মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১৭৯
নামাযের অধ্যায়
যে সব সময় নামায পড়া নিষিদ্ধ সে প্রসঙ্গে

(১) পরিচ্ছেদ: নিষিদ্ধ ওয়াক্তসমূহ
(১৭৯) কা'ব ইবন্ মুররা আল্ বাহযী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! রাতের কোন সময়ের দু'আ ও নামায আল্লাহ বেশী শুনেন ও কবুল করেন? তিনি বললেন, মধ্য রাতের পর। তারপর বলেন, অতঃপর ফজরের নামায না পড়া পর্যন্ত নামায কবুল হয়। তারপর আর নামায পড়া যায় না সূর্য এক বর্শা বা দু'বর্শা সমপরিমাণ না হওয়া পর্যন্ত। অতঃপর নামায আবার কবুল হয় ছায়া বর্শার মত দাঁড়িয়ে যাওয়া পর্যন্ত, অতঃপর সূর্য ঢলে না পড়া পর্যন্ত নামায পড়া যায় না। অতঃপর নামায সূর্য পশ্চিম আকাশে এক বা দুই বর্শা পরিমাণ আবার কবুল হয়, অতঃপর আবার নামায পড়া যায় না সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত। তিনি আরও বলেন, তুমি যখন মুখমণ্ডল ধোও তখন তোমার মুখ থেকে তোমার গুনাহগুলো বের হয়ে যায়। আর যখন তোমার দু'হাত ধোও তখন তোমার দু'হাত থেকে তোমার গুনাহ বের হয়ে যায়, আর যখন তোমার পা দু'টি ধোও তখন তোমার দু' পা হতে তোমার গুনাহগুলো বের হয়ে যায়।
(তবারানী। এ হাদীসের সনদে একজন অপরিচিত রাবী আছেন। তবে পূর্বের হাদীসগুলো এ বক্তব্য সমর্থন করে।)
كتاب الصلاة
أبواب الأوقات المنهى عن الصلاة فيها

(1) باب جامع أوقات النهي
(179) عن كعب ابن مرَّة البهزيِّ رضى الله عنه قال قلت يا رسول الله أيُّ الليل أسمع؟ قال جوف الليل الآخر، ثم قال ثم الصلاة مقبولة حتى يصلي الفجر، ثم لا صلاة حتى تكون الشمس قيد رمحٍ أو رمحين، ثم الصلاة مقبولة حتى يقوم الظِّل قيام الرمح، ثم لا صلاة حتى تزول الشمس، ثم الصلاة مقبولة حتى تكون الشمس قيد رمح أو رمحين، ثم لا صلاة حتى تغرب الشمس، قال وإذا غسلت وجهك خرجت خطاياك من وجهك، وإذا غسلت يديك خرجت خطاياك من يديك، وإذا غسلت رجليك خرجت خطاياك من رجليك.
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান