মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)

৫- নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১৪৭৭
৪৯. প্রথম অনুচ্ছেদ - রজব মাসে কুরবানী।

ইসলাম-পূর্ব জাহেলিয়াত যুগে আরবেরা রজব মাসে তাহাদের ঠাকুর-দেবতাদের নামে ছাগল-ভেড়া উৎসর্গ করিত। ইহাকে আতীরা বা রজবিয়া বলা হইত। ইসলামের প্রথম দিকে মুসলমানরাও রজব মাসে আল্লাহর নামে ছাগল-ভেড়া উৎসর্গ করিতেন, কিন্তু পরে ইহা মানসুখ হইয়া যায়। আর কাহারও মতে এখনও জায়েয। (আশেঅ্যা)
১৪৭৭। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, তিনি বলিয়াছেন : এখন আর 'ফারা' নাই এবং আতীরাও নাই। রাবী বলেন, ‘ফারা’ হইল উট বা ছাগল-ভেড়ার প্রথম বাচ্চা, যাহা তাহারা তাহাদের ঠাকুর-দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করিত। আর আতীরা হইল রজব মাসে যাহা করিত। —মোত্তাঃ
بَابٌ فِي الْعَتِيْرَةِ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا فَرَعَ وَلَا عَتِيرَةَ» . قَالَ: وَالْفرع: أول نتاج كَانَ ينْتج لَهُمْ كَانُوا يَذْبَحُونَهُ لِطَوَاغِيتِهِمْ. وَالْعَتِيرَةُ: فِي رَجَبٍ

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীস হইতে বুঝা গেল যে, আতীরা এখন জায়েয নাই। উহা মানসুখ ।
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান