ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার

১১. ইসলাম নির্ধারিত দন্ডবিধি

হাদীস নং: ১৭৮৪
ইসলাম নির্ধারিত দন্ডবিধি
দারুল হারব বা যুদ্ধরত শত্রুদেশে 'হদ্দ' প্রয়োগ করা হবে না
(১৭৮৪) যাইদ ইবন সাবিত রা. বলেন, শত্রুদেশে (যুদ্ধরত অমুসলিমদের দেশে) হদ্দ বা শরীআতি শাস্তি প্রয়োগ করা হবে না। কারণ এতে শাস্তি থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে অপরাধীরা শত্রুদের সাথে গিয়ে মিলতে পারে।
كتاب الحدود
عن زيد بن ثابت رضي الله عنه قال: لا تقام الحدود في دار الحزب مخافة أن يلحق أهلها بالعدو

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

(বাইহাকি । অনুরূপ মতামত তিনি উমার রা. থেকেও সঙ্কলিত করেছেন ।** এই বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে, উমার রা. তার গভর্নরদেরকে চিঠি লিখেন, তারা যেন যুদ্ধরত দেশে কোনো মুসলিমের উপর হদ্দ বা শরীআতি শাস্তি প্রয়োগ না করে, যতক্ষণ সন্ধিকৃত এলাকায় প্রবেশ না করবে)। [বাইহাকি, আস সুনানুল কুবরা, হাদীস-১৮২২৫, ১৮২২৬; যাইলায়ি, নাসবুর রায়াহ ৩/৩৪৩]
ইবন আবী শাইবা অনুরূপ মতামত উমার রা. ও আবু দারদা রা. থেকে উদ্ধৃত করেছেন । এর মূল অর্থ নিম্নের হাদীসে পাওয়া যায় ।

** [যাইলায়ি বলেন, এই আসারটি গরীব। ইসলাম মানসুর বলেন, দুর্বল। কেননা যাইদ ইবন সাবিত থেকে মাকহুলের বর্ণনা মুরসাল এবং আবু ইউসুফের উস্তায অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। আর উমার ইবনুল খাত্তাবের আসারের সনদেও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি রয়েছে। গ্রন্থকার টীকায় বলেন, এই অজ্ঞাতপরিচয় শায়খ ইবন হিব্বানের মতে নির্ভরযোগ্য, আর যাইদ থেকে মাকহুল মুরসাল, তবে তিনি হানাফিদের নিকট প্রামাণ্য। এমনিভাবে উমারের আসার মুরসাল, তার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। দেখুনঃ যাইলায়ি, নাসবুর রায়াহ ৩/৩৪৩; ইসলাম মানসুর, তাহকীক সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকি ৯/১৯৬। সম্পাদক]
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান