আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৪৫৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার দাদু চিটাগাংয়ে আমার চাচার বাসায় থাকতেন। কয়েক দিন আগে তিনি চাচার বাসায় মারা যান। আমার চাচা সেখানে একবার জানাযার নামায পড়ান। এরপর তাকে মাটি দেওয়ার জন্য শরীয়তপুরে নিয়ে আসেন। এখানে এসে পুনরায় তার জানাযার নামায পড়া হয়। এতে আমাদের এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেব শরীক হওয়া থেকে বিরত থাকেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয়বার জানাযার নামায পড়া ঠিক না। আমার চাচা তাকে বললেন, সহীহ বুখারীতে আছে, সাহাবায়ে কেরাম এক মহিলার জানাযার নামায পড়ার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় ঐ মহিলার কবরের ওপর জানাযার নামায পড়েছেন। এখন মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাই, এ বিষয়ে শরীয়তের বিধান কী? দ্বিতীয়বার জানাযার নামায পড়া যাবে কি না? যদি না যায় তাহলে সহীহ বুখারীর এই হাদীসের ব্যাখ্যা কী? দলীলসহ বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১০০৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের খুলনা জেলার তাবলীগী মারকায মসজিদটি শহরের আবাসিক এলাকায় অবস্থিত। মসজিদের পূর্ব পাশে বড় মাঠ রয়েছে। সেখানে ঈদের নামায ও জানাযার নামায আদায় করা হয়। মারকায হওয়ার কারণে প্রতি বৃহস্পতিবার এবং বিশেষ মাশওয়ারার দিনগুলিতে বহু মানুষের জমায়েত হয়। এসব দিনে মাগরিব, এশা ও বাদ ফজর বয়ান ও তা‘লীমের আমল হয়ে থাকে। এ সময় জানাযা আসলে জানাযার নামায আদায়ের জন্য সবাই বাহিরে গেলে মারকাযী আমলে কিছুটা ইনতেশার পয়দা হয় এবং মজমা জমাতে বেশ সময় লেগে যায়।

এখন আমাদের জানার বিষয় হল উক্ত জরুরতের কারণে কেবল ঐ দিনগুলিতে আমরা জানাযার নামায মসজিদে আদায় করতে পারবো কি না?

উল্লেখ থাকে যে, মেহরাবের সাথে একটা দরওয়াজা আছে এবং পশ্চিম পাশে এতটুকু জায়গা আছে যে মাইয়েত ও ইমাম সাহেবসহ এক কাঁতার মুসল্লী দাঁড়াতে পারে।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০