মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
হাদীস নং: ১৭৬
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: 'সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য স্ত্রী সম্ভোগ বৈধ করা হয়েছে।'(১)
১৭৬। বারা ইবন 'আযিব (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহাম্মদ (ﷺ) এর সাহাবীদের মধ্যে এক
ব্যক্তি রোজা রাখল, ইফতারের সময় হলে সে কোন কিছু না খেয়েই ঘুমিয়ে গেল, সে ঐ রাতে কিছু খায়নি এবং পরবর্তী দিনেও কিছু খায় নি, এভাবে বিকাল হয়ে গেল। (অপর এক বর্ণনামতে) অমুক আনসার ব্যক্তি(২) রোজা রাখল, ইফতারের সময় হলে তার স্ত্রীর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞাসা করল, তোমার নিকট কি কোন খাবার আছে? স্ত্রী বলল, না, তবে আমি গিয়ে তোমার জন্য খাবার নিয়ে আসছি। এক পর্যায়ে সে ঘুমিয়ে পড়ল। তার স্ত্রী ফিরে এসে তাকে ঘুমন্ত দেখে বলল, তোমার জন্য দূর্ভাগ্য। এভাবে রাত গড়িয়ে সকাল হয়ে দিনের মধ্যভাগে ঐ ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট এ খবর পৌঁছলে তখন নাজিল হল, "সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য স্ত্রী সম্ভোগ বৈধ করা হয়েছে। তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। আল্লাহ জানেন যে, তোমরা নিজেদের প্রতি অবিচার করছিলে। অতঃপর তিনি তোমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হয়েছেন এবং তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করেছেন। সুতরাং এখন তোমরা তাদের সাথে মিলিত হও এবং আল্লাহ যা তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন তা কামনা কর। আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ রাতের কৃষ্ণরেখা হতে উষার শুভ্র রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়। "বারা ইব্ন 'আযিব থেকে অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে, তোমাদের মধ্যে যদি কেউ ঘুমিয়ে যায়... অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ববর্তী হাদীসের মত শব্দমালা উল্লেখ করে বলেন আবূ কায়স ইবন আমর (রা) এর ব্যাপারে আয়াত খানা নাজিল হয়েছে।
(বুখারী, আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থ সূত্র।)
টিকাঃ ১. আল-কুরআন, ০২: ১৮৭
২. তিনি কায়েস ইন ছিরমা (রা)।
ব্যক্তি রোজা রাখল, ইফতারের সময় হলে সে কোন কিছু না খেয়েই ঘুমিয়ে গেল, সে ঐ রাতে কিছু খায়নি এবং পরবর্তী দিনেও কিছু খায় নি, এভাবে বিকাল হয়ে গেল। (অপর এক বর্ণনামতে) অমুক আনসার ব্যক্তি(২) রোজা রাখল, ইফতারের সময় হলে তার স্ত্রীর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞাসা করল, তোমার নিকট কি কোন খাবার আছে? স্ত্রী বলল, না, তবে আমি গিয়ে তোমার জন্য খাবার নিয়ে আসছি। এক পর্যায়ে সে ঘুমিয়ে পড়ল। তার স্ত্রী ফিরে এসে তাকে ঘুমন্ত দেখে বলল, তোমার জন্য দূর্ভাগ্য। এভাবে রাত গড়িয়ে সকাল হয়ে দিনের মধ্যভাগে ঐ ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট এ খবর পৌঁছলে তখন নাজিল হল, "সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য স্ত্রী সম্ভোগ বৈধ করা হয়েছে। তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। আল্লাহ জানেন যে, তোমরা নিজেদের প্রতি অবিচার করছিলে। অতঃপর তিনি তোমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হয়েছেন এবং তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করেছেন। সুতরাং এখন তোমরা তাদের সাথে মিলিত হও এবং আল্লাহ যা তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন তা কামনা কর। আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ রাতের কৃষ্ণরেখা হতে উষার শুভ্র রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়। "বারা ইব্ন 'আযিব থেকে অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে, তোমাদের মধ্যে যদি কেউ ঘুমিয়ে যায়... অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ববর্তী হাদীসের মত শব্দমালা উল্লেখ করে বলেন আবূ কায়স ইবন আমর (রা) এর ব্যাপারে আয়াত খানা নাজিল হয়েছে।
(বুখারী, আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থ সূত্র।)
টিকাঃ ১. আল-কুরআন, ০২: ১৮৭
২. তিনি কায়েস ইন ছিরমা (রা)।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب أحل لكم ليلة الصيام الرفث إلى نسائكم
عن البراء قال كان أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم اذا كان الرجل صائما فحضر الافطار فنام قبل ان يفطر لم يأكل ليلته ولا يومه حتى يمسي وان فلانا (4) الانصاري كان صائما فلما حضره الافطار اتى امرأته فقال هل عندك من طعام؟ قالت لا ولكن انطلق فاطلب لك فغلبته عينه وجاءته امرأته فلما رأته قالت خيبة لك فأصبح فلما انتصف النهار غشي عليه فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فنزلت هذه الآية (أحل لكم ليلة الصيام الرفث إلى نسائكم) (1) إلى قوله تعالى (حتي يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود) (وعنه من طريق ثان) (2) ان احدهم كان إذا نام فذكر نحوا من حديث اسرائيل إلا أنه قال نزلت في ابي قيس بن عمرو