শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৯. শিকার,জবাই ও কুরবানীর বিধান
হাদীস নং: ৬২১১
শিকার,জবাই ও কুরবানীর বিধান
কুরবানীর দিনে ইমামের কুরবানী করার পূর্বে যে ব্যক্তি কুরবানী করল।
৬২১১। মুহাম্মাদ ইবন আলী ইবন দাউদ বাগদাদী ...... আবু-যুবায়র হযরত জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন, নবী ইওয়ামুন নাহর (দশম যিলহজ্জ)-এ মদীনায় (ঈদুল আযহার) নামায আদায় করলেন। অতঃপর কিছু লােক এই ধারণা করে যে, নবী কুরবানী করেছেন, তারা আগেই কুরবানী করল। তখন নবী নির্দেশ দিলেন, যে ব্যক্তি তার পূর্বে কুরবানী করেছে, সে যেন অন্য একটি পশু কুরবানী করে এবং পরবর্তীতে যেন কেউ নবী (ﷺ)-এর কুরবানী করার পূর্বে কুরবানী না করে।
আলােচনা : আবু জাফর (তাহাবী) (রাহঃ) বলেন, একদল উলামা-ই কিরাম এ হাদীসের ওপর ভিত্তি করে বলেন, ইমামের কুরবানী করার পূর্বে কারাে জন্য কুরবানী করা জায়েয নয়। যদি কেউ পূর্বে কুরবানী করে,চাই নামাযের পরে হােক কিংবা পূর্বে, এই কুরবানী তার জন্য যথেষ্ট হবে না। আর তারা এ হাদীসকে দল হিসেবে পেশ করেন এবং তারা আল্লাহ্ তা'আলার এ বাণী يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيِ اللهِ وَرَسُولِهِ কে দলীল হিসেবে পেশ করেন।
আল্লামা আইনী (রাহঃ) বলেন, এ উলামা-ই কিরাম দ্বারা আওযাঈ, মালিক, শাফিঈ (রাহঃ) ও তার অনুসারীগণ উদ্দেশ্য। অপর পক্ষে উলামা-ই কিরামের অন্য একটি জামায়াত তাদের মতের বিপরীত মত পােষণ করেন। তারা বলেন, যে ব্যক্তি ইমামের নামাযের পর কুরবানী করবে, তার পক্ষ হতে তা যথেষ্ট হবে। অবশ্য নামাযের পূর্ব যে ব্যক্তি কুরবানী করবে, সে কুরবানী যথেষ্ট হবে না। তারা বলেন, হযরত আবুয-যুবায়র (রাযিঃ) বর্ণিত উল্লেখিত আয়াতটি ভিন্ন অর্থে নাযিল হয়েছে। অতঃপর তারা উল্লেখ করেন। আল্লামা আইনী (রাহঃ) বলেন, এ উলামা-ই কিরাম হলেন, আতা ইবন আবু রাবাহ, ইবরাহীম নাখঈ, সুফিয়ান সাওরী, লাইস ইব্ন সা'দ, আবু হানীফা, আবু ইউসুফ, মুহাম্মাদ ও আহমদ (রাহঃ)।
আলােচনা : আবু জাফর (তাহাবী) (রাহঃ) বলেন, একদল উলামা-ই কিরাম এ হাদীসের ওপর ভিত্তি করে বলেন, ইমামের কুরবানী করার পূর্বে কারাে জন্য কুরবানী করা জায়েয নয়। যদি কেউ পূর্বে কুরবানী করে,চাই নামাযের পরে হােক কিংবা পূর্বে, এই কুরবানী তার জন্য যথেষ্ট হবে না। আর তারা এ হাদীসকে দল হিসেবে পেশ করেন এবং তারা আল্লাহ্ তা'আলার এ বাণী يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيِ اللهِ وَرَسُولِهِ কে দলীল হিসেবে পেশ করেন।
আল্লামা আইনী (রাহঃ) বলেন, এ উলামা-ই কিরাম দ্বারা আওযাঈ, মালিক, শাফিঈ (রাহঃ) ও তার অনুসারীগণ উদ্দেশ্য। অপর পক্ষে উলামা-ই কিরামের অন্য একটি জামায়াত তাদের মতের বিপরীত মত পােষণ করেন। তারা বলেন, যে ব্যক্তি ইমামের নামাযের পর কুরবানী করবে, তার পক্ষ হতে তা যথেষ্ট হবে। অবশ্য নামাযের পূর্ব যে ব্যক্তি কুরবানী করবে, সে কুরবানী যথেষ্ট হবে না। তারা বলেন, হযরত আবুয-যুবায়র (রাযিঃ) বর্ণিত উল্লেখিত আয়াতটি ভিন্ন অর্থে নাযিল হয়েছে। অতঃপর তারা উল্লেখ করেন। আল্লামা আইনী (রাহঃ) বলেন, এ উলামা-ই কিরাম হলেন, আতা ইবন আবু রাবাহ, ইবরাহীম নাখঈ, সুফিয়ান সাওরী, লাইস ইব্ন সা'দ, আবু হানীফা, আবু ইউসুফ, মুহাম্মাদ ও আহমদ (রাহঃ)।
كتاب الصيد والذبائح والأضاحي
بَابُ مَنْ نَحَرَ يَوْمَ النَّحْرِ قَبْلَ أَنْ يَنْحَرَ الْإِمَامُ
6211 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ دَاوُدَ الْبَغْدَادِيُّ , قَالَ: ثنا سُنَيْدُ بْنُ دَاوُدَ , قَالَ: ثنا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ , عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ , عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ , أَخْبَرَهُ عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ , أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى يَوْمَ النَّحْرِ بِالْمَدِينَةِ. فَتَقَدَّمَ رِجَالٌ فَنَحَرُوا , فَظَنُّوا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ نَحَرَ فَأَمَرَ مَنْ كَانَ نَحَرَ قَبْلَهُ , أَنْ يُعِيدَ بِذَبْحٍ آخَرَ , وَلَا يَنْحَرُ حَتَّى يَنْحَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ: فَذَهَبَ قَوْمٌ إِلَى هَذَا , فَقَالُوا: لَا يَجُوزُ لِأَحَدٍ أَنْ يَنْحَرَ , حَتَّى يَنْحَرَ الْإِمَامُ , وَإِنْ نَحَرَ قَبْلَ ذَلِكَ بَعْدَ الصَّلَاةِ أَوْ قَبْلَهَا , لَمْ يُجْزِهِ ذَلِكَ , وَاحْتَجُّوا فِي ذَلِكَ بِهَذَا الْحَدِيثِ وَتَأَوَّلُوا قَوْلَ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيِ اللهِ وَرَسُولِهِ} [الحجرات: 1] . وَخَالَفَهُمْ فِي ذَلِكَ آخَرُونَ , فَقَالُوا: مَنْ نَحَرَ بَعْدَ صَلَاةِ الْإِمَامِ أَجْزَأَهُ ذَلِكَ , وَمَنْ نَحَرَ قَبْلَ الصَّلَاةِ فَلَمْ يُجْزِهِ ذَلِكَ , وَقَالُوا: قَدْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّ هَذِهِ الْآيَةَ قَدْ نَزَلَتْ فِي غَيْرِ هَذَا الْمَعْنَى. [ص:172] فَذَكَرُوا