মা'আরিফুল হাদীস

রোযা অধ্যায়

হাদীস নং: ১০৭
রোযা অধ্যায়
সফরের অবস্থায় রোযা
১০৭. হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন এক সফরে ছিলেন। এর মধ্যে তিনি মানুষের ভীড় দেখলেন এবং এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে, তার উপর ছায়া করে রাখা হয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: কি ব্যাপার? লোকেরা উত্তরে বলল, এ লোকটি রোযাদার, (গরমে কাতর হয়ে গিয়েছে। তাই ছায়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এ জন্যই এ ভীড় দেখা যাচ্ছে।) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন বললেন: সফরের অবস্থায় এভাবে রোযা রাখার তো কোন মানে হয় না। এতে কী সওয়াব! -বুখারী, মুসলিম
کتاب الصوم
عَنْ جَابِرِ قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ ، فَرَأَى زِحَامًا وَرَجُلًا قَدْ ظُلِّلَ عَلَيْهِ ، فَقَالَ : « مَا هَذَا؟ » ، فَقَالُوا : صَائِمٌ ، فَقَالَ : « لَيْسَ مِنَ البِرِّ الصَّوْمُ فِي السَّفَرِ »
(رواه البخارى ومسلم)

হাদীসের ব্যাখ্যা:

হুযুর (ﷺ)-এর উদ্দেশ্য এ ছিল যে, যেহেতু সফরের অবস্থায় আল্লাহ্ তা'আলা রোযা না রাখার অনুমতি ও অবকাশ দিয়েছেন, আর আমি নিজেও এর উপর আমল করি। তাই মুসলমানদের কারো জন্য এ অবস্থায় রোযা রাখা যে, নিজেও পড়ে যায় আর অন্যরাও তার খেদমতে ব্যস্ত হতে বাধ্য হয়ে যায়, এটা তো কোন পুণ্যের কাজ নয়। এমন অবস্থায় তো আল্লাহর দেওয়া অবকাশের উপর আমল করে রোযা ছেড়ে দেওয়াই উচিত। আর এতেই থাকবে আল্লাহর সন্তুষ্টি।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান