মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়

হাদীস নং: ৮৮
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: উসমান (রা) এর সাহীফার ব্যাপারে আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)-এর অভিমত।
৮৮। খুমাইর ইবন মালিক (র) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন উসমান (রা)-এর নির্দেশে প্রস্তুতকৃত সহীফাসমূহ বিভিন্ন প্রদেশে বিতরণের ব্যবস্থা করতে বলা হল, তখন আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) বললেন তোমাদের মধ্যে কেউ যদি তার নিকট রক্ষিত সাহীফা গোপন করতে চায়(১) সে যেন তাই করে। কেননা কেউ কোন জিনিস গোপন করলে যে সে তা সহকারে কিয়ামতের দিন হাজির হবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি (রা) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পবিত্র কণ্ঠে সত্তরটি সূরা লিখেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মুখে যা শুনেছি তা কি ছেড়ে দিব? (অপর এক বর্ণনা মতে) আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পবিত্র কণ্ঠে সত্তরটি সূরা লিখেছি। আর যায়দ ইব্‌ন সাবিত (রা) কুরআনের ব্যাপারে তখন ছিল শিশু।(২)
টিকা:
১. ইবন মাসউদ (রা) এর যুক্তি ছিল আল্লাহ আল কুরআনকে আরবী ভাষায় নাজিল করেছেন, কেবলমাত্র কুরায়শদের ভাষায় নয়, তাই কুরআনের সরল লেখনী পুড়িয়ে ফেলে কুরাইশদের উচ্চারণ অনুসারে কুরআন সংকলন করার ব্যাপারে তিনি প্রথম দিকে বিরোধী ছিলেন। পরে অকাল তিনি এ মত প্রত্যাহার করেছিলেন।
২. যাইদ ইবন সাবিত (রা) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ওহী লেখক হলেও তিনি ইবন মাসউদ (রা) এর চেয়ে নবীন ছিলেন।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب رأي ابن مسعود رضي الله عنه في مصاحف عثمان
عن خمير بن مالك قال أمر بالمصاحف أن تغير (2) قال قال ابن مسعود من استطاع منكم أن يغل مصحفة فليغله (3) فإن من غل شيئا جاء به يوم القيامة قال ثم قال قرأت من فم رسول الله صلى الله عليه وسلم سبعين سورة أفأترك ما أخذت من في رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم (وفي رواية) قرأت من في رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم سبعين سورة (4) وان زيد بن ثابت له ذؤابة في الكتاب
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান