আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৭২৯৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমার নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দিবেন
১। যদি কোনো ব্যক্তি জামাতের নামাজে এসে দেখে যে কাতার পরিপূর্ণ তাহলে কাতার বাঁধার জন্য সামনের কাতার থেকে কাউকে টেনে নেওয়া জায়েজ কিনা? আর যদি জায়েজ হয় তাহলে কিভাবে টেনে আনবো ? আর যদি নাজায়েজ হয় তাহলে সে কিভাবে এবং কোথায় দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করবে?
২। একটা বাজারে আমার দোকান আছে। সেখানে প্রসাব করার জন্য উপযুক্ত কোনো ব্যবস্থাই নাই। তবে দোকান থেকে একটু দূরে উত্তর দক্ষিণ বরাবর একটা রাস্তার দুই পাশে দুটি ড্রেন আছে। সেখানে এক পাশের ড্রেনে বসে প্রসাব করলে মূখ পশ্চিম দিকে হয়ে যাচ্ছে। আবার অন্য পাশের ড্রেনে বসে প্রসাব করলে মূখ পূর্ব দিকে হয়ে যাচ্ছে।এই অবস্থায় আমি কিভাবে প্রসাব করব?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
১৮ জুলাই, ২০২১
West Bengal ৭২১৪০১
৭৪০১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুর আসসালামু আলাইকুম।
আমি গ্রামে গিয়ে দেখেছি আমার দাদুমনির অবস্থা অনেক বেশি খারাপ। উনার যে পরিমান খাবার আর সেবা দরকার তার কিছুই উনি পাচ্ছেন না। তার উপর উনার সাথে অনেক খারাপ আচরন করা হয়, উনার বিরুদ্ধে মিথ্যে বলে বলে উনার ছেলেদের মন উঠিয়ে নিচ্ছে। আমার চাচারাও উনাদের বিবিগনের কথায় সত্য বলে ধরে নেন। উনারা সকলেই দেশের বাহিরে থাকেন।

আমি যা দেখে এসেছি এই সত্য গুলো যদি বাবাদের জানায় তবে উনারা দাদুর অন্য কোনো ব্যবস্থা করবেন ইনশাআল্লাহ যা আমার দাদুর জন্যে অনেক বেশি দরকার।

এই অবস্থায় কি আমি বাবাদের এসব জানাতে পারব? এতে কি গীবত হয়ে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে??
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
১৭ জুলাই, ২০২১
চট্টগ্রাম
৭২৭৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, ১. আমি বেশ কয়েকমাস ধরে শারিরিক বিভিন্ন সমস্যায় ছিলাম। রাতে খুব ভয় হতো। ভয়ংকর স্বপ্ন দেখতাম। ডাক্তার কোন অসুখ পায়নি। তবুও সবসময় অসুস্থ থাকতাম। গত পরশু আমার মা এক হুজুরের কাছে গিয়েছিল। হুজুর বলেছেন আমার সাথে জ্বিন আছে। আমার নিজেরও অনেকবার এটা মনে হতো। হুজুর আমাকে ২ টা তাবিজ দিয়েছেন যা গতকাল থেকে ব্যবহার করছি। আল্লাহর রহমতে আজ আমি অনেকটা সুস্থ বোধ করছি। আমার প্রশ্ন হলো এই তাবিজ ব্যবহারে কি কোন সমস্যা বা শিরকের মধ্যে পড়বে?

২. আমি এই এপের সকাল সন্ধ্যার দোয়া, রাতে আয়াতুল কুরসি, তিন কুল, সব অনেক পড়তাম। কিন্তু তারপরও ঠিক হচ্ছিলাম না। তাবিজের বিশ্বাসের চেয়ে আমি এটা ভেবে ব্যবহার করছি যে, আল্লাহ এর উসিলায় যেন আমাকে সুস্থ করে দেন। কিন্তু তারপরও মনে সন্দেহ লাগে শিরক হচ্ছে কি না। তাবিজ ব্যবহার করা কি নিষেধ? যদি তাই হয়, দয়া করে বাংলায় রেফারেন্স সহ জানাবেন।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১৭ জুলাই, ২০২১
টঙ্গী