনার পর আর এ বিষয়ে কোনো কথা  হয়নি।

বর্তমানে সে ব্যক্তি বেঁচে নেই। বড় পুত্রবধু যেহেতু শ^শুরের জীবদ্দশায় তার পক্ষে কৃত অসিয়ত প্রত্যাখ্যান করেছে তাই মৃতের ওয়ারিসরা তাকে ঐ জমি দিতে চাচ্ছে না। কিন্তু সে এখন জমিটি নিতে খুবই আগ্রহী।

জানার বিষয় হল, উপরোক্ত পরিস্থিতিতে ঐ ব্যক্তির কৃত অসিয়ত বহাল আছে কি না? এবং উক্ত পুত্রবধু কি অসিয়তসূত্রে ঐ জমি দাবি করতে পারবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০