শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
২. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ২২৭৭
আন্তর্জাতিক নং: ২২৭৮
ইমামের ঈদের সালাত ছুটে গেলে পরদিন তা পড়া যাবে কিনা?
২২৭৭-২২৭৮। আর অবশ্যই এ হাদীসটি শু'বা (রাহঃ) আবু বিসর (রাহঃ) থেকে সাঈদ (রাহঃ) এবং ইয়াহইয়া (রাহঃ) এর অনুরূপ রিয়াওয়াত করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ (রাহঃ) সালিহ (রাহঃ) এর রিয়াওয়াত অনুরূপ নয়।
ইবনে মারযুক (রাহঃ)... আবু বিশর (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এই বর্ণনায় এসেছে যে, তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন তারা সকালে যেন ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায়। বস্তুত এটির অর্থ হুসায়ম (রাহঃ) থেকে ইয়াহইয়া (রাহঃ) ও সাঈদ (রাহঃ) কর্তৃক বর্ণিত রিয়াওয়াত অর্থের অনুরূপ। আর এটি-ই হচ্ছে মূল হাদীস। যখন হাদীসের সালাত আদায় সংক্রান্ত বিরোধপূর্ণ বিষয়টি উল্লেখ নেই তাই আমরা এ বিষয়ে যাচাই করার প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধন করালাম।
তাহাবী (রাহঃ)-এর যুক্তিভিত্তিক দলিল
বস্তুত আমরা লক্ষ্য করে দেখলাম যে, সালাত হচ্ছে দু'প্রকার। একটি হচ্ছে-যা (তিনটি) সময় ব্যতীত সর্বদা পড়া যায় যাতে ফরজ সালাত পড়া নিষিদ্ধ (যেমন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত) এরূপ সালাত থেকে যদি কোন সালাত নির্দিষ্ট ওয়াক্ত থেকে কাজা হয়ে যায় তাহলে নিষিদ্ধ সময় ব্যতীত সমস্ত সময়ই এটি আদায় করার সময়। দ্বিতীয়টি হচ্ছে-যার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে রয়েছে। কারো জন্য সেই নির্ধারিত সময়ে ব্যতীত তা পড়া জায়েজ হবে না। যেমন জুমু'আ। এর বিধান হচ্ছেঃ জুমু'আর দিন সূর্য হেলে যাওয়ার পর থেকে আসরের সময়ের আগ পর্যন্ত এটি পড়বে। যদি এই ওয়াক্ত টি চলে যায় তাহলে সালাত ছুটে গেল এবং এটি সেইদিনের নির্দিষ্ট সময়ের পরে এবং অন্যদিনে পড়া জায়েজ নেই।
অতএব এটি সর্ববাদী সম্মত মত যেত, ওয়াক্ত থেকে ছুটে যাওয়ার পর সে-ই দিনের অবশিষ্ট অংশের কাযা করা যায় না, তা পরেও কাযা করা যাবে না। আর যে সালাত ওয়াক্ত থেকে ছুটে যাওয়ার পর সেই দিনের অবশিষ্ট অংশের কাজ করা যায় তা পরের দিন এবং এরপরেও কাযা করা যাবে। ঈদের সালাতের জন্য ঈদের দিন নির্দিষ্ট একটি ওয়াক্ত রয়েছে তা হচ্ছে সূর্য হেলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত। আর সকলেই ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে, ঈদের সালাত কেউ যখন সেই দিন সূর্য হেলে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আদায় না