আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৮৩৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মুহতারাম! একটি বিষয়ে আমাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। তা হল, ১০/১২ বছর আগে আমার এক আত্মীয়ার তালাক হয়েছিল। তখন তার একটি দুধের বাচ্চা ছিল। তালাক হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবে অন্যত্র তার বিবাহ হয়। যে লোকটির সাথে তার বিবাহ হয়, তার অন্য স্ত্রীর ঘরে একটি ছেলে আছে। তখন ছেলেটির বয়স ৪ বছর ছিল। আর দ্বিতীয় স্বামীর সাথে সংসার করার সময়ও আমার আত্মীয়া তার প্রথম সংসারের সেই দুধের শিশুটিকে দুধ পান করিয়েছে। এই শিশুটি মেয়ে শিশু। এখন সে বড় হয়েছে। এখন পারিবারিকভাবে এই মেয়েটির সাথে আমার আত্মীয়ার দ্বিতীয় স্বামীর ছেলের বিবাহ দেওয়ার কথাবার্তা চলছে। কিন্তু কেউ কেউ বলছে, এই বিবাহ বৈধ হবে না। কারণ, তারা দু’জন তো দুধ ভাই-বোন। কেননা, দ্বিতীয় স্বামীর সাথে সংসার করার সময়ও তো আমার আত্মীয়া তার মেয়েকে দুধ পান করিয়েছে। এভাবে দ্বিতীয় স্বামী তো মেয়েটির দুধ সম্পর্কীয় বাবা হয়। আর ছেলেটি হয় মেয়েটির দুধ ভাই। এখন হুযুরের নিকট আমরা জানতে চাচ্ছি যে, তারা দু’জন কি দুধ ভাই বোন? এবং তাদের মধ্যে কি বিবাহ অবৈধ? আশা করি, সঠিক মাসআলা জানিয়ে আমাদেরকে বাধিত করবেন।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৬৬১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার প্রতিবেশী মুহাম্মাদ আলমগীর হোসেন। ছোট বেলায় ৮ মাস বয়সে তার মা হৃদরোগে মারা যান। এরপর তার দাদী তাকে দুধ পান করায় এবং তিনিই তাকে লালন পালন করেন। এমনকি ছোট বেলায় তার দাদীকেই সে মা ডাকত। পরে অবশ্য বড় হয়ে বুঝার পর আর ডাকেনি। কিছুদিন আগে তার এক চাচাতো বোনের সাথে তার বিবাহ ঠিক হয়। কিন্তু স্থানীয় এক আলেম এ ঘটনা জানার পর বললেন যে, সে যদি তার দাদীর দুধ পান করে থাকে তাহলে সে তার চাচাতো বোনকে বিবাহ করতে পারবে না।

এখন সেই আলেমের কথা শোনার পর তার পরিবার বলছে যে, চাচাতো বোনকে আবার বিবাহ করা যাবে না কেন? এদিকে তার চাচারাও একই কথা বলছে।

তাই হুযূরের কাছে জানতে চাচ্ছি, উক্ত আলেমের কথা কি ঠিক? সে কি তার চাচাতো বোনকে বিবাহ করতে পারবে না? দয়া করে দ্রুত জানালে ভালো হয়।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৬১৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন আগের ঘটনা। আমাদের কলেজের সহপাঠি দু’জন ছেলে-মেয়ে তাদের পরিবারের অগোচরে ঢাকার এক কাজী অফিসে গিয়ে উভয়ে সম্মতিক্রমে নিকাহনামায় স্বাক্ষর করেছে। সেখানে ছেলের ভগ্নিপতি এবং আরো দু’জন বন্ধুও উপস্থিত ছিল। তারাও সাক্ষী হিসাবে স্বাক্ষর করে। তবে ছেলে-মেয়ে দু’জনের কেউই মুখে ইজাব-কবুল করেনি। ফলে তার এক বন্ধুর নিকট বিষয়টা খটকা লাগে। কেননা সাধারণত আমরা যেসব বিবাহের আকদ দেখে থাকি এতে বর-কণে উভয়েই মৌখিকভাবে ইজাব-কবুল করে। তারপর নিকাহনামায় স্বাক্ষর করে।

তাই হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, উপরোল্লেখিত অবস্থায় তাদের বিবাহ কি শরীয়ত মোতাবেক সহীহ হয়েছে? দ্রæত জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৬৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক বন্ধুর বোনকে তার স্বামী একটি বায়েন তালাক দেয়। তালাক দেয়ার কিছুদিন পর তারা উভয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে সম্মত হন। ১৭ দিন পরে আমার বন্ধুর বাবা ঘরোয়াভাবে তাদের বিবাহের আয়োজন করেন। আমাদের গ্রামের ইমাম সাহেবকে ডেকে বিবাহ পড়িয়ে দেন। বিবাহের মজলিসে ইমাম সাহেব আমার বন্ধুর বাবা এবং তার সেই বোন ও বোনজামাই উপস্থিত ছিলেন। ইমাম সাহেব খুতবা দিয়েছেন আর তার বাবা বিবাহ পড়িয়েছেন। এখন আমাদের নিকট দুটি বিষয়ে খটকা লাগছে-

ক. তার বাবা এবং ইমাম সাহেব সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট হবেন কি না?

খ. ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে তাদের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ঠিক হয়েছে কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৪২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

গত শনিবার ধানমণ্ডি তাকওয়া মসজিদে আমার বড় ভাগ্নির বিবাহের আকদ হয়। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আমার ভগ্নিপতি আমার ভাগ্নি থেকে ইযিন নিয়ে যান। এ সময় সেখানে শুধু আমার বোন ছিলেন। আকদের পূর্বে ছেলে পক্ষের কয়েকজন মুরব্বী বলে উঠলেন, বিবাহ সংঘটিত হওয়ার জন্য ইযিন নেয়ার সময়ও সাক্ষীদের উপস্থিত থাকা জরুরি। এরপর ইমাম সাহেব তাদেরকে কি যেন বলেন। তাতে তারা শান্ত হন। এরপর বিবাহ হয়। এছাড়াও এটা জরুরি কি না এ নিয়ে আরো কিছু বিবাহে জটিলতা সৃষ্টি হতে দেখেছি। এখন জানতে চাচ্ছি বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য  ‘ইযিন’ নেয়ার সময়  সাক্ষীদের উপস্থিতি জরুরি কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৩৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের গ্রামে একজন দরিদ্র বিধবা মহিলা থাকে। তার এক মেয়ে এক ছেলে। দুপুরে মেয়েটির বিবাহের আকদ সম্পন্ন হয়। কিন্তু সন্ধ্যায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইন্তিকাল করে। যেহেতু মেয়েটির সাথে লোকটির ঘর-সংসার হয়নি তাই কিছু দিন পর মৃত মেয়ের স্বামীর সঙ্গে বিধবা মহিলাটি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। আমাদের এলাকায় বিষয়টিকে সবাই বেশ খারাপ মনে করলেও কেউ কেউ তা শিথিলতার দৃষ্টিতে দেখছেন। এলাকায় এ নিয়ে বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাই মুফতী সাহেবের কাছে আমাদের আবেদন হল, এক্ষেত্রে শরীয়তের সঠিক মাসআলাটি জানিয়ে সবাইকে পেরেশানি মুক্ত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
১৪১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার বড় ভাই কুয়েতে থাকেন। আমার বড় ভগ্নিপতির ভাগ্নির সাথে তার বিবাহ ঠিক হয়। তিনি আমার ভগ্নিপতিকে ওকীল বানিয়ে দেন, যেন তিনি তার বিবাহটা পড়িয়ে দেন। ৫ লক্ষ টাকা দেন মহরের কথা হয়। কিন্তু বিবাহের মজলিসে মেয়ে পক্ষের জোরাজোরিতে আমার ভগ্নিপতি আরো দেড় লক্ষ টাকা বাড়িয়ে দেন। এক্ষেত্রে তিনি আমার ভাইয় থেকে পুনরায় অনুমতি নেননি এবং আমার বাবা সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তাকেও কিছু জিজ্ঞেস করেননি। কারণ তিনি জানতেন, আমার বাবা মহর বাড়িয়ে দিতে রাযি হবেন না। আমার ভাই এখনো কুয়েত থেকে আসেননি। আরো দুই মাস পরে আসার কথা। এখন আমার জানার বিষয় হচ্ছে, আমার বড় ভাইয়ের অনুমতি ছাড়া মহর বৃদ্ধি করার কারণে তাদের বিবাহ কি শুদ্ধ হয়েছে? যদি হয় তাহলে অতিরিক্ত ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করা কার উপর জরুরি? আমার ভাইয়ের উপর নাকি আমার ভগ্নিপতির উপর?

উল্লেখ্য, ঐ মেয়ের মহরে মিসিল বর্তমান বাজারে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মতো।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০