শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
২. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৮৫১
নামাযের অধ্যায়
সালাতুল খাওফ-এর বিবরণ
১৮৫১। আলী ইবন শায়বা (রাহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ ইবন আব্দুল্লাহ্ (রাহঃ) সূত্রে ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) 'যী-কায়াত' যুদ্ধে সালাতুল খাওফ আদায় করেছেন। তখন মুশরিকরা কিবলা এবং তাঁর মাঝখানে অবস্থান করছিলো। একদল তাঁর পিছনে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ায় অপর দল শত্রুর সামনে থাকে। তিনি তাদের এক দলকে নিয়ে এক রাক'আত পড়েন। তারপর তারা শত্রুর সামনে চলে যান আর শত্রুর সামনে অবস্থানরত দল ফিরে এসে তাদের স্থানে দাঁড়ান এবং তিনি তাদের নিয়ে এক রাক'আত পড়েন। এবং নিজে সালাম ফিরিয়ে নেন, (কারণ তাঁর সালাত শেষ হয়ে গিয়েছিল)। (এ অবস্থায়) রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) -এর সালাত হয়েছিল দু'রাক'আত এবং প্রত্যেক দলের হয়েছিল এক রাক'আত করে।
আবু জা'ফর তাহাবী (রাহঃ) বলেনঃ এ উবায়দুল্লাহ ইবন আব্দুল্লাহ্ (রাহঃ) ইবন আব্বাস (রাযিঃ) থেকে যে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন তা ইবন আব্বাস (রাযিঃ) থেকে মুজাহিদ সূত্রে বর্ণিত হাদীসের বিপরীত। আর ইমামের জন্য এক রাক'আত ফরয হওয়াটা অসম্ভব। কারণ এতে ইমামের জন্য দ্বিতীয় দলকে নিয়ে তার সালাত বৈঠক, তাশাহ্হুদ ও সালাম ব্যতীত আদায় করা সাব্যস্ত হয় যা জায়িয নয়। অতএব ইবন আব্বাস (রাযিঃ) বর্ণিত উভয় হাদীস পরস্পর বিরোধী। (যা দলীল হিসাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না) আর এ বিষয়ে কারো জন্য মুজাহিদ সূত্রে বর্ণিত ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর হাদীসকে দলীল হিসাবে গ্রহণ করা বৈধ নয়। কারণ তাহলে তার বিরোধী পক্ষ এর বিপক্ষে উবায়দুল্লাহ সূত্রে বর্ণিত ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর হাদীসকে দলীল হিসাবে গ্রহণ করবে।
প্রশ্নঃ কেউ যদি প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেন যে, ইবন আব্বাস (রাযিঃ) ব্যতীত অন্যদের থেকে আমাদের বক্তব্যের স্বপক্ষে (হাদীস) বর্ণিত রয়েছে এবং তারা নিম্নোক্ত হাদীস উল্লেখ করেনঃ
আবু জা'ফর তাহাবী (রাহঃ) বলেনঃ এ উবায়দুল্লাহ ইবন আব্দুল্লাহ্ (রাহঃ) ইবন আব্বাস (রাযিঃ) থেকে যে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন তা ইবন আব্বাস (রাযিঃ) থেকে মুজাহিদ সূত্রে বর্ণিত হাদীসের বিপরীত। আর ইমামের জন্য এক রাক'আত ফরয হওয়াটা অসম্ভব। কারণ এতে ইমামের জন্য দ্বিতীয় দলকে নিয়ে তার সালাত বৈঠক, তাশাহ্হুদ ও সালাম ব্যতীত আদায় করা সাব্যস্ত হয় যা জায়িয নয়। অতএব ইবন আব্বাস (রাযিঃ) বর্ণিত উভয় হাদীস পরস্পর বিরোধী। (যা দলীল হিসাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না) আর এ বিষয়ে কারো জন্য মুজাহিদ সূত্রে বর্ণিত ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর হাদীসকে দলীল হিসাবে গ্রহণ করা বৈধ নয়। কারণ তাহলে তার বিরোধী পক্ষ এর বিপক্ষে উবায়দুল্লাহ সূত্রে বর্ণিত ইব্ন আব্বাস (রাযিঃ)-এর হাদীসকে দলীল হিসাবে গ্রহণ করবে।
প্রশ্নঃ কেউ যদি প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেন যে, ইবন আব্বাস (রাযিঃ) ব্যতীত অন্যদের থেকে আমাদের বক্তব্যের স্বপক্ষে (হাদীস) বর্ণিত রয়েছে এবং তারা নিম্নোক্ত হাদীস উল্লেখ করেনঃ
كتاب الصلاة
1851 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ شَيْبَةَ، قَالَ: ثنا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي الْجَهْمِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عُبَيْدِ اللهِ بْنُ عَبْدِ اللهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ: «صَلَّى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِذِي قَرَدٍ , صَلَاةَ الْخَوْفِ وَالْمُشْرِكُونَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ , فَصَفَّ صَفًّا خَلْفَهُ وَصَفًّا مُوَازِيَ الْعَدُوِّ , فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ ذَهَبَ هَؤُلَاءِ إِلَى مَصَافِّ هَؤُلَاءِ وَرَجَعَ هَؤُلَاءِ إِلَى مَصَافِّ هَؤُلَاءِ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً , ثُمَّ سَلَّمَ عَلَيْهِمْ فَكَانَتْ لِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَانِ وَلِكُلِّ طَائِفَةٍ رَكْعَةٌ» قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ: فَهَذَا عُبَيْدِ اللهِ بْنُ عَبْدِ اللهِ قَدْ رَوَى عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا مَا خَالَفَ مَا رَوَى مُجَاهِدٌ عَنْهُ , وَمُحَالٌ أَنْ يَكُونَ الْفَرْضُ عَلَىالْإِمَامِ رَكْعَةً فَيُصَلِّيَهَا بِأُخْرَى بِلَا قُعُودٍ لِلتَّشَهُّدِ , وَلَا تَسْلِيمٍ. فَلَمَّا تَضَادَّ الْخَبَرَانِ , عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا تَنَافَيَا , وَلَمْ يَكُنْ لِأَحَدٍ أَنْ يَحْتَجَّ فِي ذَلِكَ بِمُجَاهِدٍ , عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا ; لِأَنَّ خَصْمَهُ يَحْتَجُّ عَلَيْهِ بِعُبَيْدِ اللهِ , عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا بِخِلَافِ ذَلِكَ. [ص:310] فَإِنْ قَالُوا: فَقَدْ رُوِيَ عَنْ غَيْرِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا مَا يُوَافِقُ مَا قُلْنَا