মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
হাদীস নং: ২২২
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: যুদ্ধে উৎসাহ প্রদান ও তার প্রেক্ষাপট
২২২. হযরত উমার (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন বদর দিবসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাহাবীগণের প্রতি তাকালেন। তিনি দেখলেন তারা তিনশ এর কিছু বেশী। তিনি মুশরিকদের দিকে তাকালেন। দেখলেন যে, তারা এক হাজারের বেশী। এরপর তিনি কিবলামুখী হয়ে দুহাত ঊর্ধ্বে তুললেন। তাঁর শরীরে তখন একটি চাঁদর ও একটি লুঙ্গি ছিল। এরপর তিনি বললেন ওহে আল্লাহ্! আপনার প্রতিশ্রুতি কোথায়? হে আল্লাহ্! আপনার ওয়াদা পূরণ করুন। হে আল্লাহ্ এই মুসলিম জনগোষ্ঠি যদি আজ ধ্বংস হয়, তাহলে দুনিয়াতে আর কখনো আপনার ইবাদত-বন্দেগীকারী হবে না। তিনি এভাবে দুআ ও আহাজারী করেই যাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে তাঁর গায়ের চাঁদর মাটিতে পড়ে গেল। হযরত আবু বকর (রা) এসে তাঁর চাঁদর উঠিয়ে গায়ে পরিয়ে দিলেন এবং পেছন দিক থেকে তাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, হে আল্লাহ্ নবী! আপনার মালিককে আপনি আরজি দিয়েছেন তা-ই আপনার জন্যে যথেষ্ট। তিনি অবিলম্বে আপনাকে দেয়া তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণ করবেন। তখন মহান আল্লাহ্ নাযিল করলেন-
إِذْ تَسْتَغِيْثُوْنَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ أَنِّي مُمِدُّكُمْ بِأَلْفٍ مِنَ الْمَلَائِكَةِ مُرْدِفِينَ .
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে। তিনি তা কবুল করেছিলেন এবং বলেছিলেন আমি তোমাদেরকে সাহায্য করব এক হাজার ফিরিশতা দ্বারা যারা একের পর এক আসবে (সূরা-আনফাল-৯)
এরপর যখন উভয় পক্ষ মুখোমুখি হল এবং যুদ্ধে লিপ্ত হল তখন মহান আল্লাহ্ মুশরিকদের পরাজিত করে দিলেন। ওদের ৭০ জন নিহত এবং ৭০ জন বন্দী হল। এরপর বন্দীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হযরত আবূ বকর (রা), উমার (রা) এবং আলী (রা) এর পরামর্শ চাইলেন। আবু বকর (রা) বললেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! ওরা তো আমাদের চাচাত ভাই, গোত্র এবং ভাই পর্যায়ে আত্মীয়। আমি মনে করি ওদের থেকে ফিদয়া ও মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেয়া যায়। মুক্তিপণের অর্থ দিয়ে আমরা কাফিরদের বিরুদ্ধে সমরশক্তি বৃদ্ধি করতে পারব। আর আশা করি মহান আল্লাহ্ ওদেরকে হিদায়াত করবেন। তারা আমাদের সহায়ক শক্তি হয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হে উমার! আপনার অভিমত কি? আমি বললাম, আবূ বকর (রা) যে অভিমত পেশ করেছেন আমি তেমনটি বলব না। বরং আমি বলব যে, আমার অমুক আত্মীয়কে আমার হাতে দিয়ে দিন আমি তার ঘাড় ভেঙ্গে দিই, আকীলকে আলীর হাতে সোপর্দ করে দিন তিনি তার ঘাড়টাকে ভেঙ্গে দিবেন, হামযা এর (রা) অমুক ভাইকে তাঁর হাতে সঁপে দিন তিনি তার ঘাড় মটকে দিবেন, এতে মহান আল্লাহ্ দেখতে পাবেন যে আমাদের অন্তরে মুশরিকদের প্রতি কোন ভালবাসা নেই। ওরা মূলতঃ কাফিরদের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও পরামর্শক। শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হযরত আবু বকর (রা) এর পরামর্শ গ্রহণ করলেন, আমারটি নয়। তিনি মুক্তিপণ নিয়ে ওদেরকে ছেড়ে দিলেন। হযরত উমার (রা) বলেন পরদিন ভোরে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে সাক্ষাত করি। তিনি বসা ছিলেন। সেখানে আবু বকর (রা) উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা দুজনে কাঁদছিলেন। আমি বললাম ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। আপনারা দুজন কেন কাঁদছেন তা আমাকে জানান। কান্নার বিষয় হলে আমিও কাঁদব। আর যদি কান্নার বিষয় না হয় তাহলেও আপনাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশে আমি কাঁদার চেষ্টা করব, তিনি বললেন তোমার আত্মীয়দের প্রতি মুক্তিপণ গ্রহণের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আমাকে খোদায়ী আযাবের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যে আযাব ওই নিকটবর্তী বৃক্ষটির চেয়েও নিকট এসে গিয়েছে। এমতাবস্থায় মহান আল্লাহ্ নাযিল করলেন-
مَا كَانَ لِنَبِي أَنْ يَكُونَ لَهُ أَسْرَى حَتَّى يُثْخِنَ فِي الْأَرْضِ تُرِيدُونَ عَرَضَ الدُّنْيَا وَاللَّهُ يُرِيدُ الْآخِرَةَ وَاللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ لَوْلَا كِتَابٌ مِّنَ اللَّهِ سَبَقَ لَمَسَّكُمْ فِيْمَا أَخَذْتُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ .
