আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১২৬৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

তারাবীহ নামাযে ১৭ নং রাকাতে হাফেয সাহেব সিজদার আয়াত না পড়েই সিজদা দেন। সিজদা থেকে উঠে সিজদার আয়াতের পর থেকে শুরু করে যথানিয়মে ১৭ রাকাত ও ১৮ রাকাত শেষ করেন। অর্থাৎ সিজদার আয়াতটুকু পড়া হয় নাই। নামায শেষে সিজদার আয়াত ছুটে গেছে জানানো হলে তিনি ১৯ নং রাকাতে প্রথমে সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা দেন। অতপর ১৮ নং রাকাতের কিরাতের পর থেকে কিরাত পড়ে যথানিয়মে ১৯ ও ২০ নং রাকাত শেষ করেন।

এখন প্রশ্ন হল, ১৭ নং রাকাতে সিজদার আয়াত না পড়েই যেহেতু সিজদা দেওয়া হয়েছে তাই ঐ দুই রাকাত নামায সহীহ হয়েছে কি না? সহীহ না হলে আমাদের করণীয় কী?

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৩৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি দীর্ঘদিন যাবৎ চাকুরী তালাশ করছিলাম। কিন্তু কোথাও মনমত চাকুরী খুঁজে পাচ্ছিলাম না। একবার একটা ভাল চাকুরির ইন্টারভিউয়ে উত্তীর্ণ হই। কিন্তু চাকুরী হবে কি না তা নিয়ে অনেকটা অনিশ্চয়তায় ভুগছিলাম। তখন আমি এই বলে মান্নত করি যে, যদি আমার এই চাকুরিটা হয়ে যায় তাহলে আমি প্রতি জুমার দিন রোযা রাখবো। ঘটনাক্রমে আমার ঐ চাকুরিটা হয়ে যায়। তাই আমি প্রত্যেক জুমার দিন রোযা রেখে যাচ্ছি। কিন্তু বর্তমানে আমার সাংসারিক ঝামেলা অনেক বেড়ে গেছে। তাই মাঝেমধ্যে জুমআর দিনে রোযা রাখা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। হুযুরের নিকট আমার জানার বিষয় হলো, রোযা না রাখতে পারলে আমার করণীয় কী? যে দিনগুরোর রোযা ছুটেছে সেগুলোর জন্য কী করতে হবে? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ হবো।  

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০