আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৬৬৬৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আস্সালামুআলাইকুম মুহতারাম।
আমার বয়স ২০ বছর।
আমি এই বছর রমজান মাসে ইচ্ছাকৃতভাবে ৩টি রোজা ভঙ্গ করেছি।
এখন আমাকে তো ৩.৬০=১৮০ টি রোজা রাখতে হবে।
আমি রোজাগুলো কাযা করার চেষ্টা করছি কিন্তু বাবা মার পীড়াপীড়িতে রোযাগুলো রাখতে পারছি না।
আর আমি যে রোযাগুলো ভেঙেছি তা বাসার কেউ জানেনা।
তাই আমি নিয়ত করেছি সামর্থ্যবান হবার পর রোযার কাফফারা সরূপ ১৮০ জন মিসকিন বা এতিম কে ২ বেলা খাবাবো অথবা তাদের খাবারের খরচ দিয়ে দিবো।
আমি জেনারেল লাইনের একজন ছাত্র। আমার এই নিয়ত সহীহ হবে কি?
দয়া করে আমার এই সমস্যার সমাধানে আপনার মাসআলাটি জানানোর অনুরোধ করছি।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১২ জুন, ২০২১
চাঁদপুর
১১ বার পড়া হয়েছে
৬৬৫৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আস্সালামু ওয়ালাইকুম

১) আমি এখন নিয়মিত নামাজ পড়ার চেষ্টা করছি। বলতে গেলে ৫ ওয়াক্তই পড়ছি। আমি কিছুদিন হলো জেনেছি সুন্নত মুয়াক্কাদা না পড়লে গুনাহ হয়। আবার ফরজ বাদ গেলে তার কাযা পড়ে নিতে হয়। এখন বিষয়টা হচ্ছে আমার নামাজের প্রাপ্ত বয়স হওয়ার পর আমি ঠিকমতোন নামাজ পড়তাম না পড়লেও ৫ ওয়াক্ত না। এখন আমি চাচ্ছি আগের নামাজ গুলোর কাযা পড়তে। কিন্তু বুঝতেছি না কোন সময়ের নামাজ থেকে কাযা হবে আমার নামায? আবার মাসিক ও হয়। আমি কিভাবে কোন সময়কে কেন্দ্র করে কাযা নামাজ আদায় করা শুরু করবো? আর কিভাবে বুঝবো আমার জিবনের সব কা্যা নামাজ আদায় করা হয়ে গেছে?

২) যদি কোনো দিনের ইশার নামাজ + বিতরের নামাজ এবং তার পরের দিবসের ফজরের নামাজ মিস হয়ে যায় তাহলে কিভাবে কাযা আদায় করতে হবে? নিয়ম টা জানতে চাচ্ছি কবে এবং কখন।

৩) কেউ যদি কুরআন শরীফের অনুবাদ পড়ে জানার জন্যে সেটাও কি কুরআন খতম বলে গন্য হবে? কুরআন খতমের পর যে দুয়া করতে হয় সেখানে কি আল্লাহর কাছে জীবিত বাবা মা এর জন্যে কিছু চাওয়া যাবে?

৪) কাউকে পছন্দ করলে এবং তাকে হালাল উপায়ে পাওয়ার জন্যে কোনো আমল করা যায়? করা গেলে তা কি তা জানতে চাই।

৫) অনেকে বিপদের সময় বলে ৫/১০/১৫ বার দুয়া ইউনুস অথবা যে কোনো দুয়া পড়ে দিতে এটা কি বিদ'আত বলে গন্য হয়?

৬) বাবা মা ছাড়া অন্য কারো জন্যে দুয়া করা কি ইসলামে নিষিদ্ধ? এমনকি নিজের ভাই বোনের জন্যে ও? আমার চাচু এক মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিল সেখানে নামাজ শেষে এটাই বলা হয়েছিল যে আমরা সন্তানরা বাবা মা ছাড়া কারো জন্যে দুয়া করবো না, দুয়া করলে তা বিদআত হিসেবে গন্য হবে।তাই জানতে চাচ্ছি কথাটা কতোটুকু সত্য।

আশা করি আমার সব গুলো প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আমার জ্ঞানের বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করবেন।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১২ জুন, ২০২১
ঢাকা
৬১ বার পড়া হয়েছে
৬৬৪৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম। একজন মুসলিম গুনাহ করার পর আল্লাহ্ কাছে মাফ চাইলো এবং ওয়াদা করলো যে সে আর কোনো দিন মিথ্যা কথা বলবে না, কারো গীবত করবে না, নামাজ কাযা করবে না। একদিন সে কথার পেঁচে মিথ্যা কথা বলে ফেললো,যেমন আমরা প্রবাদ বাক্য গুলো বলি। বলার পরে তার খেয়াল হলো যে সে মিথ্যা কথা বললো। বলার আগে তার খেয়াল ছিল না যে সে কি বলছে। এরকম করতে তার বাকি ওয়াদা গুলোও ভেঙে গেল। এখন সে আল্লাহর কাছে কীভাবে তাওবা করবে? কীভাবে ওয়াদা করবে? আর মানুষ মাএই তো ভুল।। এখন করনীয় কী? যদি বিস্তারিত ভাবে বলতেন।।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১২ জুন, ২০২১
ঢাকা
২০ বার পড়া হয়েছে