অর্থ: নবীর পক্ষে সমীচীন নয় বন্দীদেরকে নিজের নিকট রাখা যতক্ষণ না দেশময় প্রচুর রক্তপাত ঘটাবে। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা করে থাক, অথচ আল্লাহ্ চান আখিরাত। আর মহান আল্লাহ্ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়। যদি একটি বিষয় না হত যা পূর্ব হতেই আল্লাহ্ লিখে রেখেছেন, তাহলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্যে বড় আযাব এসে যেত। (সূরা আনফালঃ ৬৭-৬৮)।
যা গ্রহণ করেছ অর্থ যে মুক্তিপণ গ্রহণ করেছ। এরপর গনীমত বা যুদ্ধলব্ধ সম্পদ হালাল করা হয়েছে। পরবর্তী বছরে উহুদের যুদ্ধে তারা বদর যুদ্ধে মুক্তিপণ নেয়ার দুঃখজনক পরিণতি ভোগ করেছেন। তাঁদের ৭০ জন সেদিন শহীদ হয়েছিলেন এবং সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে একা রেখে পালিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁর দাঁত মুবারক ভেঙ্গে গিয়েছিল এবং শিরস্ত্রাণ মাথার মধ্যে ঢুকে পড়েছিল। তাঁর মুখ বেয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়েছিল। মহান আল্লাহ্ নাযিল করলেন-
أَوَلَمَّا أَصَابَتْكُمْ مُصِيبَةٌ قَدْ أَصَبْتُمْ مِثْلَيْهَا قُلْتُمْ أَنَّى هَذَا قُلْ هُوَ مِنْ عِنْدِ أَنْفُسِكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ .
অর্থ : কী ব্যাপার! যখন তোমাদের উপর একটি মুসিবত এসে পৌঁছল তখন তোমরা বললে এটি কোথায় থেকে এল? অথচ তোমরা তো দ্বিগুণ বিপদ ঘটিয়েছিলে। বলুন, এটি তোমাদের নিজেদের নিকট থেকে, আল্লাহ্ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। (সূরা আলে ইমরান : ১৬৫)। অর্থাৎ মুক্তিপণ নেয়ার কারণেই এমনটি হয়েছে।
إِذْ تَسْتَغِيْثُوْنَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ أَنِّي مُمِدُّكُمْ بِأَلْفٍ مِنَ الْمَلَائِكَةِ مُرْدِفِينَ .
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে। তিনি তা কবুল করেছিলেন এবং বলেছিলেন আমি তোমাদেরকে সাহায্য করব এক হাজার ফিরিশতা দ্বারা যারা একের পর এক আসবে (সূরা-আনফাল-৯)
এরপর যখন উভয় পক্ষ মুখোমুখি হল এবং যুদ্ধে লিপ্ত হল তখন মহান আল্লাহ্ মুশরিকদের পরাজিত করে দিলেন। ওদের ৭০ জন নিহত এবং ৭০ জন বন্দী হল। এরপর বন্দীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হযরত আবূ বকর (রা), উমার (রা) এবং আলী (রা) এর পরামর্শ চাইলেন। আবু বকর (রা) বললেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! ওরা তো আমাদের চাচাত ভাই, গোত্র এবং ভাই পর্যায়ে আত্মীয়। আমি মনে করি ওদের থেকে ফিদয়া ও মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেয়া যায়। মুক্তিপণের অর্থ দিয়ে আমরা কাফিরদের বিরুদ্ধে সমরশক্তি বৃদ্ধি করতে পারব। আর আশা করি মহান আল্লাহ্ ওদেরকে হিদায়াত করবেন। তারা আমাদের সহায়ক শক্তি হয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হে উমার! আপনার অভিমত কি? আমি বললাম, আবূ বকর (রা) যে অভিমত পেশ করেছেন আমি তেমনটি বলব না। বরং আমি বলব যে, আমার অমুক আত্মীয়কে আমার হাতে দিয়ে দিন আমি তার ঘাড় ভেঙ্গে দিই, আকীলকে আলীর হাতে সোপর্দ করে দিন তিনি তার ঘাড়টাকে ভেঙ্গে দিবেন, হামযা এর (রা) অমুক ভাইকে তাঁর হাতে সঁপে দিন তিনি তার ঘাড় মটকে দিবেন, এতে মহান আল্লাহ্ দেখতে পাবেন যে আমাদের অন্তরে মুশরিকদের প্রতি কোন ভালবাসা নেই। ওরা মূলতঃ কাফিরদের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও পরামর্শক। শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হযরত আবু বকর (রা) এর পরামর্শ গ্রহণ করলেন, আমারটি নয়। তিনি মুক্তিপণ নিয়ে ওদেরকে ছেড়ে দিলেন। হযরত উমার (রা) বলেন পরদিন