মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ২০৭
নামাযের অধ্যায়
(২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২০৭) ইমরান ইবন্ হুসাইন (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন আমরা রাত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে পথ চলছিলাম যখন রাত প্রায় শেষ হল তখন আমরা বিশ্রামের জন্য যাত্রা বিরতি দিলাম, অতঃপর আমরা কেউ জাগ্রত হলাম না যতক্ষণ না সূর্যের তাপ আমাদের জাগ্রত করল। তখন আমাদের কেউ কেউ তাড়াহুড়া করে পবিত্র (ওযু করতে) হতে গেলো। তিনি বলেন, তখন নবী (ﷺ) তাঁদের শান্ত হতে আদেশ করলেন, তারপর আমরা আবার যাত্রা আরম্ভ করলাম, যখন সূর্য উপরে উঠল তখন তিনি ওযু করলেন। তারপর বেলালকে আযান দিতে বললেন, তিনি আযান দিলেন। তারপর ফজরের পূর্বের (সুন্নাত) নামায দু'রাকা'আত পড়লেন তারপর নামাযের জন্য একামত দেয়া হল তখন আমরা সকলেই নামায পড়লাম। তারপর সাহাবী (রা) জিজ্ঞাসা করলেন, আমরা কি এ নামায আগামীকাল যথা সময়ে পুনরায় পড়বো না? তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে সুদ খেতে নিষেধ করবেন, আবার তা তোমাদের থেকে কবুল করবেন তা কি হতে পারে?
(বুখারী, মুসলিম, বায়হাকী ইবন্ হিব্বান, শাফেয়ী, দারাকুতনী ও হাকিম। তিনি হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(207) عن عمران بن حصينٍ رضى الله عنه قال سرينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمَّا كان من آخر اللَّيل عرَّسنا فلم نستيقظ حتَّى أيقظنا حرُّ الشَّمس
فجعل الرَّجل منَّا يقوم دهشاً إلى طهوره، قال فأمرهم النَّبي صلى الله عليه وسلم أن يسكنوا ثمَّ ارتحلنا فسرنا حتَّى إذا ارتفعت الشَّمس توضَّأ، ثم أمر بلالًا فأذَّن، ثم صلَّى الرَّكعتين قبل الفجر، ثمَّ أقام الصَّلاة فصلَّينا، فقالوا يا رسول الله ألا نعيدها في وقتها من الغد؟ فقال أينهاكم ربكم تبارك وتعالى عن الرِّبا ويقبله منكم؟
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান