মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
১১- হজ্জ্বের অধ্যায়
হাদীস নং: ২৫৫২
- হজ্জ্বের অধ্যায়
১. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - ইহরাম ও তালবিয়াহ্
২৫৫২। হযরত উমারা তাঁহার পিতা খুযায়মা ইবনে সাবেত হইতে এবং তিনি নবী করীম (ﷺ) হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি (নবী করীম) যখন তালবিয়া হইতে অবসর গ্রহণ করিলেন, আল্লাহর নিকট তাঁহার সন্তোষ প্রার্থনা করিলেন ও জান্নাত চাহিলেন, অতঃপর তাঁহার নিকট দোযখের আগুন হইতে ক্ষমা চাহিলেন তাঁহার রহমতের উসীলায়। —শাফেয়ী
كتاب المناسك
وَعَنْ عِمَارَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ إِذَا فَرَغَ مِنْ تَلْبِيَتِهِ سَأَلَ اللَّهَ رِضْوَانَهُ وَالْجَنَّةَ وَاسْتَعْفَاهُ بِرَحْمَتِهِ مِنَ النَّارِ. رَوَاهُ الشَّافِعِي
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীসের ভিত্তিতে ওলামায়ে কেরাম তালবিয়ার পর এধরনের দু‘আকে উত্তম ও সুন্নত বলেছেন, যার মধ্যে আল্লাহ্ তা'আলার কাছে তাঁর সন্তুষ্টি ও জান্নাতের প্রার্থনা করা হয় এবং জাহান্নামের আযাব থেকে আশ্রয় চাওয়া হয়। এ কথা স্পষ্ট যে, একজন মু'মিন বান্দার সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ও তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কামনা এটাই হতে পারে যে, সে আল্লাহ্ তা'আলার সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভ করে নিবে, আর আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও জাহান্নামের আযাব থেকে সে নিষ্কৃতি পেয়ে যাবে। এ জন্য এক্ষেত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রগণ্য দু‘আ এটাই। তারপর এ দু‘আ ছাড়া অন্য যে কোন দু‘আও ইচ্ছা করলে করতে পারে। اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ رِضَاكَ وَالْجَنَّةَ، وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ غَضَبِكَ وَالنَّارِ
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)