করে তাহলে তার সেই দিনের অবশিষ্ট অংশের পড়বে না। সুতরাং যখন প্রমাণিত হলো যে, ঈদের সালাতের ওয়াক্ত বের হয়ে যাওয়ার পর তার সেই দিনে কাযা পড়া যায় না। এটিও সাব্যস্ত হলে যে, তা পরের দিনে অথবা অন্য দিনে কাযা পড়া যাবে না। এটি-ই হচ্ছে, এ অধ্যায়ে যুক্তিভিত্তিক দলিল ও বিশ্লেষণ। আর এটি হচ্ছে আবু হানিফা (রাহঃ) এর অভিমত তার থেকে কয়েক লোকের বর্ণনার ভিত্তিতে। আমরা কিন্তু তার থেকে বর্ণিত আবু ইউসুফ (রাহঃ) এর রিয়াওয়াতে এটি পাই না এরূপ আহমদ (রাহঃ) এর রিয়াওয়াতেও বিদ্যমান রয়েছে।
ইবনে মারযুক (রাহঃ)... আবু বিশর (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এই বর্ণনায় এসেছে যে, তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন তারা সকালে যেন ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায়। বস্তুত এটির অর্থ হুসায়ম (রাহঃ) থেকে ইয়াহইয়া (রাহঃ) ও সাঈদ (রাহঃ) কর্তৃক বর্ণিত রিয়াওয়াত অর্থের অনুরূপ। আর এটি-ই হচ্ছে মূল হাদীস। যখন হাদীসের সালাত আদায় সংক্রান্ত বিরোধপূর্ণ বিষয়টি উল্লেখ নেই তাই আমরা এ বিষয়ে যাচাই করার প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধন করালাম।
তাহাবী (রাহঃ)-এর যুক্তিভিত্তিক দলিল
বস্তুত আমরা লক্ষ্য করে দেখলাম যে, সালাত হচ্ছে দু'প্রকার। একটি হচ্ছে-যা (তিনটি) সময় ব্যতীত সর্বদা পড়া যায় যাতে ফরজ সালাত পড়া নিষিদ্ধ (যেমন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত) এরূপ সালাত থেকে যদি কোন সালাত নির্দিষ্ট ওয়াক্ত থেকে কাজা হয়ে যায় তাহলে নিষিদ্ধ সময় ব্যতীত সমস্ত সময়ই এটি আদায় করার সময়। দ্বিতীয়টি হচ্ছে-যার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে রয়েছে। কারো জন্য সেই নির্ধারিত সময়ে ব্যতীত তা পড়া জায়েজ হবে না। যেমন জুমু'আ। এর বিধান হচ্ছেঃ জুমু'আর দিন সূর্য হেলে যাওয়ার পর থেকে আসরের সময়ের আগ পর্যন্ত এটি পড়বে। যদি এই ওয়াক্ত টি চলে যায় তাহলে সালাত ছুটে গেল এবং এটি সেইদিনের নির্দিষ্ট সময়ের পরে এবং অন্যদিনে পড়া জায়েজ নেই।
অতএব এটি সর্ববাদী সম্মত মত যেত, ওয়াক্ত থেকে ছুটে যাওয়ার পর সে-ই দিনের অবশিষ্ট অংশের কাযা করা যায় না, তা পরেও কাযা করা যাবে না। আর যে সালাত ওয়াক্ত থেকে ছুটে যাওয়ার পর সেই দিনের অবশিষ্ট অংশের কাজ করা যায় তা পরের দিন এবং এরপরেও কাযা করা যাবে। ঈদের সালাতের জন্য ঈদের দিন নির্দিষ্ট একটি ওয়াক্ত রয়েছে তা হচ্ছে সূর্য হেলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত। আর সকলেই ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে, ঈদের সালাত কেউ যখন সেই দিন