মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
হাদীস নং: ৩০১
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ : উসফান অঞ্চলে অনুষ্ঠিত বানু লিহয়ানের যুদ্ধ। এখানে রাসূলল্লাহ (ﷺ) ভয়কালীন নামায আদায় করেছেন
৩০১. আবূ আইয়াশ যুরাকী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে উসফান অঞ্চলে ছিলাম। এ সময়ে মুশরিকগণ আমাদের মুখোমুখি হল। ওদের নেতৃত্বে ছিল খালিদ ইবন ওয়ালিদ। ওরা আমাদের আর কিবলার মধ্যখানে ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিয়ম-মাফিক যোহরের নামায আদায় করলেন। তারা বলল, হায় এতো এমন এক সুযোগ ছিল যে, আমরা ওদের উপর আক্রমণ করতে পারতাম। এরপর তারা বলল, অবিলম্বে তাদের আরেকটি নামাযের সময় আসবে যে নামায তাদের নিকট নিজেদের জীবন ও ছেলেমেয়েদের চেয়েও প্রিয়। আমরা সে সুযোগ কাজে লাগাব। ইতিমধ্যে হযরত জিব্রাঈল এসে পৌঁছলেন এ আয়াতগুলো নিয়ে। তিনি এসেছিলেন যোহর ও আসরের মধ্যবর্তী সময়ে। আয়াতগুলো এই-
وَإِذَا كُنْتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمُ الصَّلَاةَ فَلْتَقُمْ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُوا فَلْيَكُونُوا مِنْ وَرَائِكُمْ وَلْتَأْتِ طَائِفَةٌ أُخْرَى لَمْ يُصَلُّوا فَلْيُصَلُّوا مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا حِذْرَهُمْ وَأَسْلِحَتَهُمْ وَدَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ تَغْفُلُونَ عَنْ أَسْلِحَتِكُمْ وَأَمْتِعَتِكُمْ فَيَمِيلُونَ عَلَيْكُمْ مَيْلَةً وَاحِدَةً وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِنْ كَانَ بِكُمْ أَذًى مِنْ قَطَرٍ أَوْ كُنْتُمْ مَرْضَى أَنْ تَضَعُوا أَسْلِحَتَكُمْ وَخُذُوا حِذْرَكُمْ إِنَّ اللَّهَ أَعَدَّ لِلْكَافِرِينَ عَذَابًا مُّهِينًا فَإِذَا قَضَيْتُمُ الصَّلَاةَ فَاذْكُرُوا اللَّهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَى جُنُوبِكُمْ فَإِذَا اطْمَأْنَنْتُمْ فَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ إِنَّ الصَّلَاةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا.
যখন তাদের মধ্যে অবস্থান করবেন ও তাদের সাথে নামায আদায় করবেন তখন তাদের একদল আপনার সাথে যেন দাঁড়ায় এবং তারা যেন সশস্ত্র থাকে। তাদের সিজদা করা হলে তারা যেন আপনার পেছনে অবস্থান করে, আর অপর একদল যারা নামাযে শরীক হয়নি তারা আপনার সাথে যেন নামাযে শরীক হয় এবং যেন সতর্ক ও সশস্ত্র থাকে। কাফিরগণ কামনা করে যেন তোমরা তোমাদের অস্ত্রশস্ত্র ও আসবাবপত্র সম্বন্ধে অসতর্ক হও যাতে তারা তোমাদের উপর একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। যদি তোমরা বৃষ্টির জন্যে কষ্ট পাও অথবা পীড়িত থাক তবে তোমরা অস্ত্র রেখে দিলে তোমাদের কোন দোষ নেই-কিন্তু তোমরা সতর্কতা অবলম্বন করবে। আল্লাহ্ কাফিরদের জন্যে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন। যখন তোমরা সালাত সমাপ্ত করবে তখন দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করবে; যখন তোমরা নিরাপদ হবে তখন যথাযথভাবে নামায আদায় করবে- নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা মুমিনদের জন্যে অবশ্যকর্তব্য। (সূরা নিসা: ১০২, ১০৩)।
