আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৩৫২৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হযরত, আমি কুমিল্লা থেকে সিয়াম প্রশ্ন করছি।

আমি সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। কোন টিউশনি না পাওয়ায় আমার আয়ের কোন ব্যবস্থা নেই। বাবার পাঠানো টাকাতেই চলি। যখন থেকে মাসজিদের সাথে সম্পর্ক হয়, তালিমে বসি, তখন থেকেই আল'হামদুলিল্লাহ সুন্নাতের উপর চলার চেষ্টা করছি। আমার বাবা-মা নামাজি হলেও আমার পোশাক পছন্দ করেন না এবং ঈদ আসলে তারা আমাকে শার্ট-প্যান্ট কেনার জন্য চাপ দেন। কিন্তু আমি আমার পুরনো পাঞ্জাবি-পাজামাই পড়ি। এমতাবস্থায় আমার মামা আমাকে পাঞ্জাবি-পাজামার জন্য কাপড় হাদিয়া দেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমার মামা ক্রিমিনাল কেসের দক্ষ আইনজীবী, তার আয়ের ব্যাপারে সন্দেহ আছে, হারাম হবার সম্ভাবনাই বেশি।

আমার প্রশ্নটা হচ্ছে, যেহেতু আমার বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা নেই এবং আমি সুন্নাতি পোশাক পরিধানে আগ্রহী সেহেতু আমি কি আমার মামার হাদিয়ার কাপড় গ্রহণ করতে পারি? জানালে উপকৃত হবো। জাযাকাল্লাহ খাইর।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
১১ নভেম্বর, ২০২০
কুমিল্লা
১২১৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। এটি পরিপূর্ণভাবে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। এখানে প্রতি মাসে আমার বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা রাখা হয়। জমা রাখা টাকার একটি ন্যূনতম পরিমাণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত করা হয়ে থাকে। আমি ইচ্ছা করলে বেশি টাকাও জমা রাখতে পারি। ২০০২ সাল থেকে ২০০৩ সলে বেতনের প্রায় অর্ধেক জমা রেখেছিলাম। এতে আনুমানিক ১ লক্ষ টাকা সরকারী বাধ্যবাধকতার অতিরিক্ত জমা করেছি। এই টাকার উপর মুনাফা দেওয়া হয়। চাকরি হতে অবসর গ্রহণের সময় এই টাকা উঠানো যায়। তবে নিজ প্রয়োজনে এই টাকার ৮০% যে কোনো সময় লোন পাওয়া যায়। তবে উক্ত টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করা লাগে।

এ অবস্থায় আমার জানার প্রয়োজন-

ক) এই মুনাফা নেওয়া বৈধ হবে কি?

খ) এই জমানো টাকার উপর প্রতি বছর যাকাত আদায় করতে হবে কি?


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০