দোকানে ক্রেতা আসলে নামাজ ছেড়ে দেওয়া কি জায়েজ?
প্রশ্নঃ ১৭১৬৯৫. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি নামাজ রত অবস্থায় আছি এমন সময় আমার দোকানে কাষ্টমার আসলো। আমি কি নামাজ ছেড়ে কাজ শেষ করে আবার সেই নামাজ আদায় করতে পারবো?
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
বিশেষ কোনো জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে: যেমন তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতি, সম্পদ নষ্ট হওয়া, মালামাল চুরি হওয়া এবং কারও জানমালের বিপদ বা এমন জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে যা নামাজ চালিয়ে গেলে এড়ানো সম্ভব নয়, তখন পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে নামাজ ভাঙার অনুমতি আছে।
কিন্তু দোকানে ক্রেতা আসা, ব্যবসার সুযোগ চলে যাওয়ার আশঙ্কা কিংবা সামান্য আর্থিক লাভের জন্য ফরজ নামাজ শুরু করার পর তা ভেঙে দেওয়া জায়েজ নয়। বরং নামাজ পূর্ণ করে তারপর ক্রেতার সঙ্গে লেনদেন করতে হবে।
(ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া: ১/১০৯; আদ্দুররুল মুখতার: ২/৫১)
দারুল উলূম দেওবন্দ থেকে প্রকাশিত একটি ফাতাওয়ায় বলা হয়,
Fatwa : 323-284/H=03/1441
(۲) بہت سی صورتیں ایسی ہیں جن کی وجہ سے نماز توڑی جاسکتی ہے مثلاً سانپ سامنے آگیا تو اس کے ڈر سے نماز توڑنا درست ہے۔ یا مثلاً کوئی نماز میں ہے اور ہانڈی ابلنے لگی جس کی لاگت ایک درہم کے بقدر ہے تو نماز توڑ کر اس کو درست کرنا جائز ہے۔ اس کے علاوہ اور بھی بہت سی صورتیں ہیں جن کی تفصیل ”بہشتی زیور“ حصہ دوم، صفحہ ۲۷/ پر دیکھی جاسکتی ہے۔
ویباح قطعہا لنحو قتل حیة، وندّ دابة، وفور قدر، وضیاع ما قیمتہ درہم لہ أو لغیرہ (الدر المختار: ۲/۴۲۵، ۴۲۶، ط: زکریا دیوبند)
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন