মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
হাদীস নং: ৯৩
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: কিরাআত সম্পর্কিত আলোচনা ও এ ব্যাপারে সাহাবীদের মাঝে মত পার্থক্য।
৯৩। আমর ইবনুল আসের আযাদকৃত দাস আবু কায়স (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমর ইবন 'আস শুনতে পেলেন এক ব্যক্তি কুরআনের একটি আয়াত তিলাওয়াত করছে। তখন তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাকে আয়াতটি কে শিখিয়েছেন? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। তখন আমর ইব্ন আস (রা) বললেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে এ আয়াতটি অন্যভাবে লিখিয়েছেন। অতঃপর তারা দু'জন মিলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট গেলেন। তাদের একজন বললেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অমুক অমুক আয়াত এই বলে তিনি আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এভাবেই নাজিল হয়েছে। অতঃপর অপর ব্যক্তি বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। তারপর তিনি আয়াতটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে পড়ে শুনালেন এবং বললেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আয়াতটি কি এরূপ নয়? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এভাবেই নাজিল হয়েছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এ কুরআন সাতটি উচ্চারণ ভঙ্গিতে নাজিল হয়েছে। তোমরা তার যেকোন একটি ভঙ্গিতে উচ্চারণ করলেই সঠিক করবে, আর তোমরা এ ব্যাপারে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হবে না, কেননা এ ব্যাপারে ঝগড়া করা কুফরী অথবা কুফরীর লক্ষণ।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء من ذلك عاما واختلاف الصحابة فيه
عن أبي قيس مولى عمرو بن العاص قال سمع عمرو بن العاص رجلا يقرأ آية من القرآن فقال من أقرأكها؟ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فقد أقرأنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم على غير هذا فذهبا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أحدهما يا رسول الله آية كذا وكذا ثم قرأها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هكذا انزلت فقال الآخر يا رسول الله فقرأها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أليس هكذا يا رسول الله؟ قال هكذا أنزلت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن هذا القرآن أنزل على سبعة أحرف (1) فأي ذلك قرأتم فقد أحسنتم ولا تماروا فيه فإن المراء فيه كفر (2) أو آية الكفر