মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
হাদীস নং: ১৩২
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: মুমিনের সাহায্য ও তার সম্মানের উপর হস্তক্ষেপ প্রতিরোধ সম্পর্কে
১৩২. মুয়ায ইবনে আনাস আল-জুহানী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী করিম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কোন মুমিনকে মুনাফিকের দোষারূপ থেকে রক্ষা করে, আল্লাহ্ তা'আলা কিয়ামতের দিন জাহান্নামের আগুন থেকে তার দেহকে রক্ষা করার জন্য ফেরেশতা পাঠাবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুমিনকে দুর্নামের অপবাদ দেবে, আল্লাহ তাকে জাহান্নামের পুলে বন্দী করে রাখবেন যতক্ষণ না সে তার মুখ থেকে সে কথা প্রত্যাহার করে।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في نصرة المؤمن والرد عن عرضه
عن معاذ بن أنس الجهنى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من حمى مؤمنا من منافق يعيبه بعث الله تبارك وتعالى ملكا يحمي لحمه يوم القيامة من نار جهنم ومن رمى مؤمنا بشيء يريد شينه حبسه الله على جسر جهنم حتى يخرج مما قال
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হাদীসটির মর্ম এই যে, কোন মুসলমানকে দূষী ও অপমান করার জন্য তার প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা এমন জঘন্য ও কঠিন গুনাহ যে, এ কাজে লিপ্ত ব্যক্তি যদি মুসলমানদের মধ্য থেকেও হয়, তবুও তাকে জাহান্নামের একাংশে (যাকে হাদীসে জাহান্নামের সেতু বলা হয়েছে)। ঐ সময় পর্যন্ত বন্দী করে রাখা হবে, যে পর্যন্ত আগুনে জ্বলে পুড়ে নিজের এ গুনাহর অপবত্রিতা থেকে পাক-পবিত্র না হয়ে যাবে।
হাদীসের বাহ্যিক শব্দমালা দ্বারা বুঝা যায় যে, এ গুনাহ ক্ষমার অযোগ্য। কিন্তু বর্তমানে আমাদের সাধারণ মুসলমানদের- এমনকি বিশেষ শ্রেণীর কাছেও এটা একটা মজার কাজ বলে বিবেচিত হয়।
اللهم احفظنا ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا
হাদীসের বাহ্যিক শব্দমালা দ্বারা বুঝা যায় যে, এ গুনাহ ক্ষমার অযোগ্য। কিন্তু বর্তমানে আমাদের সাধারণ মুসলমানদের- এমনকি বিশেষ শ্রেণীর কাছেও এটা একটা মজার কাজ বলে বিবেচিত হয়।
اللهم احفظنا ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)