আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি কিছুদিন আগে একটি ঘড়ি ক্রয় করি। কেনার পর ত্রুটি ধরা পড়লে আমি ঘড়িটি ফেরত দিতে যাই। তখন বিক্রেতা বলেন- আমি আপনাকে কিছু টাকা ফেরত দিচ্ছি, আপনি ঘড়িটি রেখে দিন। আমি কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়িটি রেখে দিই। পরে ইমাম সাহেবকে বিষয়টি বললে তিনি বলেন- ত্রুটির কারণে কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়িটি রেখে দেওয়া বৈধ হয়নি। আপনি ঘড়ি রাখতে চাইলে বিক্রেতা থেকে কোনো টাকা ফেরত নিতে পারবেন না। অন্যথায় ঘড়িটিই ফেরত দিতে হবে। হুযুরের কাছে জানার বিষয় হল, কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়ি রেখে দেওয়া বৈধ হয়েছে কি না? আর ইমাম সাহেবের কথা ঠিক কি না? মাসআলাটির সমাধান জানালে খুবই উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৪৪০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার দাদা তার জীবদ্দশায় আমাদের বাড়ি সংলগ্ন একটি জমি মসজিদের নামে ওয়াকফ করে যান। এতদিন তা মসজিদের বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ইদানীং আমরা বাড়িতে একটি বিল্ডিং করার উদ্যোগ নিয়েছি। যাতে ঐ জমিটির একাংশের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাই আমরা চাচ্ছি, সমমূল্যের আরেকটি জমি দিয়ে উক্ত জমিটি পরিবর্তন করতে। মসজিদের মুতাওয়াল্লীসহ কমিটির বেশিরভাগ লোক এতে রাজি আছেন। তবে ইমাম সাহেবসহ কমিটির কিছু সদস্য তাতে আপত্তি জানিয়েছেন। জানার বিষয় হল, বিশেষ প্রয়োজনবশত ওয়াকফকারীর উত্তরসূরী হিসাবে আমাদের জন্য মসজিদের জমি পরিবর্তন করার অবকাশ আছে কি না? যদি কমিটির সকল সদস্য সম্মতি দেয় তাহলে কি পরিবর্তন করা যাবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৪৩২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের টুপির একটি গার্মেন্ট আছে, আর আল্লাহর রহমতে সেখানে চার ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একজন নির্দিষ্ট ইমামও আছেন। ইমামের অনুপস্থিতে আমিও নামায পড়াই। ঘটনাক্রমে একদিন উভয়ে অনুপস্থিত ছিলাম তখন আমার ফুফাতো ভাই ইমামতি করে, আর ও হল একজন মক্তবের ছাত্র, এখনো বালেগ হয়নি। আর উপস্থিত সকলেই নামায সম্পর্কে এতটাই অজ্ঞ যে, তারা কেউই ইমামতির দায়িত্ব পালনে সম্মত হচ্ছিল না, বিধায় অপারগ হয়ে আমার ফুফাতো ভাই নামায পড়ায়। এখন নামায কি সহীহ হয়েছে? কাযা করা লাগবে কি লাগবে না? জানতে পারলে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
২৪৬৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

বাদ সালাম আরয এই যে, আমি বিগত জানুয়ারি মাসের মাসিক আলকাউসারের প্রশ্নোত্তর বিভাগে ২৩৮৬ নং প্রশ্নের উত্তরে দেখতে পেলাম যে, সেখানে পাঁচ দিনের জন্যও বাইয়ে সালাম সহীহ বলা হয়েছে। উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে বাদায়েউস সানায়ে ও খুলাসাতুল ফাতাওয়ার। সেখানে এ ব্যাপারে শুধু ইমাম কারখী রাহ.-এর মত উল্লেখ আছে। কিন্তু উভয় কিতাবেই এরপরে এর সর্বনিম্ন মেয়াদ এক মাস উল্লেখ করা হয়েছে এবং সে মতটিকে তাসহীহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ফিকহের আরো অনেক কিতাবে (যেমন আদ্দুররুল মুখতার, ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ফাতহুল কাদীর ইত্যাদি) দেখলাম, এক মাসের মতটিকেই তাসহীহ করা হয়েছে।

সুতরাং ফতওয়া কোন মতের উপর-সেটি জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।

আর প্রশ্নে  শুধু কয়েকটি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ বাইয়ে সালাম সহীহ হওয়ার জন্য আরো কিছু শর্ত আছে। অতএব কোন সূত্রে বলা হল যে, উক্ত নিয়মে অগ্রিম বেচা-কেনা বৈধ হবে? আর তা বাইয়ে সালামের অন্তর্ভুক্ত হবে?


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
২৭৪০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের জানামতে কেউ যদি বিগত জীবনে দীর্ঘকাল বেনামাযী থাকার পর আল্লাহর ইচ্ছায় সুমতি হয়ে নামায শুরু করে তবে নিয়মিত নামাযের পাশাপাশি জীবনের উমরী কাযা আদায় করতে হবে। কিন্তু আলিফ পাবলিকেশন্স (২/৩ প্যারিদাস রোড, বাংলাবাজার) থেকে প্রকাশিত সালাতে রাসূল শীর্ষক গ্রন্থে এ প্রসঙ্গে লেখা হয়েছে-কাযায়ে উমরী ভিত্তিহীন। তাওবা করলে আল্লাহ তাআলা বিগত জীবনের সব গুনাহ মাফ করে দেন। উমরী কাযায় সময় ব্যয় না করে নফল ও তাহাজ্জুদ বেশি বেশি করে পড়া উচিত। কারণ সহীহ হাদীসে আছে, কারো ফরয নামায কম পড়ে গেলে নফল দ্বারা তা পূরণ করা হবে।-আবু দাউদ

সুতরাং মুফতী সাহেবের নিকট এ বিষয়ে শরীয়তের সুস্পষ্ট বিধান জানতে চাই।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর | মুসলিম বাংলা