আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১১৯৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

ক) মুকীম ও মুসাফির কাকে বলে?

খ) তাবলীগ জামাতের মারকায ঢাকা কাকরাইল মসজিদ থেকে ৬০, ৪০, ৩৫, ৩০, ২৫, ২০, ১০, , ৩ দিনের জন্য বিভিন্ন মহল্লা, গ্রাম, শহর, পৌরসভা, থানা বা জেলাভিত্তিক জামাত পাঠানো হয়ে থাকে। এ অবস্থায় তাবলীগ জামাতের ভাইদের নামাযের হুকুম কী হবে?

কিছু ভাই বলে থাকেন, তাবলীগ জামাতে বের হয়ে যেহেতু একই মসজিদে ১৫ দিনের বেশি অবস্থান করা হয় না তাই সদা সর্বদা মুসাফির থাকবে। তাদের এ কথা কতটুকু সঠিক?

এখানে আরো উল্লেখ্য যে, একই মসজিদ বা একই মহল্লা, গ্রাম, ইউনিয়ন, থানা বা জেলার ভিতর ১৫ দিনের বেশি থাকলে নামাযের হুকুম কী হবে?

আর বর্তমানে মহল্লা, গ্রাম, ইউনিয়ন, থানা, পৌরসভা, শহর ও জেলার ঐ সীমানা কতটুকু, যার ভেতর থাকলে মুসাফির বা মুকীম বলে গণ্য হবে?


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
২৫০৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

আমাদের ফ্যাক্টরির ভেতরই কর্মচারীদের থাকার ব্যবস্থা আছে। মুরগীর জন্য মহাক্ষতিকর ভাইরাসজনিত সমস্যার কারণে কর্মচারীদের বাইরে যাওয়া নিষেধ থাকে। ফলে সকলেই পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফ্যাক্টরির ওয়াক্তিয়া নামায ঘরেই আদায় করে থাকে। একই সমস্যার কারণে তাদেরকে জুমআর জন্যও বাইরের মসজিদে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। এখন তাদের জন্য ফ্যাক্টরির ওয়াক্তিয়া নামায ঘরে জুমআ পড়া জায়েয হবে কি না? না কি যোহর পড়তে হবে। নামায ঘরটি ওয়াকফিয়া মসজিদ নয়। অনেকের ধারণা, জুমআ আদায়ের জন্য জামে মসজিদে যেতে হবে। শুধু মসজিদ হলেও চলবে না। এটা ঠিক কি না?


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
২১৯১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

কিছুদিন পূর্বে একটি মাসিক পত্রিকায় একটি হাদীস পড়েছিলাম যে, এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করল ইয়া রাসূলাল্লাহ! দুনিয়া আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং আমার নিকট আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি ফেরেশতাদের দরুদ এবং মানবজাতির এই তাসবীহ দ্বারা কেন কল্যাণ অর্জন কর না, যার মাধ্যমে মানুষকে রিযিক প্রদান করা হয়? লোকটি নিবেদন করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কি? তিনি এরশাদ করেন, ‘‘তুমি সুবহে সাদিক হতে ফজরের নামায আদায় করা পর্যন্ত একশত বার

سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم

পাঠ করিও। দেখবে দুনিয়া তোমার পায়ে লুটিয়ে পড়বে। এর  প্রত্যেকটি শব্দ দ্বারা আল্লাহ তাআলা একজন করে ফেরেশতা সৃষ্টি করবেন, যে কিয়ামত পর্যন্ত তার তসবীহ পাঠ করতে থাকবে এবং তুমি এর সওয়াব পেতে থাকবে।

আমার জানার বিষয় হল, এই হাদীসটি কোন কিতাবে আছে এবং তা আমল যোগ্য কি না জানিয়ে বাধিত করবেন।


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৮ আগস্ট, ২০২১
৩০৭৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকার মসজিদে কয়েকদিন আগে একটি মাহফিল হয়েছিল। আসর বাদ মোয়াযযিন সাহেব ঘোষণা দিলেন, আজ ইশার জামাত রাত সাড়ে আটটায় পড়া হবে। রাত আটটা বিশ মিনিটে জনৈক ওয়ায়েজ বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যমানায় ঘড়ি ছিল না। দায়েমী মুসল্লীগণ যখন হাজির হয়ে যেতেন তখন ইকামত দেওয়া হত। আজ এই মাহফিল উপলক্ষে এ সুন্নতকে যিন্দা করার জন্য আমরা এখন জামাত শুরু করে দিব। যেহেতু মসজিদ পূর্ণ হয়ে গেছে তাই ৮ টা ২০ মিনিটে ইকামত হয়ে গেল। মসজিদের দোতলা, তিন তলা তখনও খালি ছিল। জামাত ৮টা ৩০ মিনিটে হবে এ ঘোষণার কারণে যারা নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হয়েছে তারা অনেকে জামাত পায়নি। অনেকে মাসবুক হয়েছে। এখন জানতে চাই, দশ মিনিট আগে ইকামত দেওয়ায় সুন্নতে নববী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিন্দা হল, নাকি ৮ টা ৩০ মিনিটে জামাত শুরু হওয়া উচিত ছিল? যদি ঘড়ির সময় অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় জামাত শুরু করা বেদআত হয়ে থাকে তাহলে প্রত্যেক মসজিদে নামাযের সময়সুচি ঝুলিয়ে রেখে ঘড়ির সময় হিসাবে জামাত শুরু করা কি উচিত হচ্ছে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০