মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
হাদীস নং: ৯২
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: কিরাআত সম্পর্কিত আলোচনা ও এ ব্যাপারে সাহাবীদের মাঝে মত পার্থক্য।
৯২। উবাই ইব্ন কা'ব (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মসজিদে ছিলাম এমন সময় এক ব্যক্তি এসে এমন পদ্ধতিতে পাঠ করল, যা আমি পছন্দ করিনি, অতঃপর অপর এক ব্যক্তি আসল এবং তার সঙ্গীর চেয়ে ভিন্নভাবে সে পাঠ করল। তখন আমরা সবাই মিলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট গেলাম এবং তাঁর দরবারে ঢুকলাম। আমি বললাম ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ ব্যক্তি এমন পদ্ধতিতে কুরআন পাঠ করল যা আমি পছন্দ করিনি, তারপর ঐ ব্যক্তি এসে এমনভাবে পাঠ করলো যা তার সঙ্গীর পাঠ হতে ভিন্ন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে বললেন, তোমরা দু'জন পড়। অতঃপর তারা পড়লে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন তোমরা ঠিক পড়েছো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে এ কথা বললে তা আমার কাছে দুরুহ মনে হলো, যদিও আমি তখন জাহেলী যুগে ছিলাম না। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর যখন আমার চেহারায় বিমর্ষতা লক্ষ্য করলেন, তখন তিনি আমার বুকে হাত মারলেন, তাতে আমি ঘর্মাক্ত হয়ে গেলাম। মনে হচ্ছিল আমি ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে আল্লাহর দিকেই তাকিয়ে আছি। তখন তিনি বললেন, হে উবাই! আমার প্রতিপালক আমার নিকট নির্দেশ পাঠালেন যাতে আমি একটি উচ্চারণ ভঙ্গিতে কুরআন তিলাওয়াত করি। তখন আমার উম্মতের জন্য সহজ করার জন্য তাঁর মুখাপেক্ষী হলাম। অতঃপর আমাকে জানানো হলো আমি যেন দুটি উচ্চারণ ভঙ্গিতে কুরআন তিলাওয়াত করি। তখন আমার উম্মতের জন্য সহজতর করার জন্য আবারও তাঁর মুখাপেক্ষী হলাম। অতঃপর আমাকে জানানো হলো আমি যেন সাতটি উচ্চারণ ভঙ্গিতে কুরআন তিলাওয়াত করি এবং বলা হলো প্রতিবার তাঁর মুখাপেক্ষী হওয়ার বিপরীতে আপনাকে একটি করে প্রার্থনার সুযোগ দেয়া হলো (যা কবুল হওয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি বললাম হে আল্লাহ! আমার উম্মতকে ক্ষমা করুন হে আল্লাহ! আমার উম্মতকে ক্ষমা করুন, আর তৃতীয়টি আমি সেই দিনের জন্য অবশিষ্ট রাখলাম যেদিন ইবরাহীম (আ) সহ সকল সৃষ্ট জীব আমার প্রতি অনুরক্ত থাকবে।(১)
(মুসলিম)
টিকা: ১. কিয়ামতের দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রাপ্ত শাফায়াতের ক্ষমতাকে বুঝানো হয়েছে।
(মুসলিম)
টিকা: ১. কিয়ামতের দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রাপ্ত শাফায়াতের ক্ষমতাকে বুঝানো হয়েছে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء من ذلك عاما واختلاف الصحابة فيه
عن أبي بن كعب قال كنت في المسجد فدخل رجل فقرأ قراءة أنكرتها عليه ثم دخل آخر فقرأ قراءة سوى قراءة صاحبه فقمنا جميعا فدخلنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إن هذا قرأ قراءة أنكرتها عليه ثم دخل هذا فقرأ قراءة غير قراءة صاحبه فقال لهما النبي صلى الله عليه وسلم اقرآ فقرآ قال أصبتما فلما قال لهما النبي صلى الله عليه وسلم الذي قال كبر على ولا إذ كنت في الجاهلية (4) فلما رأى الذي غشيني ضرب في صدري فقضت عرقا (5) وكأنما أنظر إلى الله تبارك وتعالى فرقا فقال يا أبي ان ربي تبارك وتعالى أرسل إلي (6) أن اقرأ القرآن على حرف (7) فرددت إليه أن هون على أمتي (8) فأرسل إلي أن اقرأه على حرفين فرددت إليه أن هون على أمتي فأرسل إلي أن اقرأه على سبعة أحرف ولك بكل ردة (9) مسألة تسألنيها قال قلت اللهم اغفر لأمتي اللهم اغفر لأمتي وأخرت الثالثة (10) ليوم يرغب إلي فيه الخلق (11) حتى ابراهيم عليه الصلاة والسلام