আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৫১৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের গ্রামে ঈদগাহ সংলগ্ন সরকারি জায়গার উপর প্রায় ১৪-১৫ বছর আগে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয় এবং এতে দীর্ঘ ১৪-১৫ বছর যাবৎ জামাতের সাথে নামায পড়া হচ্ছে এবং জুমার নামাযসহ মসজিদ কেন্দ্রিক সব ধরনের কার্যক্রমও পরিচালিত হয়ে আসছে। কিন্তু ইদানিং একটি মহল (নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে) একথা প্রচার করছে যে, ঐ জায়গাটি যেহেতু সরকারি তাই এটা মসজিদ হিসাবে গণ্য হবে না এবং এতে ইতেকাফ ও অন্যান্য আহকাম (যা মসজিদে করা জরুরি) এতে সহীহ হবে না। কারণ হিসাবে তারা বলছে, মসজিদ হওয়ার জন্য তার জায়গা ওয়াকফ করা জরুরি। আর এ জায়গা ওয়াকফ করা হয়নি।

এখন মুফতী সাহেবের কাছে আমাদের জানার বিষয় হল, এ সকল লোকদের কথা কি ঠিক? এবং মসিজদ হওয়ার জন্য ওয়াকফ করা জরুরি কি না? সর্বোপরি আমাদের মসজিদটি ‘শরয়ী মসজিদ’ কি না? বরাতসহ জানালে উপকৃত হব। আল্লাহ তাআলা আপনাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৭৩২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মসজিদের বারান্দা কাকে বলে? মসজিদের অভ্যন্তরে মুসল্লিদের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ যদি অভ্যন্তর সংলগ্ন আরো কিছু জায়গা নামাযের জন্য বাড়িয়ে নেয় তবে কি তা মূল মসজিদ ধরা হবে, না বারান্দা ধরা হবে?

উল্লেখ্য, বর্ধিত অংশগুলো মূল মসজিদের ছাদের সাথে এমনভাবে লাগানো যে, মূল ও বর্ধিত অংশ আলাদা করা যায় না এবং ঐ বর্ধিত অংশগুলোতে মূল মসজিদের কাতারের সাথে মিলে নামায আদায় করা হচ্ছে। আর মসজিদ কর্তৃপক্ষ কী উদ্দেশ্যে বর্ধিত অংশ তৈরি করেছিল, তা জানা যায় না।

যদি ঐ বর্ধিত অংশ মূল মসজিদ বলে গণ্য হয় তবে মসজিদের আদব-ইহতেরামের সমস্ত বিধানাবলী ঐ বর্ধিত অংশের উপর বর্তাবে কি না?

প্রয়োজনীয় দলীল ও ব্যাখ্যাসহকারে উত্তর প্রদান করে বাধিত করবেন।

ভাষাগত কোনো ত্রুটির ফলে বেয়াদবি হলে অনুগ্রহ করে ক্ষমা করে দিবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৫৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

গত রমযানে তাবলীগের এক সফরে আমি ইন্ডিয়া ছিলাম। রোখের এক মসজিদে আমরা দেখলাম, একজন বৃদ্ধ হাফেজ হুইল চেয়ারে বসে তারাবীহ পড়াচ্ছেন। আর মুক্তাদীগণ সকলেই তার পিছনে দাঁড়িয়ে তারাবীহ পড়ছেন। এমন অবস্থার সম্মুখীন আমরা প্রথম হলাম। তাই কী করব-  এ নিয়ে আমরা বেশ সংশয়ে ছিলাম। এবং শেষ পর্যন্ত আমরাও এলাকার ভাইদের মতই তার পিছনে তারাবীহ আদায় করি।

এখন মুহতারামের কাছে আমি জানতে চাচ্ছি যে, এভাবে হুইল চেয়ারে বসে ইমামতি করা ও তার পিছনে ইক্তিদা করা কি জায়েয আছে? এবং আমাদের উক্ত দিনগুলির তারাবীহ কি সহীহ হয়েছে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৮৮২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

হযরত ওমর রা.-এর যুগে যখন তারাবীর ছোট ছোট জামাতগুলোকে এক ইমামের পিছনে বড় জামাতে রূপান্তরিত করা হয় তখন তারাবী বিশ রাকাত ছিল-এটিই প্রসিদ্ধ। আমরাও এতদিন এমনটিই জানতাম। কিন্তু আমার এক বন্ধু বলল,  এই বিষয়ে বিভিন্ন রকমের রেওয়ায়েত আছে। কিছু রেওয়ায়েতে তো বিশ রাকাতের কথাই আছে, যা হাসানপর্যায়ের। কিন্তু অন্য রেওয়ায়েতে আট রাকাত তারাবীহ ও তিন রাকাত বিতরসহ মোট এগার রাকাতের কথা আছে। আর এই রেওয়ায়েতটি হল সহীহএবং তা মুয়াত্তার রেওয়ায়েত। সে আরো বলল, যেহেতু সহীহ’-এর স্থান হাসান’-এর উপরে তাই আট রাকাত তারাবীহ পড়াই উচিত। আমার বন্ধুর কথা কি ঠিক? জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৩৩৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

যদি ইমাম সাহেব কেরাতে আটকে যায় এবং এখনো নামায হয়ে যায় এ পরিমাণ পূর্ণ হয়নি তাহলে কি তিনি সে স্থান ত্যাগ করে অন্য জায়গা থেকে পড়তে পারবে? হেদায়া কিতাবের এ ইবারত থেকে জায়েয হবে বুঝা যায়-

ينبغي للمقتدي أن لا يعجل بالفتح وللإمام أن لا يلجئهم إليه، بل يركع إذا جاء أوانه أو ينتقل إلى آية أخرى .

মূলত আমার উদ্দেশ্য হল আরেকটা। তা হল, কেউ যদি কেরাতে এমন কোনো অশুদ্ধ পড়ে, যার কারণে নামায ভেঙ্গে যায় সে কি অন্যস্থান থেকে নতুনভাবে কেরাত শুরু করতে পারবে বা যে স্থানে আটকে গেছে এরপর থেকে?   কথা মনে করে যে, যা পড়েছি এবং অশুদ্ধ পড়েছি সব বাদ। যেন এখনো কেরাতই পড়িনি; বরং কেরাত এখন থেকে শুরু।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০