মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৬. পবিত্রতা অর্জন
হাদীস নং: ১২৬
পবিত্রতা অর্জন
(৬) পরিচ্ছেদ: গৃহের মধ্যে কিবলাহকে সামনে বা পিছনে রেখে মলমূত্র ত্যাগ জায়িয হওয়া প্রসঙ্গে
(১২৬) আবু কাতাদাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কিবলাহ-এর দিকে মুখ করে পেশাব করতে দেখেছেন।
ইবন মাজাহ। হাদীসটির সনদ দুর্বল।
টীকাঃ প্রথম অনুচ্ছেদের হাদীসগুলো থেকে জানা যায় যে, মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলাহর দিকে মুখ করার বা পিছন ফেরা উভয়ই নিষিদ্ধ। অপরদিকে পরবর্তী হাদীসগুলো থেকে বিষয়টি বৈধ বলে জানা যায়। উভয় অর্থের হাদীসগুলোর মধ্যে সমন্বয় প্রদানের ক্ষেত্রে ফকীহগণের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। ইমাম মালিক, ইমাম শাফিয়ী ও অন্যান্য অনেক ফকীহ্ বলেন, নিষেধ জ্ঞাপক হাদীসগুলোর অর্থ হলো, ফাঁকা মাঠে, মরুভূমিতে বা খোলা প্রান্তরে মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলামুখি হওয়া বা কিবলাকে পিছনে রাখা নিষিদ্ধ। অপরদিকে অনুমতি জ্ঞাপক হাদীসগুলোর ওপর ভিত্তি করে তাঁরা বলেন যে, গৃহ বা শৌচাগারের মধ্যে মলমূত্র ত্যাগ করার ক্ষেত্রে কিবলামুখী হওয়া বৈধ।
ইমাম আবু হানীফা, ইমাম আহমদ (রা) ও অন্যান্য অনেক ফকীহ নিষেধাজ্ঞাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। তাঁদের মতে, প্রান্তরে বা গৃহাভ্যন্তরে সকল ক্ষেত্রেই মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলাহ সামনে রাখা বা পিছনে রাখা নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা জ্ঞাপক হাদীসগুলোর সুস্পষ্ট অর্থ কিবলাহকে সম্মান করা। এক্ষেত্রে প্রান্তর বা ঘরের মধ্যে পার্থক্য নেই। বৈধতা জ্ঞাপক হাদীসগুলোর তাঁরা বিভিন্ন ব্যাখ্যা করেন। তাঁদের মতে, এ সকল হাদীস সবই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কর্ম ভিত্তিক। এ বিষয়ক নিষেধাজ্ঞা যেমন সুষ্পষ্ট, অনুমতি তেমন সুস্পষ্ট নয়। শুধুমাত্র জানা যায় যে, তিনি নিজে কখনো কখনো এ সময়ে কিবলাহকে পিছনে বা সামনে রেখেছেন। তাঁর নিজের কর্ম বিশেষ অনুমতির কারণে হতে পারে। এ জন্য সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার বিপরীতে এগুলোর উপর নির্ভর করার চেয়ে প্রান্তর ও গৃহাভ্যন্তর সকল স্থানে মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলাহকে সামনে বা পেছনে রাখা পরিত্যাগ করাই উত্তম ও সাবধানতামূলক।
ইবন মাজাহ। হাদীসটির সনদ দুর্বল।
টীকাঃ প্রথম অনুচ্ছেদের হাদীসগুলো থেকে জানা যায় যে, মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলাহর দিকে মুখ করার বা পিছন ফেরা উভয়ই নিষিদ্ধ। অপরদিকে পরবর্তী হাদীসগুলো থেকে বিষয়টি বৈধ বলে জানা যায়। উভয় অর্থের হাদীসগুলোর মধ্যে সমন্বয় প্রদানের ক্ষেত্রে ফকীহগণের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। ইমাম মালিক, ইমাম শাফিয়ী ও অন্যান্য অনেক ফকীহ্ বলেন, নিষেধ জ্ঞাপক হাদীসগুলোর অর্থ হলো, ফাঁকা মাঠে, মরুভূমিতে বা খোলা প্রান্তরে মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলামুখি হওয়া বা কিবলাকে পিছনে রাখা নিষিদ্ধ। অপরদিকে অনুমতি জ্ঞাপক হাদীসগুলোর ওপর ভিত্তি করে তাঁরা বলেন যে, গৃহ বা শৌচাগারের মধ্যে মলমূত্র ত্যাগ করার ক্ষেত্রে কিবলামুখী হওয়া বৈধ।
ইমাম আবু হানীফা, ইমাম আহমদ (রা) ও অন্যান্য অনেক ফকীহ নিষেধাজ্ঞাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। তাঁদের মতে, প্রান্তরে বা গৃহাভ্যন্তরে সকল ক্ষেত্রেই মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলাহ সামনে রাখা বা পিছনে রাখা নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা জ্ঞাপক হাদীসগুলোর সুস্পষ্ট অর্থ কিবলাহকে সম্মান করা। এক্ষেত্রে প্রান্তর বা ঘরের মধ্যে পার্থক্য নেই। বৈধতা জ্ঞাপক হাদীসগুলোর তাঁরা বিভিন্ন ব্যাখ্যা করেন। তাঁদের মতে, এ সকল হাদীস সবই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কর্ম ভিত্তিক। এ বিষয়ক নিষেধাজ্ঞা যেমন সুষ্পষ্ট, অনুমতি তেমন সুস্পষ্ট নয়। শুধুমাত্র জানা যায় যে, তিনি নিজে কখনো কখনো এ সময়ে কিবলাহকে পিছনে বা সামনে রেখেছেন। তাঁর নিজের কর্ম বিশেষ অনুমতির কারণে হতে পারে। এ জন্য সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার বিপরীতে এগুলোর উপর নির্ভর করার চেয়ে প্রান্তর ও গৃহাভ্যন্তর সকল স্থানে মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলাহকে সামনে বা পেছনে রাখা পরিত্যাগ করাই উত্তম ও সাবধানতামূলক।
كتاب الطهارة
(6) باب فى جواز ذلك فى البنيان
(126) عن أبي قتادة رضى الله عنه انه رأى النبى صلى الله عليه وسلم يبول مستقبلا القبلة، قال ابو عبدالرحمن (1) قال ابى ثنا اسحاق يعنى الطباع مثله قال اخبرنى ابو قتادة