দুই স্রাবের মাঝে ১৫ দিনের কম ব্যবধান থাকলে কি তা ইস্তিহাযা হিসেবে গণ্য হবে?
প্রশ্নঃ ৬৪৮. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, প্রায় তিন মাস পূর্বে আমার সন্তান হয়। এরপর ৩৫ দিন পর্যন্ত স্রাব চলতে থাকে। এই স্রাব বন্ধ হওয়ার ৭ দিন পর নিয়মিত মাসিকের তারিখ অনুযায়ী পুনরায় স্রাব শুরু হয় এবং অন্যান্য সময়ের মত স্বাভাবিকভাবেই ৬ দিন পর্যন্ত স্রাব আসে। আমি এ ৬ দিন মাসিকের সময় হিসেবে নামায আদায় করিনি। কিছুদিন পূর্বে আমার এক আলেমা আত্মীয়া বললেন, দুই স্রাবের মাঝে যেহেতু ১৫ দিন ব্যবধান হয়নি তাই পরবর্তী ৬ দিন ইস্তেহাযা বলে গণ্য হবে। তাই ঐ দিনগুলোর নামায কাযা করতে হবে। তবে মাসআলাটি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য তিনি আপনাদের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আমি জানতে চাচ্ছি, তার কথা ঠিক কি না? এবং ঐ ছয় দিনের নামায কাযা করতে হবে কি না?
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
হাঁ, আপনার ঐ আত্মীয়া ঠিকই বলেছেন। প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে নেফাস (সন্তান প্রসবোত্তর স্রাব) বন্ধ হওয়ার পর পনের দিন পার হওয়ার আগেই যেহেতু স্রাব এসেছে তাই তা হায়েয (মাসিক স্রাব) হিসাবে গণ্য হবে না; বরং ইস্তিহাযা হিসাবে গণ্য হবে। তাই আপনাকে ঐ দিনগুলোর নামায কাযা করে নিতে হবে।
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
সাম্প্রতিক প্রশ্নোত্তর
তালাকপ্রাপ্ত মহিলার কোন বাবা মা নেই এবং কোন ঘরবাড়ি ও নেই তাকে কোন বসবাসের স্থান দিচ্ছে না স্বামী এখন কোন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে ইদ্দতে সময়গুলো অতিবাহিত করতে পারবে কিনা দশদিন দশ দিন করে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে
জামে মসজিদে জুমার নামাজ বন্ধ করে দেওয়ার বিধান
কাজে খুশি হয়ে টাকা দিলে গ্রহণ করা যাবে কি না
ইসলাম এ নারীরা সমপুরণ পর্দা রখখা করে নারী ও পরপুরুষের সামনে খেলতে পারবে?
রোদে গরম করা পানি ব্যবহারের বিধান