মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
হাদীস নং: ৮৯
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: উসমান (রা) এর সাহীফার ব্যাপারে আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)-এর অভিমত।
৮৯। আব্দুর রহমান ইবন আবিস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ (ইবন মাসউদ বা) এর সঙ্গীদের মধ্যে হতে জনৈক হামাদানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি তার নাম আমাদের নিকট উল্লেখ করেননি, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) যখন মদীনায় আসতে চাইলেন, তখন তিনি তার সঙ্গীদেরকে একত্রিত করে বললেন, আল্লাহর কসম। আমি আশা করি আজ এমন দিন এসেছে যখন দ্বীন, ফিকহ ও কুরআন শিখার ব্যাপারে মুসলিম নেতৃবৃন্দ যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তোমাদের মধ্য থেকে তাদের তুলনায় উত্তম লোকের উপস্থিতি বিদ্যমান। নিঃসন্দেহে কুরআন এমন একটি গ্রন্থ যা কয়েকটি উচ্চারণরীতিতে নাজিল হয়েছে, আল্লাহর কসম। এই উচ্চারণ নিয়ে দুব্যক্তির মধ্যে এমন কঠিন ঝগড়া হত যেমনটা অন্য কিছু নিয়ে কখনও হত না। যখন কোন পাঠক বলত নবী (ﷺ) আমাকে এভাবে পড়িয়েছেন তারপর বিষয়টা তাঁর কাছে উত্থাপন করা হত। তিনি বলতেন, তুমি সঠিক পড়েছ। আবার অন্যজন যখন অন্যরকম পড়ত তখন তিনি বলতেন তোমাদের দু'জনই সঠিক পড়েছ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে পড়িয়েছেন, সত্য কল্যাণের পথ দেখায়, আর কল্যাণ জান্নাতের পথ দেখায়। অপরদিকে মিথ্যা পাপাচারের পথ দেখায় আর পাপাচার জাহান্নামের পথ দেখায়। তাই তোমাদের কেউ যখন তার সঙ্গীকে বলে সে মিথ্যা বলেছে এবং পাপের কাজ করেছে তখন তা দিয়ে উপদেশ গ্রহণ করো। আবার উপদেশ গ্রহণ করো যখন কেউ সত্য কথা বললে সে বলে তুমি সত্য বলেছো এবং ন্যায়ের কাজ করেছো। কুরআন এমন একটি গ্রন্থ যাতে স্ববিরোধিতা নেই। এটা পুরানো হয় না এবং অধিক পুনরালোচনার কারণে বিস্বাদ হয় না। তাই কেউ যদি উচ্চারণ ভঙ্গিতে কুরআন তিলাওয়াত করে তবে সে যেন তার প্রতি অনাগ্রহী হয়ে তা ছেড়ে না দেয়। আবার অন্য কেউ যদি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর শিখানো অন্যকোন উচ্চারণ ভঙ্গিতে তিলাওয়াত করে তাও যেন সে অনাগ্রহী হয়ে পরিত্যাগ না করে। আর যদি কেউ কোন আয়াতকে অস্বীকার করে সে যেন পূর্ণাঙ্গ কুরআনকেই অস্বীকার করে, সে যেন পূণাঙ্গ কুরআনকেই অস্বীকার করলো। এটা যেন তোমাদের কারও সঙ্গীকে লক্ষ্য করে إِعْجَلْ (শীঘ্র কর) ও حَيَّ هَلا (তাড়াতাড়ি কর) বলার মত (অর্থাৎ উভয় অবস্থায়ই অর্থ একই
