মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
হাদীস নং: ৩২৪
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: ইয়াহুদী নেতা মারহাবের হত্যাকাণ্ড ও তার হত্যাকারী। এতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মু'জিযা রয়েছে। এতে হযরত আলী ইব্ন আবু তালেবেরও গৌরবজনক কীর্তি রয়েছে
৩২৪. আবূ নজর, ইকরিমা ও ইয়াস ইবন্ সালামাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমার পিতা (সালামাহ ইবন আকওয়া) আমাকে জানিয়েছেন যে, খায়বার দিবসে আমার চাচা আমির মারহাব ইয়াহূদীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে লিপ্ত হয়েছিলেন। মারহাব তখন বলল,
قَدْ عَلِمَتْ خَيْبَرُ أَنِّي مَرْحَبُ ... شَاكي السِّلَاحِ بَطَلٌ مُجَرَّبُ
إِذَا الْحُرُوبُ أَقْبَلَتْ تَلَهَبُ
খায়বার ভূমি জানে যে, আমি মারহাব। আমি অস্ত্র-সজ্জিত অভিজ্ঞ বীর যোদ্ধা। যুদ্ধ যখন শুরু হয় তখন তার শিখাময় অগ্নিরূপ লাভ করে।
প্রত্যুত্তরে আমার চাচা আমির বলেছিলেন-
قَدْ عَلِمَتْ خَيْبَرُ أَنِّي عَامِرُ ... شَاكي السَّلَاحِ بَطَلٌ مُغَامِرُ
খায়বার ভূমি চিনে যে, আমি আমির। আমি অস্ত্রসজ্জিত যোদ্ধা আগ্রাসী নেতা।
অতঃপর তাদের দুজনের মধ্যে তরবারি বিনিময় শুরু হয়। মারহাবের তরবারির আঘাত পতিত হয় আমিরের ঢালের উপর। তিনি নীচ দিয়ে মারহাবকে আঘাতের চেষ্টা করেন। দুর্ঘটনাবশতঃ তাঁর তরবারি তাঁরই পায়ের নালাতে আঘাত করে, তাতে তাঁর পায়ের রগ কেটে যায়। এতে তিনি মারা যান। সালামাহ ইব্ন আকওয়া বলল, কয়েকজন সাহাবীর সাথে আমার সাক্ষাত হয়। তাঁরা বললেন আমিরের আমল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সে আত্মহত্যা করেছে। সালামাহ্ বলেন, এসময়ে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট আসি। আমি তখন কাঁদছিলাম। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমিরের আমলগুলো তো নষ্ট হয়ে গেল। তিনি বললেন, এ কথা কে বলেছে? আমি বললাম, আপনার কয়েকজন সাহাবী তা বলেছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যারা এটা বলেছে তারা অসত্য বলেছে। আমির বরং দ্বিগুণ ছাওয়াব পাবে।
সালামা বলেন, আমির যখন খায়বার অভিযানে বের হন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাহাবীগণকে নিয়ে যুদ্ধগীতি আবৃত্তি করেছিলেন। যুদ্ধগীত গেয়ে গেয়ে তিনি বাহনগুলো পরিচালনা করছিলেন। কাফেলাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)ও ছিলেন। আমির বলছিলেন-
تَاللهِ لَوْلَا اللَّهُ مَا اهْتَدَيْنَا . وَلَا تَصَدَّقْنَا وَلَا صَلَّيْنَا
আল্লাহর কসম তিনি না থাকলে আমরা সৎপথ পেতাম না-সাদকাও করতাম না, নামাযও আদায় করতাম না।
إِنَّ الَّذِينَ قَدْ بَغَوْا عَلَيْنَا إِذَا أَرَادُوا فِتْنَةٌ أَبَيْنَا
যারা আমাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে তারা যখন কোন ফিতনা ও বিশৃংখলায় আমাদেরকে জড়াতে চায় আমরা তা প্রত্যাখ্যান করি।
وَنَحْنُ عَنْ فَضْلِكَ مَا اسْتَغْنَيْنَا . فَثَبَتِ الْأَقْدَامَ إِنْ لَا قَيْنَا
আপনার দয়া ও অনুগ্রহ থেকে আমরা কখনো বিমুখ হই না। আমরা যখন পরস্পর মুখোমুখি হব তখন আপনি আমাদের পা-গুলো অটল ও অবিচল রাখুন।
وَأَنْزِ لَنْ سَكِينَةً عَلَيْنَا
আপনি আমাদের প্রতি শান্তি নাযিল করুন।
আমিরের যুদ্ধ-সঙ্গীত শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এই লোক কে? উত্তরে সে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আমির। তিনি বললেন মহান প্রভু তোমাকে ক্ষমা করুন। বর্ণনাকারী বলেন, ইতিপূর্বে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যার জন্যেই ব্যক্তিগত ও খাসভাবে ক্ষমা কামনা করেছেন সে শাহাদাত বরণ করেছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ক্ষমা প্রার্থনা বিষয়টি শুনে হযরত উমার (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ আমিরকে দিয়ে যদি আমাদেরকে আরো উপকৃত করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমির যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেন এবং শহীদ হলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে আলী (রা) এর নিকট পাঠালেন এবং বললেন আজ আমি পতাকা দিব এমন এক ব্যক্তিকে যে আল্লাহকে এবং তাঁর রাসূলকে ভালবাসে আর আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলও তাকে ভালবাসে। আমি হযরত আলী (রা) কে নিয়ে আসছিলাম। তিনি চক্ষুরোগে ভুগছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আলী (রা) এর চোখে নিজের থুথু দিয়ে দেন। হযরত আলী (রা) পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন। এরপর তাঁর হাতে পতাকা দিয়ে দেন। এরপর মারহাব তার উন্মুক্ত তরবারি নিয়ে বের হয় এবং বলে-
قَدْ عَلِمَتْ خَيْبَرٌ أَنِّي مَرْحَبُ … شَاكي السَّلَاحِ بَطَلٌ مُجَرَّبُ
إِذَا الْحُرُوبُ أَقْبَلَتْ تَلَهَبُ
তদুত্তরে হযরত আলী (রা) বললেন-
أَنَا الَّذِي سَمَّتْنِي أُتِي حَيْدَرَةً … كَلَيْثِ غَابَاتٍ كَرِيْهِ الْمَنْظَرَةُ
أُوفِيْهِمْ بِالصَّاعِ كَيْلَ السَّنْدَرَةُ
আমার মা আমাকে হায়দার নাম রেখেছেন। আমি হলাম গহীন বনের সিংহের ন্যায় ভীতিকর। শত্রুপক্ষের আক্রমণের শতভাগ প্রতিআক্রমণ আমি পরিচালনা করি।
তিনি অতঃপর তরবারির আঘাতে মারহাবের মাথা দ্বিখণ্ডিত করে দেন। এবং তাঁর হাতে খায়বার বিজিত হয়।
قَدْ عَلِمَتْ خَيْبَرُ أَنِّي مَرْحَبُ ... شَاكي السِّلَاحِ بَطَلٌ مُجَرَّبُ
إِذَا الْحُرُوبُ أَقْبَلَتْ تَلَهَبُ
খায়বার ভূমি জানে যে, আমি মারহাব। আমি অস্ত্র-সজ্জিত অভিজ্ঞ বীর যোদ্ধা। যুদ্ধ যখন শুরু হয় তখন তার শিখাময় অগ্নিরূপ লাভ করে।
প্রত্যুত্তরে আমার চাচা আমির বলেছিলেন-
قَدْ عَلِمَتْ خَيْبَرُ أَنِّي عَامِرُ ... شَاكي السَّلَاحِ بَطَلٌ مُغَامِرُ
খায়বার ভূমি চিনে যে, আমি আমির। আমি অস্ত্রসজ্জিত যোদ্ধা আগ্রাসী নেতা।
অতঃপর তাদের দুজনের মধ্যে তরবারি বিনিময় শুরু হয়। মারহাবের তরবারির আঘাত পতিত হয় আমিরের ঢালের উপর। তিনি নীচ দিয়ে মারহাবকে আঘাতের চেষ্টা করেন। দুর্ঘটনাবশতঃ তাঁর তরবারি তাঁরই পায়ের নালাতে আঘাত করে, তাতে তাঁর পায়ের রগ কেটে যায়। এতে তিনি মারা যান। সালামাহ ইব্ন আকওয়া বলল, কয়েকজন সাহাবীর সাথে আমার সাক্ষাত হয়। তাঁরা বললেন আমিরের আমল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সে আত্মহত্যা করেছে। সালামাহ্ বলেন, এসময়ে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট আসি। আমি তখন কাঁদছিলাম। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমিরের আমলগুলো তো নষ্ট হয়ে গেল। তিনি বললেন, এ কথা কে বলেছে? আমি বললাম, আপনার কয়েকজন সাহাবী তা বলেছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যারা এটা বলেছে তারা অসত্য বলেছে। আমির বরং দ্বিগুণ ছাওয়াব পাবে।
সালামা বলেন, আমির যখন খায়বার অভিযানে বের হন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাহাবীগণকে নিয়ে যুদ্ধগীতি আবৃত্তি করেছিলেন। যুদ্ধগীত গেয়ে গেয়ে তিনি বাহনগুলো পরিচালনা করছিলেন। কাফেলাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)ও ছিলেন। আমির বলছিলেন-
تَاللهِ لَوْلَا اللَّهُ مَا اهْتَدَيْنَا . وَلَا تَصَدَّقْنَا وَلَا صَلَّيْنَا
আল্লাহর কসম তিনি না থাকলে আমরা সৎপথ পেতাম না-সাদকাও করতাম না, নামাযও আদায় করতাম না।
إِنَّ الَّذِينَ قَدْ بَغَوْا عَلَيْنَا إِذَا أَرَادُوا فِتْنَةٌ أَبَيْنَا
যারা আমাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে তারা যখন কোন ফিতনা ও বিশৃংখলায় আমাদেরকে জড়াতে চায় আমরা তা প্রত্যাখ্যান করি।
وَنَحْنُ عَنْ فَضْلِكَ مَا اسْتَغْنَيْنَا . فَثَبَتِ الْأَقْدَامَ إِنْ لَا قَيْنَا
আপনার দয়া ও অনুগ্রহ থেকে আমরা কখনো বিমুখ হই না। আমরা যখন পরস্পর মুখোমুখি হব তখন আপনি আমাদের পা-গুলো অটল ও অবিচল রাখুন।
وَأَنْزِ لَنْ سَكِينَةً عَلَيْنَا
আপনি আমাদের প্রতি শান্তি নাযিল করুন।
আমিরের যুদ্ধ-সঙ্গীত শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এই লোক কে? উত্তরে সে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আমির। তিনি বললেন মহান প্রভু তোমাকে ক্ষমা করুন। বর্ণনাকারী বলেন, ইতিপূর্বে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যার জন্যেই ব্যক্তিগত ও খাসভাবে ক্ষমা কামনা করেছেন সে শাহাদাত বরণ করেছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ক্ষমা প্রার্থনা বিষয়টি শুনে হযরত উমার (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ আমিরকে দিয়ে যদি আমাদেরকে আরো উপকৃত করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমির যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেন এবং শহীদ হলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে আলী (রা) এর নিকট পাঠালেন এবং বললেন আজ আমি পতাকা দিব এমন এক ব্যক্তিকে যে আল্লাহকে এবং তাঁর রাসূলকে ভালবাসে আর আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলও তাকে ভালবাসে। আমি হযরত আলী (রা) কে নিয়ে আসছিলাম। তিনি চক্ষুরোগে ভুগছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আলী (রা) এর চোখে নিজের থুথু দিয়ে দেন। হযরত আলী (রা) পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন। এরপর তাঁর হাতে পতাকা দিয়ে দেন। এরপর মারহাব তার উন্মুক্ত তরবারি নিয়ে বের হয় এবং বলে-
قَدْ عَلِمَتْ خَيْبَرٌ أَنِّي مَرْحَبُ … شَاكي السَّلَاحِ بَطَلٌ مُجَرَّبُ
إِذَا الْحُرُوبُ أَقْبَلَتْ تَلَهَبُ
তদুত্তরে হযরত আলী (রা) বললেন-
أَنَا الَّذِي سَمَّتْنِي أُتِي حَيْدَرَةً … كَلَيْثِ غَابَاتٍ كَرِيْهِ الْمَنْظَرَةُ
أُوفِيْهِمْ بِالصَّاعِ كَيْلَ السَّنْدَرَةُ
আমার মা আমাকে হায়দার নাম রেখেছেন। আমি হলাম গহীন বনের সিংহের ন্যায় ভীতিকর। শত্রুপক্ষের আক্রমণের শতভাগ প্রতিআক্রমণ আমি পরিচালনা করি।
তিনি অতঃপর তরবারির আঘাতে মারহাবের মাথা দ্বিখণ্ডিত করে দেন। এবং তাঁর হাতে খায়বার বিজিত হয়।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى مقتل مرحب اليهودى بطل يهود ومن قتله وفيه معجزة للنبى صلى الله عليه وسلم ومنقبة عظيمة للامام على بن أبى طالب رضى الله عنه وكرم الله وجهه
حدثنا أبو النضر) (1) قال ثنا عكرمة قال حدثنى إياس بن سلمة قال أخبرنى أبى (2) قال بارز عمى يوم خيبر مرحب اليهودى فقال مرحب
قد علمت خيبر أنى مرحب ... شاكى (4) السلاح بطل مجرب (5) إذا الحروب أقبلت تلهب فقال عمى عامر قد علمت خيبر أنى عامر شاكى السلاح بطل مغامر (6) فاختلفا ضربتين فوقع سيف مرحب فى ترس عامر وذهب يسفل له (7) فرجع السيف على ساقه قطع اكحله (8) فكانت فيها نفسه (9) قال سلمة فجئت إلى نبى الله صلى الله عليه وسلم أبكى قلت يا رسول الله بطل عمل عامر، قال من قال ذاك؟ قلت ناس من أصحابك، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كذب من قال ذاك بل له أجره مرتين (10) أنه حين خرج إلى خيبر جعل يرتجز بأصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وفيهم النبى صلى الله عليه وسلم يسوق الركاب (11) وهو يقول
تا الله لولا الله ما اهتدينا ... ولا تصدقنا ولا صلينا
إن الذين قد بغرا علينا ... إذا أرادوا فتنة أبينا
ونحن عن فضلك ما استغنينا ... فثبت الأقدام إن لاقينا
وأنزلن سكينة علينا
الله ورسوله ويحبه الله ورسوله، قال فجئت به أقوده أرمد (2) فبصق نبى الله صلى الله عليه وآله وسلم فى عينه فبرأ، ثم أعطاه الراية فخرج مرحب يخطر بسيفه فقال.
(قد علمت خيبر أنى مرحب شاكى السلاح بطل مجرب إذا الحروب أقبلت تلهب)
فقال على بن أبى طالب كرم الله وجهه ورضى الله عنه.
(أنا الذى سمتنى أمى حيدرة (3) كليث غابات كريه المنظرة أو فيهم بالصاع كيل (4) السندرة)
ففلق رأس مرحب بالسيف وكان الفتح على يديه
قد علمت خيبر أنى مرحب ... شاكى (4) السلاح بطل مجرب (5) إذا الحروب أقبلت تلهب فقال عمى عامر قد علمت خيبر أنى عامر شاكى السلاح بطل مغامر (6) فاختلفا ضربتين فوقع سيف مرحب فى ترس عامر وذهب يسفل له (7) فرجع السيف على ساقه قطع اكحله (8) فكانت فيها نفسه (9) قال سلمة فجئت إلى نبى الله صلى الله عليه وسلم أبكى قلت يا رسول الله بطل عمل عامر، قال من قال ذاك؟ قلت ناس من أصحابك، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كذب من قال ذاك بل له أجره مرتين (10) أنه حين خرج إلى خيبر جعل يرتجز بأصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وفيهم النبى صلى الله عليه وسلم يسوق الركاب (11) وهو يقول
تا الله لولا الله ما اهتدينا ... ولا تصدقنا ولا صلينا
إن الذين قد بغرا علينا ... إذا أرادوا فتنة أبينا
ونحن عن فضلك ما استغنينا ... فثبت الأقدام إن لاقينا
وأنزلن سكينة علينا
الله ورسوله ويحبه الله ورسوله، قال فجئت به أقوده أرمد (2) فبصق نبى الله صلى الله عليه وآله وسلم فى عينه فبرأ، ثم أعطاه الراية فخرج مرحب يخطر بسيفه فقال.
(قد علمت خيبر أنى مرحب شاكى السلاح بطل مجرب إذا الحروب أقبلت تلهب)
فقال على بن أبى طالب كرم الله وجهه ورضى الله عنه.
(أنا الذى سمتنى أمى حيدرة (3) كليث غابات كريه المنظرة أو فيهم بالصاع كيل (4) السندرة)
ففلق رأس مرحب بالسيف وكان الفتح على يديه