এরপর আসরের নামাযের সময় হল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাথীদেরকে আয়াত মুতাবিক নির্দেশ দিলেন। তাঁরা সশস্ত্র অবস্থায় নামাযে শরীক হলেন।
وَإِذَا كُنْتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمُ الصَّلَاةَ فَلْتَقُمْ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُوا فَلْيَكُونُوا مِنْ وَرَائِكُمْ وَلْتَأْتِ طَائِفَةٌ أُخْرَى لَمْ يُصَلُّوا فَلْيُصَلُّوا مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا حِذْرَهُمْ وَأَسْلِحَتَهُمْ وَدَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ تَغْفُلُونَ عَنْ أَسْلِحَتِكُمْ وَأَمْتِعَتِكُمْ فَيَمِيلُونَ عَلَيْكُمْ مَيْلَةً وَاحِدَةً وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِنْ كَانَ بِكُمْ أَذًى مِنْ قَطَرٍ أَوْ كُنْتُمْ مَرْضَى أَنْ تَضَعُوا أَسْلِحَتَكُمْ وَخُذُوا حِذْرَكُمْ إِنَّ اللَّهَ أَعَدَّ لِلْكَافِرِينَ عَذَابًا مُّهِينًا فَإِذَا قَضَيْتُمُ الصَّلَاةَ فَاذْكُرُوا اللَّهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَى جُنُوبِكُمْ فَإِذَا اطْمَأْنَنْتُمْ فَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ إِنَّ الصَّلَاةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا.
যখন তাদের মধ্যে অবস্থান করবেন ও তাদের সাথে নামায আদায় করবেন তখন তাদের একদল আপনার সাথে যেন দাঁড়ায় এবং তারা যেন সশস্ত্র থাকে। তাদের সিজদা করা হলে তারা যেন আপনার পেছনে অবস্থান করে, আর অপর একদল যারা নামাযে শরীক হয়নি তারা আপনার সাথে যেন নামাযে শরীক হয় এবং যেন সতর্ক ও সশস্ত্র থাকে। কাফিরগণ কামনা করে যেন তোমরা তোমাদের অস্ত্রশস্ত্র ও আসবাবপত্র সম্বন্ধে অসতর্ক হও যাতে তারা তোমাদের উপর একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। যদি তোমরা বৃষ্টির জন্যে কষ্ট পাও অথবা পীড়িত থাক তবে তোমরা অস্ত্র রেখে দিলে তোমাদের কোন দোষ নেই-কিন্তু তোমরা সতর্কতা অবলম্বন করবে। আল্লাহ্ কাফিরদের জন্যে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন। যখন তোমরা সালাত সমাপ্ত করবে তখন দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করবে; যখন তোমরা নিরাপদ হবে তখন যথাযথভাবে নামায আদায় করবে- নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা মুমিনদের জন্যে অবশ্যকর্তব্য। (সূরা নিসা: ১০২, ১০৩)।
এরপর আসরের নামাযের সময় হল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাথীদেরকে আয়াত মুতাবিক নির্দেশ দিলেন। তাঁরা সশস্ত্র অবস্থায় নামাযে শরীক হলেন।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى غزوة بنى لحيان التى صلى فيها النبى - صلى الله عليه وسلم - صلاة الخوف بعسفان
عن أبى عياش الزرقى (3) قال كنا مع رسول الله - صلى الله عليه وسلم - بعسفان فاستقبلنا المشركون عليهم خالد بن الوليد وهم بيننا وبين القبلة فصلى رسول الله - صلى الله عليه وسلم - الظهر فقالوا قد كانوا على حال لو أصبنا غرتهم، ثم قالوا تأتى عليهم الآن صلاة هى أحب اليهم من ابنائهم وأنفسهم، قال فنزل جبريل عليه السلام بهذه الآيات بين الظهر والعصر (وإذا كنت فيهم فأقمت لهم الصلاة) قال فحضرت فأمرهم رسول الله ... فأخذوا السلاح الحديث (4)