শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
২. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৭৩৪
বিতর প্রসঙ্গ
১৭৩৪। ইউনুস (রাহঃ) ...আবু আইয়্যুব (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ বিতর হলো হক অথবা ওয়াজিব।কেউ যদি সাত রাক’আতে বিত্র আদায় করতে চায় করুক,কেউ যদি পাঁচ রাক’আতে করতে চায় করুক, কেউ যদি তিন রাক’আতে করতে চায় করুক,আর কেউ যদি এক রাক’আতে আদায় করতে চায় তাও করতে পারে।পক্ষান্তরে কেউ যদি অসমর্থ হয়ে যায় সে যেন ইশারা দেয়।
এ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে,তারা তাঁদের ইচ্ছামত বিতর আদায় করার ব্যাপারে স্বাধীন ছিলেন।এর কোন নির্ধারিত রাক’আত সংখ্যা ছিলো না।তারা বিতর আদায় করলেই হত।
উত্তরঃ বস্তুত রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর পরে সমস্ত উম্মত এর (স্বাধীনভাবে বিত্র আদায় করার) বিপরীতে ইজমা তথা ঐকমত্য পোষণ করেছেন। তারা এরূপ বিতর আদায় করেছেন যে,প্রত্যেক আদায়কারীর জন্য এর থেকে কোন কিছু পরিত্যাগ করা বৈধ হবে না। অতএব তাদের ইজমা দ্বারা বুঝা যাচ্ছে যে,এর পূর্ববর্তী তথা আবু আইয়্যুব (রাযিঃ)বর্ণিত হাদীসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর উক্তি রহিত হয়ে গিয়েছে।যেহেতু আল্লাহ্ তাআলা গোটা উম্মতকে গোমরাহীর উপর একত্রিত করেন না।
এ বিষয়ে আব্দুর রহমান ইব্ন আবযা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ঃ
এ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে,তারা তাঁদের ইচ্ছামত বিতর আদায় করার ব্যাপারে স্বাধীন ছিলেন।এর কোন নির্ধারিত রাক’আত সংখ্যা ছিলো না।তারা বিতর আদায় করলেই হত।
উত্তরঃ বস্তুত রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর পরে সমস্ত উম্মত এর (স্বাধীনভাবে বিত্র আদায় করার) বিপরীতে ইজমা তথা ঐকমত্য পোষণ করেছেন। তারা এরূপ বিতর আদায় করেছেন যে,প্রত্যেক আদায়কারীর জন্য এর থেকে কোন কিছু পরিত্যাগ করা বৈধ হবে না। অতএব তাদের ইজমা দ্বারা বুঝা যাচ্ছে যে,এর পূর্ববর্তী তথা আবু আইয়্যুব (রাযিঃ)বর্ণিত হাদীসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর উক্তি রহিত হয়ে গিয়েছে।যেহেতু আল্লাহ্ তাআলা গোটা উম্মতকে গোমরাহীর উপর একত্রিত করেন না।
এ বিষয়ে আব্দুর রহমান ইব্ন আবযা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ঃ
1734 - حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ: «الْوِتْرُ حَقٌّ أَوْ وَاجِبٌ , فَمَنْ شَاءَ أَوْتَرَ بِسَبْعٍ , وَمَنْ شَاءَ أَوْتَرَ بِخَمْسٍ , وَمَنْ شَاءَ أَوْتَرَ بِثَلَاثٍ , وَمَنْ شَاءَ أَوْتَرَ بِوَاحِدَةٍ , وَمَنْ غُلْبَ إِلَى أَنْ يُومِئَ فَلْيُومِئْ» فَأَخْبَرَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ أَنَّهُمْ كَانُوا مُخَيَّرِينَ فِي أَنْ يُوتِرُوا بِمَا أَحَبُّوا , لَا وَقْتَ فِي ذَلِكَ , وَلَا عَدَدَ , بَعْدَ أَنْ يَكُونَ مَا يُصَلُّونَ وِتْرًا. وَقَدْ أَجْمَعَتِ الْأُمَّةُ بَعْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى خِلَافِ ذَلِكَ وَأَوْتَرُوا وِتْرًا لَا يَجُوزُ لِكُلِّ مَنْ أَوْتَرَ عِنْدَهُ تَرْكُ شَيْءٍ مِنْهُ. فَدَلَّ إِجْمَاعُهُمْ عَلَى نَسْخِ مَا قَدْ تَقَدَّمَهُ مِنْ قَوْلِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ لَمْ يَكُنْ لِيَجْمَعَهُمْ عَلَى ضَلَالٍ. وَقَدْ رَوَى عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبْزَى عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ذَلِكَ
