মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৫- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১২০৫
৩১. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - রাতের সালাত
১২০৫। হযরত আবু যর গেফারী (রাঃ) বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) রাতে (নামায পড়িতে) দাঁড়াইলেন এবং একটি মাত্র আয়াত পড়িতে পড়িতে সোবেহ করিয়া ফেলিলেন। আয়াতটি হইল এই—
“(খোদা!) যদি তুমি তাহাদের শাস্তি দাও (তাহা তুমি করিতে পার। কেননা,) তাহারা তোমার দাস, আর যদি তুমি তাহাদের ক্ষমা কর (তাহা তুমি করিতে পার। কেননা,) তুমি হইতেছ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।” –নাসায়ী ও ইবনে মাজাহ্
“(খোদা!) যদি তুমি তাহাদের শাস্তি দাও (তাহা তুমি করিতে পার। কেননা,) তাহারা তোমার দাস, আর যদি তুমি তাহাদের ক্ষমা কর (তাহা তুমি করিতে পার। কেননা,) তুমি হইতেছ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।” –নাসায়ী ও ইবনে মাজাহ্
وَعَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ: قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى أَصْبَحَ بِآيَةٍ وَالْآيَةُ: (إِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِنْ تَغْفِرْ لَهُمْ فَإنَّك أَنْت الْعَزِيز الْحَكِيم)
رَوَاهُ النَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه
رَوَاهُ النَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه
হাদীসের ব্যাখ্যা:
উক্তিটি হযরত ঈসা (আঃ)-এর। তিনি ইহা দ্বারা আল্লাহর দরবারে আপন উম্মতের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করিতেছেন। সম্ভবত নবী করীম (ﷺ)-ও আপন উম্মতকে স্মরণ করিয়াই এইরূপ করিয়াছেন।
ইহা দ্বারা বুঝা গেল যে, ভাবের তন্ময়তার সময় ফরয ব্যতীত অন্য নামাযে একটি আয়াত বা সূরাকে বার বার পড়া জায়েয আছে।
ইহা দ্বারা বুঝা গেল যে, ভাবের তন্ময়তার সময় ফরয ব্যতীত অন্য নামাযে একটি আয়াত বা সূরাকে বার বার পড়া জায়েয আছে।
