শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১. পবিত্রতা অর্জনের অধ্যায়
হাদীস নং: ৩০
পানিতে নাপাকী পড়লে কী করণীয়ঃ
৩০. মুহাম্মাদ ইব্নুল হাজ্জাজ...... রাশিদ ইবন সা'দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাঃ বলেছেনঃ পানিকে কোন বস্তু নাপাক করতে পারে না। তবে যে বস্তু এর রং বা স্বাদ বা গন্ধের উপর প্রবল হয়ে যায়।
তাহলে উত্তরে বলা হবে ঃ এই হাদীসটির সনদ মুনকাতি' (বিচ্ছিন্ন) আর আপনারাও মুনকাতি হাদীসকে স্বীকৃতি দেন না, প্রমাণ হিসাবেও পেশ করেন না। আর যদি আপনারা তাঁর উক্তি 'দুই কুল্লা' দ্বারা বিশেষ ধরনের মটকা বুঝানো হয়েছে বলে দাবি করেন তাহলে অন্যের জন্যও পানিতে বিশেষ ধরনের পানি বুঝানো হয়েছে বলা বৈধ হবে এবং তার নিকট এটি প্রথমোক্ত রিওয়ায়াতসমূহের মর্মের অনুকূলেই হবে, বিপরীত হবে না।
বস্তুত যখন প্রথমোক্ত রিওয়ায়তসমূহ যা স্থির পানিতে পেশাব করা এবং সেই পাত্রের পানি নাপাক হওয়া সম্পর্কে ব্যক্ত হয়েছে যাতে বিড়াল মুখ দিয়েছে অনেক ব্যাপক এবং এতে পানির পরিমাণ উল্লিখিত হয়নি। তাই ওগুলো দ্বারা সেই পানি বুঝানো হয়েছে, যা প্রবাহিত নয়। অতএব এতে প্রমাণিত হল 'হাদীসে কুল্লাতায়ন'-এ সেই পানির কথা উল্লিখিত হয়েছে, যা প্রৱাহিত। এতে পানির পরিমাণের দিকে দৃষ্টি দেয়া হবে না। যেমনিভাবে দৃষ্টি দেয়া হয় না সেই সমস্ত পানির কোনটিতে, যা আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি। এভাবে এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত কোন হাদীস এবং পূর্বে উল্লিখিত হাদীসের মর্ম পরস্পর বিরোধী থাকে না। আর এটিই হচ্ছে ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ), ইমাম আবু ইউসুফ (রাহঃ) ও ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ)-এর মতামত
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁদের পূর্ববর্তী (সাহাবীগণের) থেকেও এরূপ হাদীস বর্ণিত আছে, যা তাঁদের মাযহাবের অনুকূলে। এগুলো নিম্নরূপ :
তাহলে উত্তরে বলা হবে ঃ এই হাদীসটির সনদ মুনকাতি' (বিচ্ছিন্ন) আর আপনারাও মুনকাতি হাদীসকে স্বীকৃতি দেন না, প্রমাণ হিসাবেও পেশ করেন না। আর যদি আপনারা তাঁর উক্তি 'দুই কুল্লা' দ্বারা বিশেষ ধরনের মটকা বুঝানো হয়েছে বলে দাবি করেন তাহলে অন্যের জন্যও পানিতে বিশেষ ধরনের পানি বুঝানো হয়েছে বলা বৈধ হবে এবং তার নিকট এটি প্রথমোক্ত রিওয়ায়াতসমূহের মর্মের অনুকূলেই হবে, বিপরীত হবে না।
