মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৩০- নবীজী সাঃ এর মর্যাদা ও শামাঈল অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৭৬৮
- নবীজী সাঃ এর মর্যাদা ও শামাঈল অধ্যায়
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - নবীকুল শিরোমণি -এর মর্যাদাসমূহ
৫৭৬৮। হযরত উবাই ইবনে কা'ব (রাঃ) হইতে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলিয়াছেনঃ কিয়ামতের দিন আমিই হইব নবীদের ইমাম ও মুখপাত্র এবং তাহাদের জন্য শাফা'আতের অধিকারী। ইহাতে আমার কোন অহংকার নাই। -তিরমিযী
كتاب الفضائل والشمائل
وَعَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ كُنْتُ إِمَامَ النَّبِيِّينَ وَخَطِيبَهُمْ وَصَاحِبَ شَفَاعَتِهِمْ غيرَ فَخر» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আলোচ্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিয়ামতের দিন নিজেকে নবী (আ) গণের খতীব ও সুপারিশকারী বলেছেন। উদ্দেশ্য এই যে, কিয়ামতের দিন যখন আল্লাহ তা'আলার তাজাল্লীর অসাধারণ প্রকাশ ঘটবে, তখন নবীগণ (আ) আল্লাহ্ তা'আলার দরবারে কোন নিবেদন করার সাহসই পাবেন না। তাঁদের পক্ষ হতে তখন আমি আল্লাহ্ তা'আলার দরবারে কথা বলব এবং আবেদন নিবেদন করব। তাঁদের জন্য সুপারিশ করব। এ স্থলেও শেষে তিনি বলছেন, এ সব গর্ব ও বড়ত্ব প্রকাশের জন্য বলছি না, বরং নি'আমতের উল্লেখস্বরূপ আর তোমাদেরকে অবগত করার জন্যে, আল্লাহ্ তা'আলার নির্দেশ পালনার্থে বর্ণনা করছি।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)