রোজা অবস্থায় হায়েজ হলে বা হায়েজ থেকে পবিত্র হলে বিধান কি?
প্রশ্নঃ ১৩৯২৪৭. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, রোজা রাখা অবস্থায় যদি মাসিক হয় তাহলে কি ঐদিন এর রোজা ভঙ্গ করে পানাহার করা যাবে?
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
ঢাকা
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
প্রিয় প্রশ্নকারী, রোজা রাখা অবস্থায় হায়েয (ঋতুস্রাব) শুরু হলে রোজা নষ্ট হয়ে যায় এবং হায়েযওয়ালী নারীর জন্য ওই দিনের বাকি অংশে পানাহার করার অনুমতি রয়েছে। তবে তার জন্য উচিত, সে যেন অন্যদের সামনে পানাহার না করে। আর পবিত্র হওয়ার পর হায়যের দিনগুলোতে ছুটে যাওয়া রোজাগুলোর সাথে এই দিনের রোজারও কাজা করে নিবে।
পক্ষান্তরে এর বিপরীত যদি কোনো ঋতুবতী নারী রমজান মাসে দিনের বেলা পবিত্র হয়, তবে দিনের বাকি অংশে তাঁর জন্য পানাহার করার অনুমতি থাকবে না; বরং রোজাদারদের মতো থাকা জরুরি। এই যে না খেয়ে এবং তৃষ্ণার্ত থাকা—এটি রমজান মাসের সম্মান এবং রোজাদারদের সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখার কারণে। দিনের বাকি অংশ না খেয়ে থাকাকে ‘রোজা’ বলা হবে না; সুতরাং পরবর্তীতে এই দিনের রোজাটিও কাজা করা আবশ্যক হবে।
بدائع الصنائع في ترتيب الشرائع (ج:2، ص:94، ط:دار الكتب العلمية):
"ولو حاضت المرأة ونفست بعد طلوع الفجر فسد صومها؛ لأن الحيض والنفاس منافيان للصوم لمنافاتهما أهلية الصوم شرعًا بخلاف القياس بإجماع الصحابة -رضي الله عنهم- على ما بينا فيما تقدم بخلاف ما إذا جن إنسان بعد طلوع الفجر، أو أغمي عليه. و قد كان نوى من الليل إن صومه ذلك اليوم جائز لما ذكرنا أن الجنون، والإغماء لاينافيان أهلية الأداء وإنما ينافيان النية، بخلاف الحيض والنفاس، والله أعلم."
( فتاوی شامی،2/ 408،ط: سعيد )
"(كمسافر أقام وحائض ونفساء طهرتا ومجنون أفاق ومريض صح) ومفطر ولو مكرها أو خطأ (وصبي بلغ وكافر أسلم وكلهم يقضون) ما فاتهم (إلا الأخيرين) وإن أفطرا لعدم أهليتها في الجزء الأول من اليوم وهو السبب في الصوم.
(قوله: لعدم أهليتهما) أي لأصل الوجوب بخلاف الحائض فإنها أهل له وإنما سقط عنها وجوب الأداء فلذا وجب عليها القضاء ومثلها المسافر والمريض والمجنون."
(مراقي الفلاح شرح نور الإيضاح» (ص255)، ط: الناشر: المكتبة العصرية)
"يجب" على الصحيح وقيل: يستحب "الإمساك بقية اليوم على من فسد صومه ولو بعذر ثم زال "وعلى حائض ونفساء طهرتا بعد طلوع الفجر
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
আব্দুল কাইয়ুম
মুফতী ও মুহাদ্দিস, দারুল কুরআন আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা
মুহাম্মদপুর, ঢাকা
মুফতী ও মুহাদ্দিস, দারুল কুরআন আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা
মুহাম্মদপুর, ঢাকা
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১