সূর্য হেলে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আদায় না করে তাহলে তার সেই দিনের অবশিষ্ট অংশের পড়বে না। সুতরাং যখন প্রমাণিত হলো যে, ঈদের সালাতের ওয়াক্ত বের হয়ে যাওয়ার পর তার সেই দিনে কাযা পড়া যায় না। এটিও সাব্যস্ত হলে যে, তা পরের দিনে অথবা অন্য দিনে কাযা পড়া যাবে না। এটি-ই হচ্ছে, এ অধ্যায়ে যুক্তিভিত্তিক দলিল ও বিশ্লেষণ। আর এটি হচ্ছে আবু হানিফা (রাহঃ) এর অভিমত তার থেকে কয়েক লোকের বর্ণনার ভিত্তিতে। আমরা কিন্তু তার থেকে বর্ণিত আবু ইউসুফ (রাহঃ) এর রিয়াওয়াতে এটি পাই না এরূপ আহমদ (রাহঃ) এর রিয়াওয়াতেও বিদ্যমান রয়েছে।
وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ شُعْبَةُ , عَنْ أَبِي بِشْرٍ , كَمَا رَوَاهُ سَعِيدٌ وَيَحْيَى , لَا كَمَا رَوَاهُ عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ
2277 - حَدَّثَنَا ابْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ: ثنا وَهْبٌ، قَالَ: ثنا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عُمَيْرِ بْنَ أَنَسٍ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ ح ,
2278 - وَحَدَّثَنَا ابْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ: ثنا أَبُو الْوَلِيدُ، قَالَ: ثنا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، فَذَكَرَ مِثْلَهُ بِإِسْنَادِهِ , غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ: «وَأَمَرَهُمْ إِذَا أَصْبَحُوا أَنْ يَخْرُجُوا إِلَى مُصَلَّاهُمْ» فَمَعْنَى ذَلِكَ أَيْضًا مَعْنَى مَا رَوَى يَحْيَى وَسَعِيدٌ , عَنْ هُشَيْمٍ , وَهَذَا هُوَ أَصْلُ الْحَدِيثِ. وَلَمَّا لَمْ يَكُنْ فِي الْحَدِيثِ , مَا يَدُلُّ عَلَى حُكْمِ مَا اخْتَلَفُوا فِيهِ مِنَ الصَّلَاةِ فِي الْغَدِ , فَنَظَرْنَا فِي ذَلِكَ فَرَأَيْنَا الصَّلَوَاتِ عَلَى ضَرْبَيْنِ. فَمِنْهَا مَا الدَّهْرُ كُلُّهُ لَهَا وَقْتٌ , غَيْرَ الْأَوْقَاتِ الَّتِي لَا يُصَلِّي فِيهَا الْفَرِيضَةَ , فَكَانَ مَا فَاتَ مِنْهَا فِي وَقْتِهِ , فَالدَّهْرُ كُلُّهُ لَهَا وَقْتٌ يُقْضَى فِيهِ , غَيْرَ مَا نُهِيَ عَنْ قَضَائِهَا فِيهِ مِنَ الْأَوْقَاتِ. وَمِنْهَا مَا جُعِلَ لَهُ وَقْتٌ خَاصٌّ , وَلَمْ يُجْعَلْ لِأَحَدٍ أَنْ يُصَلِّيَهُ فِي غَيْرِ ذَلِكَ الْوَقْتِ. مِنْ ذَلِكَ الْجُمُعَةُ , حُكْمُهَا أَنْ يُصَلِّيَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ مِنْ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسِ إِلَى أَنْ يَدْخُلَ وَقْتُ الْعَصْرِ , فَإِذَا خَرَجَ ذَلِكَ الْوَقْتُ فَاتَتْ وَلَمْ يَجُزْ أَنْ يُصَلِّيَ بَعْدَ ذَلِكَ فِي يَوْمِهَا ذَلِكَ , وَلَا فِيمَا بَعْدَهُ. فَكَانَ مَا لَا يُقْضَى فِي بَقِيَّةِ يَوْمِهِ بَعْدَ فَوَاتِ وَقْتِهِ , لَا يُقْضَى بَعْدَ ذَلِكَ. وَمَا يُقْضَى بَعْدَ فَوَاتِ وَقْتِهِ فِي بَقِيَّةِ يَوْمِهِ ذَلِكَ , قُضِيَ مِنَ الْغَدِ , وَبَعْدَ ذَلِكَ , وَكُلُّ هَذَا مُجْمَعٌ عَلَيْهِ. وَكَانَتْ صَلَاةُ الْعِيدِ جُعِلَ لَهَا وَقْتٌ خَاصٌّ , فِي يَوْمِ الْعِيدِ , آخِرُهُ زَوَالُ الشَّمْسِ , وَكُلٌّ قَدْ أَجْمَعَ عَلَى أَنَّهَا إِذَا لَمْ تُصَلَّ يَوْمَئِذٍ حَتَّى زَالَتِ الشَّمْسُ أَنَّهَا لَا تُصَلَّى فِي بَقِيَّةِ يَوْمِهَا. فَلَهَا ثَبَتَ أَنَّ صَلَاةَ الْعِيدِ , لَا تُقْضَى بَعْدَ خُرُوجِ وَقْتِهَا فِي يَوْمِهَا ذَلِكَ , ثَبَتَ أَنَّهَا لَا تُقْضَى بَعْدَ ذَلِكَ فِي غَدٍ وَلَا غَيْرِهِ , لِأَنَّا رَأَيْنَا مَا لِلَّذِي فَاتَهُ أَنْ يَقْضِيَهُ مِنْ غَدٍ يَوْمِهِ جَائِزٌ لَهُ أَنْ يَقْضِيَهُ مِنْ بَقِيَّةِ الْيَوْمِ الَّذِي وَقْتُهُ فِيهِ وَمَا لَيْسَ , لِلَّذِي فَاتَهُ أَنْ يَقْضِيَهُ مِنْ بَقِيَّةِ يَوْمِهِ ذَلِكَ , فَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَقْضِيَهُ مِنْ غَدِهِ. فَصَلَاةُ الْعِيدِ كَذَلِكَ , لَمَّا ثَبَتَ أَنَّهَا لَا تُقْضَى إِذَا فَاتَتْ فِي بَقِيَّةِ يَوْمِهَا , ثَبَتَ أَنَّهَا لَا تُقْضَى فِي غَدِهِ. فَهَذَا هُوَ النَّظَرُ فِي هَذَا الْبَابِ , وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللهُ تَعَالَى , فِيمَا رَوَاهُ عَنْ بَعْضِ النَّاسِ , وَلَمْ نَجِدْهُ فِي رِوَايَةِ أَبِي يُوسُفَ عَنْهُ , هَكَذَا كَانَ فِي رِوَايَةِ أَحْمَدَ رَحِمَهُمَا اللهُ تَعَالَى
2277 - حَدَّثَنَا ابْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ: ثنا وَهْبٌ، قَالَ: ثنا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عُمَيْرِ بْنَ أَنَسٍ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ ح ,
2278 - وَحَدَّثَنَا ابْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ: ثنا أَبُو الْوَلِيدُ، قَالَ: ثنا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، فَذَكَرَ مِثْلَهُ بِإِسْنَادِهِ , غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ: «وَأَمَرَهُمْ إِذَا أَصْبَحُوا أَنْ يَخْرُجُوا إِلَى مُصَلَّاهُمْ» فَمَعْنَى ذَلِكَ أَيْضًا مَعْنَى مَا رَوَى يَحْيَى وَسَعِيدٌ , عَنْ هُشَيْمٍ , وَهَذَا هُوَ أَصْلُ الْحَدِيثِ. وَلَمَّا لَمْ يَكُنْ فِي الْحَدِيثِ , مَا يَدُلُّ عَلَى حُكْمِ مَا