আল-আদাবুল মুফরাদ- ইমাম বুখারী রহঃ
আল-আদাবুল মুফরাদের পরিচ্ছেদসমূহ
হাদীস নং: ৩৩২
আল-আদাবুল মুফরাদের পরিচ্ছেদসমূহ
১৫২- লোকের দোষ অনুসন্ধানকারী।
৩৩২। হযরত আব্দুল্লাহ্ (রাযিঃ) বলেন, নবী করীম (ﷺ) বলিয়াছেনঃ মু’মিন খোঁটাদাতা, অভিশাপকারী, অশ্লীলভাষী প্রগলভ হইতে পারে না।
أبواب الأدب المفرد للبخاري
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: لَيْسَ الْمُؤْمِنُ بِالطَّعَّانِ، وَلاَ اللِّعَانِ، وَلاَ الْفَاحِشِ، وَلاَ الْبَذِي.
হাদীসের ব্যাখ্যা:
মন্দ কথা বলা, অশ্লিল বাক্য প্রয়োগ করা এবং কুৎসা রটনা করা জঘন্য অভ্যাস পরিহার করা আমাদের কর্তব্য।
[বিঃ দ্রঃ যে অন্যের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে সে বস্তুতঃ অন্যের সম্মান হানি করে এবং সমাজের মধ্যে বিবাদ-বিসম্বাদ সৃষ্টি করে। সে বস্তুতঃ এমন এক শত্রু যার শত্রুতার বিরুদ্ধে কোনরূপ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই। প্রকাশ্য দুশমনের তলোয়ারে আঘাতকে সহজে প্রতিরোধ করা যায় বা তার আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। কিন্তু ভর্ৎসনাকারীর আক্রমণ থেকে আবরু-ইযযত রক্ষা করা কঠিন।
অনুরূপভাবে মানুষের অমঙ্গল কামনাকারীও সমাজের শত্রু। অশ্লীল ও মন্দবাক্য প্রয়োগকারী মানুষের মনে আঘাত প্রদান করে। তাই ঈমানের সঙ্গে কখনও এ ধরনের মন্দ স্বভাব একত্রিত হতে পারে না। এ ধরনের গর্হিত আচরণ ঈমানের বিপরীত। বস্তুতঃ ঈমানদার ব্যক্তি অনুপম চরিত্র ও আখলাকের অধিকারী। নবী করীম (ﷺ) উপরোক্ত হাদীসে এ কথার প্রতিই ইঙ্গিত করেছেন।
[বিঃ দ্রঃ যে অন্যের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে সে বস্তুতঃ অন্যের সম্মান হানি করে এবং সমাজের মধ্যে বিবাদ-বিসম্বাদ সৃষ্টি করে। সে বস্তুতঃ এমন এক শত্রু যার শত্রুতার বিরুদ্ধে কোনরূপ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই। প্রকাশ্য দুশমনের তলোয়ারে আঘাতকে সহজে প্রতিরোধ করা যায় বা তার আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। কিন্তু ভর্ৎসনাকারীর আক্রমণ থেকে আবরু-ইযযত রক্ষা করা কঠিন।
অনুরূপভাবে মানুষের অমঙ্গল কামনাকারীও সমাজের শত্রু। অশ্লীল ও মন্দবাক্য প্রয়োগকারী মানুষের মনে আঘাত প্রদান করে। তাই ঈমানের সঙ্গে কখনও এ ধরনের মন্দ স্বভাব একত্রিত হতে পারে না। এ ধরনের গর্হিত আচরণ ঈমানের বিপরীত। বস্তুতঃ ঈমানদার ব্যক্তি অনুপম চরিত্র ও আখলাকের অধিকারী। নবী করীম (ﷺ) উপরোক্ত হাদীসে এ কথার প্রতিই ইঙ্গিত করেছেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)