মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ২০৮
নামাযের অধ্যায়
(২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২০৮) আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে এক সফরে ছিলেন। রাতের বেলা সফর করার কারণে তারা অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়লেন। তিনি বলেন, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, আমরা কোথাও যাত্রা বিরত দিলে (ভাল হত)। তখন একটা গাছের কাছে গিয়ে যাত্রা-বিরতি করলেন। তারপর বললেন, দেখ কাউকে দেখা যাচ্ছে কি? আমি বললাম, এইতো একজন আরোহী, ঐ যে দুইজন আরোহী এমনি করে সাতজন পর্যন্ত পৌঁছল, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা আমাদের নামায যথাসময়ে পড়ার ব্যবস্থা করবে। অতপর আমরা ঘুমিয়ে পড়লাম। আমাদেরকে রোদ্র তাপই ঘুম থেকে জাগ্রত করল, আমরা সকলেই সজাগ হলাম, তখন রাসূল (ﷺ) আরোহণ করলেন এবং যাত্রা আরম্ভ করলেন তিনি ও আমরা চললাম অল্প কিছুক্ষণ, এরপর রাসূল (ﷺ) নামলেন। তারপর বললেন তোমাদের সাথে পানি আছে কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। আমার সাথে একটা মশ্ক আছে, তাতে কিছু পানি আছে। তিনি বললেন, সেটা নিয়ে আস। তারপর বললেন, তা থেকে তোমরা পানি নাও পানি নাও, তখন সকলেই ওযু করলেন। আর এক পাত্রে পানি বাকি রইল। তারপর বললেন, হে আবু কাতাদা এটা সংরক্ষণ কর, অচিরেই এটার বড় প্রয়োজন হবে। তারপর বিলাল (রা) আযান দিলেন আর সকলেই ফজরের দু'রাক'আত সুন্নাত আদায় করলেন। তারপর ফজরের নামায পড়লেন। তারপর নবী (ﷺ) আরোহণ করলেন, আমরাও আরোহণ করলাম, তখন আমাদের একজন অপরজনকে বলতে আরম্ভ করলেন, আমরা আমাদের নামাযে অবহেলা করেছি। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা কি বলাবলি করছো? যদি ব্যাপারটি তোমাদের কোন দুনিয়াবী ব্যাপার হয় তাহলে তা তোমাদের বিষয়। আর যদি তোমাদের দীনি ব্যাপার হয় তাহলে আমাকে খুলে বল। তখন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। আমরা আমাদের নামাযে কসুর করে ফেলেছি। তখন তিনি বললেন, ঘুমে কোন অবহেলা বা কসুর নেই। কসুর হলো জাগ্রতাবস্থায়। যদি এরূপ হয় তাহলে (সাথে সাথে) নামায পড়ে নিবে, আর পরের দিন যথাসময়ে নামায পড়বে।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ও নাসাঈ এবং ইবন মাজাহ।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ও নাসাঈ এবং ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(208) عن أبى قتادة رضى الله عنه أنَّه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفرٍ وقد أدركهم من التَّعب ما أدركهم من السَّير في اللَّيل: قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أو عرَّسنا، فمال إلى شجرةٍ فنزل، فقال أنظر هل ترى أحدًا؟ قلت هذا راكب هذان راكبان حتَّى بلغ سبعةً، فقال احفظوا علينا صلاتنا (4) فنمنا فما أيقظنا إلا حر الشَّمس فانتبهنا فركب رسول الله صلى الله عليه وسلم فسار وسرنا هنيئةً ثمَّ نزل فقال أمعكم ماءٌ؟ قال قلت نعم، معى ميضأةٌ فيها شيءٌ من ماءٍ، قال أئت بها فقال مسُّوا منها مسُّوا منها، فتوضَّأ القوم وبقيت جرعةٌ فقال ازدهر بها يا أبا قتادة فإنَّه سيكون لها نبأ، ثمَّ أذَّن بلالٌ وصلَّوا الركعتين قبل الفجر، ثمَّ صلَّوا الفجر، ثمَّ ركب وركبنا، فقال بعضهم لبعضٍ
فرَّطنا في صلاتنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما تقولون؟ إن كان أمر دنياكم فشأنكم، وإن كان أمر دينكم فإلىَّ، قلنا يا رسول الله فرَّطنا في صلاتنا، فقال لا تفريط في النَّوم. إنَّما التَّفريط في اليقظة، فإذا كان ذلك فصلُّوها ومن الغد وقتها
فرَّطنا في صلاتنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما تقولون؟ إن كان أمر دنياكم فشأنكم، وإن كان أمر دينكم فإلىَّ، قلنا يا رسول الله فرَّطنا في صلاتنا، فقال لا تفريط في النَّوم. إنَّما التَّفريط في اليقظة، فإذا كان ذلك فصلُّوها ومن الغد وقتها