মা'আরিফুল হাদীস
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
হাদীস নং: ১৭০
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
মজলিসে কথাবার্তা, হাসি-কৌতুক, হাঁচি ও হাই ইত্যাদি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উম্মতকে এ ব্যাপারেও স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন যে, কথাবার্তা বলার সময় কোন কোন বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। অনুরূপভাবে হাসি-কৌতুক ও কোন কথার উপর হাসতে গিয়ে অথবা হাঁচি ও হাই আসার মত ক্ষেত্রসমূহে কি রীতি অবলম্বন করতে হবে।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এ জাতীয় দিকনির্দেশনা ও শিক্ষার মূলবস্তু এই যে, বান্দা তার স্বভাবজাত ও সামাজিক চাহিদাসমূহ গাম্ভীর্যের সাথে ও সুন্দরভাবে পূর্ণ করবে। কিন্তু সর্বাবস্থায় আল্লাহকে এবং তাঁর সাথে নিজের বন্দেগীর সম্পর্ককে আর এরই সাথে তাঁর বিধি-বিধান এবং নিজের কর্ম ও ভূমিকার পরকালীন পরিণতিকে সামনে রাখবে।
জিহ্বার প্রয়োগ ও কথাবার্তা সম্পর্কে হুযুর (ﷺ)-এর মূল্যবান বাণীসমূহের যথেষ্ট অংশ মা'আরিফুল হাদীসের দ্বিতীয় খণ্ড (কিতাবুল আখলাক)-এ লিখে আসা হয়েছে। সত্য-মিথ্যা, মিষ্টিকথা ও কটুকথা, চোগলখোরী, দোষ অন্বেষণ, পরনিন্দা ও অপবাদ ইত্যাদি সম্পর্কে অনেক হাদীস সেখানে অতিক্রান্ত হয়েছে। এ জন্য কথাবার্তা ও জিহ্বার প্রয়োগ সম্পর্কে অবশিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের হাদীসই এখানে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে।
অপ্রয়োজনে কথা লম্বা না করা উচিত
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উম্মতকে এ ব্যাপারেও স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন যে, কথাবার্তা বলার সময় কোন কোন বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। অনুরূপভাবে হাসি-কৌতুক ও কোন কথার উপর হাসতে গিয়ে অথবা হাঁচি ও হাই আসার মত ক্ষেত্রসমূহে কি রীতি অবলম্বন করতে হবে।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এ জাতীয় দিকনির্দেশনা ও শিক্ষার মূলবস্তু এই যে, বান্দা তার স্বভাবজাত ও সামাজিক চাহিদাসমূহ গাম্ভীর্যের সাথে ও সুন্দরভাবে পূর্ণ করবে। কিন্তু সর্বাবস্থায় আল্লাহকে এবং তাঁর সাথে নিজের বন্দেগীর সম্পর্ককে আর এরই সাথে তাঁর বিধি-বিধান এবং নিজের কর্ম ও ভূমিকার পরকালীন পরিণতিকে সামনে রাখবে।
জিহ্বার প্রয়োগ ও কথাবার্তা সম্পর্কে হুযুর (ﷺ)-এর মূল্যবান বাণীসমূহের যথেষ্ট অংশ মা'আরিফুল হাদীসের দ্বিতীয় খণ্ড (কিতাবুল আখলাক)-এ লিখে আসা হয়েছে। সত্য-মিথ্যা, মিষ্টিকথা ও কটুকথা, চোগলখোরী, দোষ অন্বেষণ, পরনিন্দা ও অপবাদ ইত্যাদি সম্পর্কে অনেক হাদীস সেখানে অতিক্রান্ত হয়েছে। এ জন্য কথাবার্তা ও জিহ্বার প্রয়োগ সম্পর্কে অবশিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের হাদীসই এখানে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে।
অপ্রয়োজনে কথা লম্বা না করা উচিত
১৭০. হযরত আমর ইবনুল আস রাযি. থেকে বর্ণিত, একদিন এক ব্যক্তি তার উপস্থিতিতে (ওয়ায করতে) দাঁড়িয়ে খুব দীর্ঘ বক্তব্য রাখল। তিনি তখন বললেন, লোকটি যদি তার কথা সংক্ষিপ্ত করত, তাহলে তার জন্য ভালো হত। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি: আমি ভালো মনে করি অথবা বলেছেন, আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আমি যেন কথা সংক্ষেপে বলি। কেননা, সংক্ষিপ্ত কথাই উত্তম। আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَمْرِو ابْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ قَالَ: يَوْمًا وَقَامَ رَجُلٌ فَأَكْثَرَ الْقَوْلَ فَقَالَ عَمْرٌو: لَوْ قَصَدَ فِي قَوْلِهِ لَكَانَ خَيْرًا لَهُ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَقَدْ رَأَيْتُ، أَوْ قَالَ أُمِرْتُ، أَنْ أَتَجَوَّزَ فِي الْقَوْلِ، فَإِنَّ الْجَوَازَ هُوَ خَيْرٌ» (رواه ابوداؤد)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
অভিজ্ঞতা সাক্ষী যে, খুব দীর্ঘ বক্তব্য দ্বারা শ্রোতারা বিরক্ত হয়ে যায়। অনেক সময় দেখা গেছে যে, কোন বক্তব্য ও ওয়াযের প্রথম দিকে শ্রোতারা খুব মনোযোগী থাকে এবং ভালো প্রভাব গ্রহণ করে। কিন্তু বক্তব্য যখন অতিরিক্ত দীর্ঘ হয়ে যায়, তখন লোকজন বিরক্ত ও নিরাসক্ত হয়ে পড়ে এবং ঐ প্রভাবও নষ্ট হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)