ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
৩. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১০৭০
নামাযের অধ্যায়
বিচ্ছু, সাপ ইত্যাদি দংশনের দুআ
(১০৭০) যাইদ ইবন আব্দুল্লাহ রা. বলেন, আমরা আমাদের মধ্যে** (জাহিলি যুগ থেকে) প্রচলিত একটি দংশন বা হুল ফোটানোর বিষ দূর করার মন্ত্র রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে শোনাই। তিনি তা ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করেন এবং বলেন, এগুলো (অনিষ্টকর প্রাণিদের (Vermin ) থেকে সুলাইমান আ. কর্তৃক গৃহীত) প্রতিজ্ঞা ও চুক্তি। মন্ত্রটি নিম্নরূপ: ‘বিসমিল্লাহ শাজ্জাতুন কারনিয়্যাতুন মিলহাতু বাহরিন কাফতা। (শব্দগুলো অনারব এবং অর্থ অজ্ঞাত)।
كتاب الصلاة
عن زيد بن عبد الله رضي الله عنه قال: عرضنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم رقية من الحمة فأذن لنا وقال: إنما هي مواثيق والرقية: بسم الله شجة قرنية ملحة بحر قفطا
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
[তাবারানি, আল মু'জামুল আওসাত, হাদীস-৮৬৮৬]
['যাইদ ইবন আব্দুল্লাহ' নামটি অনুবাদকের প্রতিস্থাপন। গ্রন্থকার উল্লেখ করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন যাইদ'। তিনি হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন মাজমাউয যাওয়ায়িদ ও হিসনুল হাসীনের বরাতে। আমরা হিসনুল হাসীন দেখতে পারি নি, তবে মাজমাউয যাওয়ায়িদে নামটি 'আব্দুল্লাহ ইবন যাইদ ই রয়েছে। কিন্তু মূল গ্রন্থ তাবারানির 'আল মু'জামুল আওসাতে' নামটি অনুবাদকের উল্লেখ মতো যাইদ ইবন আব্দুল্লাহ' রয়েছে। -সম্পাদক]
['যাইদ ইবন আব্দুল্লাহ' নামটি অনুবাদকের প্রতিস্থাপন। গ্রন্থকার উল্লেখ করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন যাইদ'। তিনি হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন মাজমাউয যাওয়ায়িদ ও হিসনুল হাসীনের বরাতে। আমরা হিসনুল হাসীন দেখতে পারি নি, তবে মাজমাউয যাওয়ায়িদে নামটি 'আব্দুল্লাহ ইবন যাইদ ই রয়েছে। কিন্তু মূল গ্রন্থ তাবারানির 'আল মু'জামুল আওসাতে' নামটি অনুবাদকের উল্লেখ মতো যাইদ ইবন আব্দুল্লাহ' রয়েছে। -সম্পাদক]