বস্তুত যখন প্রথমোক্ত রিওয়ায়তসমূহ যা স্থির পানিতে পেশাব করা এবং সেই পাত্রের পানি নাপাক হওয়া সম্পর্কে ব্যক্ত হয়েছে যাতে বিড়াল মুখ দিয়েছে অনেক ব্যাপক এবং এতে পানির পরিমাণ উল্লিখিত হয়নি। তাই ওগুলো দ্বারা সেই পানি বুঝানো হয়েছে, যা প্রবাহিত নয়। অতএব এতে প্রমাণিত হল 'হাদীসে কুল্লাতায়ন'-এ সেই পানির কথা উল্লিখিত হয়েছে, যা প্রৱাহিত। এতে পানির পরিমাণের দিকে দৃষ্টি দেয়া হবে না। যেমনিভাবে দৃষ্টি দেয়া হয় না সেই সমস্ত পানির কোনটিতে, যা আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি। এভাবে এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত কোন হাদীস এবং পূর্বে উল্লিখিত হাদীসের মর্ম পরস্পর বিরোধী থাকে না। আর এটিই হচ্ছে ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ), ইমাম আবু ইউসুফ (রাহঃ) ও ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ)-এর মতামত
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁদের পূর্ববর্তী (সাহাবীগণের) থেকেও এরূপ হাদীস বর্ণিত আছে, যা তাঁদের মাযহাবের অনুকূলে। এগুলো নিম্নরূপ :
باب الماء يقع فيه النجاسة
30 - فَإِنْ قُلْتُمْ: فَإِنَّهُ وَإِنْ لَمْ يَذْكُرْ فِي هَذَا الْحَدِيثِ , فَقَدْ ذَكَرَهُ فِي غَيْرِهِ , فَذَكَرْتُمْ مَا حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَجَّاجِ قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ مَعْبَدٍ قَالَ: ثنا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الْأَحْوَصِ بْنِ حَكِيمٍ , عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمَاءُ لَا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ , إِلَّا مَا غَلَبَ عَلَى لَوْنِهِ أَوْ طَعْمِهِ أَوْ رِيحِهِ» . قِيلَ لَكُمْ: هَذَا مُنْقَطِعٌ , وَأَنْتُمْ لَا تُثْبِتُونَ الْمُنْقَطِعَ وَلَا تَحْتَجُّونَ بِهِ، فَإِنْ كُنْتُمْ قَدْ جَعَلْتُمْ قَوْلَهُ فِي الْقُلَّتَيْنِ عَلَى خَاصٍّ مِنَ الْقِلَالِ، جَازَ لِغَيْرِكُمْ أَنْ يَجْعَلَ الْمَاءَ عَلَى خَاصٍّ مِنَ الْمِيَاهِ , فَيَكُونُ ذَلِكَ عِنْدَهُ عَلَى مَا يُوَافِقُ مَعَانِيَ الْآثَارِ الْأُوَلِ وَلَا يُخَالِفُهَا. فَإِذَا كَانَتِ الْآثَارُ الْأُوَلُ الَّتِي قَدْ جَاءَتْ فِي الْبَوْلِ فِي الْمَاءِ الرَّاكِدِ وَفِي نَجَاسَةِ الْمَاءِ الَّذِي فِي الْإِنَاءِ مِنْ وُلُوغِ الْهِرِّ فِيهِ عَامًّا , لَمْ يَذْكُرْ مِقْدَارَهُ , وَجَعَلَ عَلَى كُلِّ مَاءٍ لَا يَجْرِي؛ ثَبَتَ بِذَلِكَ أَنَّ مَا فِي حَدِيثِ الْقُلَّتَيْنِ هُوَ عَلَى الْمَاءِ الَّذِي يَجْرِي وَلَا يُنْظَرُ فِي ذَلِكَ إِلَى مِقْدَارِ الْمَاءِ كَمَا لَمْ يُنْظَرْ فِي شَيْءٍ مِمَّا ذَكَرْنَا إِلَى مِقْدَارِهِ , حَتَّى لَا يَتَضَادَّ شَيْءٌ مِنَ الْآثَارِ الْمَرْوِيَّةِ فِي هَذَا الْبَابِ. وَهَذَا الْمَعْنَى الَّذِي صَحَّحْنَا عَلَيْهِ مَعَانِيَ هَذِهِ الْآثَارِ , هُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ , وَأَبِي يُوسُفَ , وَمُحَمَّدٍ رَحِمَهُمُ اللهُ، وَقَدْ رُوِيَ فِي ذَلِكَ عَمَّنْ تَقَدَّمَهُمْ مَا يُوَافِقُ مَذْهَبَهُمْ.