আল্লাহর কসম! আল্লাহ মুহাম্মদ এর ওপর কুরআন যেভাবে নাজিল করেছেন সে ব্যাপারে আমার তুলনায় অধিক জ্ঞাত কোন ব্যক্তির তথ্য যদি আমি জানতাম তবে আমি তাকে খুঁজে নিতাম এবং আমার জ্ঞানের সাথে তাঁর জ্ঞানকে মিলিয়ে নিতাম। এমন এক সময় আসবে যখন মানুষেরা সালাতকে মেরে ফেলবে। তারা যথা সময়ে সালাত আদায় করবে কিন্তু তোমরা তোমাদের সালাতকে তাদের সাথে নফল বানিয়ে নিও। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রতি রমজানে কুরআনের নাজিলকৃত অংশের পুরোটাই একবার পূনঃপাঠ করতেন এবং তিনি যে বছর ইন্তেকাল করলেন সে বছর আমি দু'বার তাঁর সামনে কুরআন পূনঃপাঠ করলাম। তিনি আমাকে বললেন আমি সার্বিক পাঠ করেছি। আর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মুখ হতে সত্তরটি সূরা লিখেছি।
আল্লাহর কসম! আল্লাহ মুহাম্মদ এর ওপর কুরআন যেভাবে নাজিল করেছেন সে ব্যাপারে আমার তুলনায় অধিক জ্ঞাত কোন ব্যক্তির তথ্য যদি আমি জানতাম তবে আমি তাকে খুঁজে নিতাম এবং আমার জ্ঞানের সাথে তাঁর জ্ঞানকে মিলিয়ে নিতাম। এমন এক সময় আসবে যখন মানুষেরা সালাতকে মেরে ফেলবে। তারা যথা সময়ে সালাত আদায় করবে কিন্তু তোমরা তোমাদের সালাতকে তাদের সাথে নফল বানিয়ে নিও। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রতি রমজানে কুরআনের নাজিলকৃত অংশের পুরোটাই একবার পূনঃপাঠ করতেন এবং তিনি যে বছর ইন্তেকাল করলেন সে বছর আমি দু'বার তাঁর সামনে কুরআন পূনঃপাঠ করলাম। তিনি আমাকে বললেন আমি সার্বিক পাঠ করেছি। আর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মুখ হতে সত্তরটি সূরা লিখেছি।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب رأي ابن مسعود رضي الله عنه في مصاحف عثمان
عن عبد الرحمن بن عابس قال حدثنا رجل من همدان من أصحاب عبد الله (يعني ابن مسعود رضي الله عنه وما سماه لنا قال لما أراد عبد الله أن يأتي المدينة جمع أصحابه فقال والله اني لأرجو أن يكون قد أصبح اليوم فيكم من أفضل ما أصبح في اجناد المسلمين (2) من الدين والفقه والعلم بالقرآن إن هذا القرآن أنزل على حروف (3) والله ان كان الرجلان ليختصمان أشد ما اختصما في شيء قط فإذا قال القارئ هذا أقرأني قال احسنت وإذا قال الآخر قال كلاكما محسن (4) فأقرأ أن الصدق يهدي إلى البر والبر يهدي إلى الجنة والكذب يهدي إلى الفجور والفجور يهدي إلى النار واعتبروا ذاك بقول أحدكم لصاحبه كذب وفجر وبقوله اذا صدقه صدقت وبررت (5) ان هذا القرآن لا يختلف ولا يستشن (6) ولا يتفه لكثرة الرد فمن قرأه على حرف فلا يدعه رغبة عنه ومن قرأه على شيء من تلك الحروف التي علم رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا يدعه رغبة عنه فإن من يجحد بآية يجحد به كله فإنما هو كقول أحدكم لصاحبه أعجل (7) وحيي هلا والله لو أعلم رجلا أعلم بما أنزل الله على محمد صلى الله عليه وسلم مني لطلبته حتى أزداد علمه إلى علمي (8) إنه سيكون قوم يميتون الصلاة فصلوا الصلاة لوقتها واجعلوا صلاتكم معهم تطوعا (9) وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعارض بالقرآن في كل رمضان (10) واني عرضت في العام الذي قبض فيه مرتين فأنبأني أني محسن وقد قرأت من في رسول الله صلى الله عليه وسلم سبعين سورة