اخْتَلَفُوا فِيهِ مِنَ الصَّلَاةِ فِي الْغَدِ , فَنَظَرْنَا فِي ذَلِكَ فَرَأَيْنَا الصَّلَوَاتِ عَلَى ضَرْبَيْنِ. فَمِنْهَا مَا الدَّهْرُ كُلُّهُ لَهَا وَقْتٌ , غَيْرَ الْأَوْقَاتِ الَّتِي لَا يُصَلِّي فِيهَا الْفَرِيضَةَ , فَكَانَ مَا فَاتَ مِنْهَا فِي وَقْتِهِ , فَالدَّهْرُ كُلُّهُ لَهَا وَقْتٌ يُقْضَى فِيهِ , غَيْرَ مَا نُهِيَ عَنْ قَضَائِهَا فِيهِ مِنَ الْأَوْقَاتِ. وَمِنْهَا مَا جُعِلَ لَهُ وَقْتٌ خَاصٌّ , وَلَمْ يُجْعَلْ لِأَحَدٍ أَنْ يُصَلِّيَهُ فِي غَيْرِ ذَلِكَ الْوَقْتِ. مِنْ ذَلِكَ الْجُمُعَةُ , حُكْمُهَا أَنْ يُصَلِّيَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ مِنْ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسِ إِلَى أَنْ يَدْخُلَ وَقْتُ الْعَصْرِ , فَإِذَا خَرَجَ ذَلِكَ الْوَقْتُ فَاتَتْ وَلَمْ يَجُزْ أَنْ يُصَلِّيَ بَعْدَ ذَلِكَ فِي يَوْمِهَا ذَلِكَ , وَلَا فِيمَا بَعْدَهُ. فَكَانَ مَا لَا يُقْضَى فِي بَقِيَّةِ يَوْمِهِ بَعْدَ فَوَاتِ وَقْتِهِ , لَا يُقْضَى بَعْدَ ذَلِكَ. وَمَا يُقْضَى بَعْدَ فَوَاتِ وَقْتِهِ فِي بَقِيَّةِ يَوْمِهِ ذَلِكَ , قُضِيَ مِنَ الْغَدِ , وَبَعْدَ ذَلِكَ , وَكُلُّ هَذَا مُجْمَعٌ عَلَيْهِ. وَكَانَتْ صَلَاةُ الْعِيدِ جُعِلَ لَهَا وَقْتٌ خَاصٌّ , فِي يَوْمِ الْعِيدِ , آخِرُهُ زَوَالُ الشَّمْسِ , وَكُلٌّ قَدْ أَجْمَعَ عَلَى أَنَّهَا إِذَا لَمْ تُصَلَّ يَوْمَئِذٍ حَتَّى زَالَتِ الشَّمْسُ أَنَّهَا لَا تُصَلَّى فِي بَقِيَّةِ يَوْمِهَا. فَلَهَا ثَبَتَ أَنَّ صَلَاةَ الْعِيدِ , لَا تُقْضَى بَعْدَ خُرُوجِ وَقْتِهَا فِي يَوْمِهَا ذَلِكَ , ثَبَتَ أَنَّهَا لَا تُقْضَى بَعْدَ ذَلِكَ فِي غَدٍ وَلَا غَيْرِهِ , لِأَنَّا رَأَيْنَا مَا لِلَّذِي فَاتَهُ أَنْ يَقْضِيَهُ مِنْ غَدٍ يَوْمِهِ جَائِزٌ لَهُ أَنْ يَقْضِيَهُ مِنْ بَقِيَّةِ الْيَوْمِ الَّذِي وَقْتُهُ فِيهِ وَمَا لَيْسَ , لِلَّذِي فَاتَهُ أَنْ يَقْضِيَهُ مِنْ بَقِيَّةِ يَوْمِهِ ذَلِكَ , فَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَقْضِيَهُ مِنْ غَدِهِ. فَصَلَاةُ الْعِيدِ كَذَلِكَ , لَمَّا ثَبَتَ أَنَّهَا لَا تُقْضَى إِذَا فَاتَتْ فِي بَقِيَّةِ يَوْمِهَا , ثَبَتَ أَنَّهَا لَا تُقْضَى فِي غَدِهِ. فَهَذَا هُوَ النَّظَرُ فِي هَذَا الْبَابِ , وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللهُ تَعَالَى , فِيمَا رَوَاهُ عَنْ بَعْضِ النَّاسِ , وَلَمْ نَجِدْهُ فِي رِوَايَةِ أَبِي يُوسُفَ عَنْهُ , هَكَذَا كَانَ فِي رِوَايَةِ أَحْمَدَ رَحِمَهُمَا اللهُ تَعَالَى
