মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১৭৮
নামাযের অধ্যায়
যে সব সময় নামায পড়া নিষিদ্ধ সে প্রসঙ্গে

(১) পরিচ্ছেদ: নিষিদ্ধ ওয়াক্তসমূহ
(১৭৮) আমর ইবন্ আবাসা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আপনাকে যা জানিয়েছেন তার থেকে আমাকে কিছু জানান। রাসূল (ﷺ) বলেন, ফজরের নামায শেষ করে সূর্য না উঠা পর্যন্ত নামায থেকে বিরত থাকবে। আর যখন সূর্য উঠবে তখন নামায পড়বে না, সূর্য উপরে না উঠা পর্যন্ত। কারণ সূর্য যখন উঠে তখন তা শয়তানের দু'শিং-এর মধ্যেই উঠে আর তখনই কাফিররা তাকে সিজদা করে। যখন সূর্য এক বর্শা সমপরিমাণ উঠে বা দু'বর্শা সমপরিমাণ উপরে উঠে যাবে তখন নামায পড়বে। কারণ নামাযের সময় (ফেরেস্তারা) উপস্থিত থেকে দেখতে থাকেন। তাদের এ অবস্থা অব্যাহত থাকে ছায়া আলাদা না হওয়া পর্যন্ত। (অর্থাৎ মধ্য আকাশে সূর্য থাকাবস্থায়।) অতঃপর নামায পড়া থেকে বিরত থাকবে। কারণ সে সময় জাহান্নামকে প্রজ্জ্বলিত করা হয়। আর যখন ছায়া পশ্চিম থেকে পূর্বের দিকে ঝুঁকে পড়ে তখন নামায পড়তে পার। কারণ, নামাযের সময় (ফেরেশতারা) উপস্থিত থেকে দেখতে থাকেন। এ অবস্থা চলতে থাকে আসরের নামায না পড়া পর্যন্ত। যখন আসর-এর নামায পড়ে নিবে তখন (অন্য) নামায থেকে বিরত থাকবে, সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত। কারণ তা শয়তানের দু'শিং-এর মধ্যেই অস্ত যায়। আর তখনই কাফিররা তাকে সিজদা করে।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী, ও ইবন্ মাজাহ্।)
كتاب الصلاة
أبواب الأوقات المنهى عن الصلاة فيها

(1) باب جامع أوقات النهي
(178) عن عمرو بن عبسة رضى الله عنه قال قلت يا رسول الله علِّمني مما علمك الله عز وجلَّ، قال إذا صليت الصبح فاقصر عن الصلاة حتى تطلع الشمس، فإذا طلعت فلا تصلِّ حتى ترتفع، فإنها تطلع حين تطلع بين قرني شيطان وحينئذ يسجد لها الكفَّار، فإذا ارتفعت قيد رمحٍ أو رمحين فصلِّ فإن الصلاة مشهودة محضورة حتى يعنى يستقلَّ الرمح بالمظلِّ ثم أقصر عن الصلاة فإنها حينئذ تسجر جهنَّم فإذا فاء الفيء
فصل فإن الصلاة مشهودة محضورةٌ حتى تصلى العصر فإذا صليت العصر فاقصر عن الصلاة حتى تغرب الشمس فإنها تغرب بين قرني شيطان فحينئذ يسجد لها الكفَّار.
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান