আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৩৩৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

একবার আমি শপথ করে বলেছিলাম, আমার স্ত্রীর রান্না আর খাব না। পরে এই শপথ ভঙ্গ হয়ে যায় এবং আমি তার হাতের রান্না খাই। এর কাফফারা আদায়ের জন্য আমি দরিদ্র দশ জনকে দাওয়াত করি। তারা এসে দুপুরে আমার বাসায় খানা খায়। খানার পর তাদেরকে পরের দিন দুপুরে আবার আসার জন্য বলে দিই। সে হিসেবে তারা পরের দিনও এসে খানা খায়। কিন্তু তাদের মধ্যে দুইজন এমন ছিল, যারা আগের দিন আসেনি। এখন গ্রামের এক আলেম বলছেন, কাফফারা আদায়ের জন্য প্রথম দিন যারা এসেছিল তাদেরকেই খাওয়াতে হবে। অন্য দুই জনকে খাওয়ালে কাফফারা আদায় হবে না।

মুফতী সাহেবের কাছে আমার জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে আসলেই কি প্রথম দশ জনকে খাওয়াতে হবে?

নাকি যে কোনো দশজনকে খাওয়ালে হবে? যদি না হয় তাহলে এখন আমার করণীয় কী? এখন কি পুনরায় দশজনকে দু’বেলা খাওয়াতে হবে? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
২৯৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার ভগ্নিপতি খুব রাগী মানুষ। সন্তানরা সামান্য কথা মানতে না পারলেই রেগে যায় এমনকি মারধরও শুরু করে দেয়। আমাদের কথাও মানে না। আমরা তাকে একজন আলেমের কাছে নিয়ে যাই। এরপর থেকেই তার মাঝে পরিবর্তন আসতে থাকে। সে সন্তানদেরকে মারধর করা ছেড়ে দেয় আর ভবিষ্যতে না মারার শপথও করে। কিছুদিন আগে পাশের বাড়ির লোকদের সাথে একটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া হলে সে তাদেরকে লাঠি নিয়ে মারতে যায়। আমার ভাগিনা ঝগড়া থামাতে গেলে ভুলে তার মাথায় আঘাত পড়ে এবং সে আহত হয়। ভগ্নিপতির তাকে মারার উদ্দেশ্য ছিল না; বরং অন্যরা সরে যাওয়ায় তার মাথায় পড়েছে। জানার বিষয় হল, ভাগিনার গায়ে এভাবে আঘাত লাগার কারণে কি তার পিতার শপথ ভেঙ্গে গেছে? এখন তার করণীয় কী? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
১৯১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক আত্মীয় শহরে চাকরির খোঁজে এসে আমাদের বাড়ীতে উঠেছে প্রায় এক বছর হল। যতদিন চাকরি হচ্ছে না ততদিন আমাদের এখানেই সে থাকবে এবং আমাদের সঙ্গেই খাবে- একথা আমি তাকে বলেছি। কিন্তু দীর্ঘ একটা সময় পার হওয়ার পরও চাকরি পাবার ক্ষেত্রে তার কোনো অগ্রগতি হয়নি। এদিকে জীবন নির্বাহের জন্য সাধারণ কোনো পেশা গ্রহণেও সে আগ্রহী নয়। একপর্যায়ে গত কয়েক দিন আগে আমি তাকে বলেই ফেললাম, ‘আল্লাহর কসম, যদি তুমি নিজ পায়ে দাঁড়ানোর একটা উপায় না কর তাহলে আমি আর তোমার সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারব না।’ তবে সেইসাথে আমি আমার এই কথার শেষে যুক্ত করে দিলাম, ‘ইনশাআল্লাহ’। এরপর আরো মাসখানেক সময় পার হয়েছে। সে এখনো তার কোনো গতি করতে পারেনি। আমি  তো কসম করেছি, রোযগারের পথ করতে না পারলে তাকে আর সাহায্য করব না। কিন্তু এখন তার অবস্থা দেখে মায়া হচ্ছে। এ মুর্হূতে আমার কী করণীয়? আমি যদি আবারো তাকে সহযোগিতা করতে চাই তাতে কি আমার কসম ভঙ্গ করার কারণে কাফফারা দিতে হবে? জানালে উপকৃত হব।

 

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০