ভোরে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে সাক্ষাত করি। তিনি বসা ছিলেন। সেখানে আবু বকর (রা) উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা দুজনে কাঁদছিলেন। আমি বললাম ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। আপনারা দুজন কেন কাঁদছেন তা আমাকে জানান। কান্নার বিষয় হলে আমিও কাঁদব। আর যদি কান্নার বিষয় না হয় তাহলেও আপনাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশে আমি কাঁদার চেষ্টা করব, তিনি বললেন তোমার আত্মীয়দের প্রতি মুক্তিপণ গ্রহণের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আমাকে খোদায়ী আযাবের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যে আযাব ওই নিকটবর্তী বৃক্ষটির চেয়েও নিকট এসে গিয়েছে। এমতাবস্থায় মহান আল্লাহ্ নাযিল করলেন-
مَا كَانَ لِنَبِي أَنْ يَكُونَ لَهُ أَسْرَى حَتَّى يُثْخِنَ فِي الْأَرْضِ تُرِيدُونَ عَرَضَ الدُّنْيَا وَاللَّهُ يُرِيدُ الْآخِرَةَ وَاللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ لَوْلَا كِتَابٌ مِّنَ اللَّهِ سَبَقَ لَمَسَّكُمْ فِيْمَا أَخَذْتُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ .
অর্থ: নবীর পক্ষে সমীচীন নয় বন্দীদেরকে নিজের নিকট রাখা যতক্ষণ না দেশময় প্রচুর রক্তপাত ঘটাবে। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা করে থাক, অথচ আল্লাহ্ চান আখিরাত। আর মহান আল্লাহ্ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়। যদি একটি বিষয় না হত যা পূর্ব হতেই আল্লাহ্ লিখে রেখেছেন, তাহলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্যে বড় আযাব এসে যেত। (সূরা আনফালঃ ৬৭-৬৮)।
যা গ্রহণ করেছ অর্থ যে মুক্তিপণ গ্রহণ করেছ। এরপর গনীমত বা যুদ্ধলব্ধ সম্পদ হালাল করা হয়েছে। পরবর্তী বছরে উহুদের যুদ্ধে তারা বদর যুদ্ধে মুক্তিপণ নেয়ার দুঃখজনক পরিণতি ভোগ করেছেন। তাঁদের ৭০ জন সেদিন শহীদ হয়েছিলেন এবং সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে একা রেখে পালিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁর দাঁত মুবারক ভেঙ্গে গিয়েছিল এবং শিরস্ত্রাণ মাথার মধ্যে ঢুকে পড়েছিল। তাঁর মুখ বেয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়েছিল। মহান আল্লাহ্ নাযিল করলেন-
أَوَلَمَّا أَصَابَتْكُمْ مُصِيبَةٌ قَدْ أَصَبْتُمْ مِثْلَيْهَا قُلْتُمْ أَنَّى هَذَا قُلْ هُوَ مِنْ عِنْدِ أَنْفُسِكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ .
অর্থ : কী ব্যাপার! যখন তোমাদের উপর একটি মুসিবত এসে পৌঁছল তখন তোমরা বললে এটি কোথায় থেকে এল? অথচ তোমরা তো দ্বিগুণ বিপদ ঘটিয়েছিলে। বলুন, এটি তোমাদের নিজেদের নিকট থেকে, আল্লাহ্ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। (সূরা আলে ইমরান : ১৬৫)। অর্থাৎ মুক্তিপণ নেয়ার কারণেই এমনটি হয়েছে।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في سياق القصة والتحريض علي القتال
عن عمر رضي الله عنه (7) قال لما كان يوم بدر قال نظر النبي - صلى الله عليه وسلم - إلي أصحابه وهم ثلاثمائة ونيف ونظر إالي المشركين فاذا هم الف وزيادة فاستقبل النبي - صلى الله عليه وسلم - القبلة ثم مد يديه وعليه رداؤه وازاره ثم قال اللهم اين ما وعدتني، اللهم أنجز ما وعدتني، اللهم إن تهلك هذه العصابة من أهل الاسلام فلا تعبد في الأرض ابداً، قال فما زال يستغيث ربه عز وجل ويدعوه حتي سقط رداؤه فأتاه أبو بكر رضي الله عنه فأخذ رداءه فرداه ثم التزمه من ورائه ثم قال يا نبي الله كفاك مناشدتك ربك فانه سينجز لك ما وعدك وانزل الله عز وجل (إذ تستغيثون ربكم فاستجاب لكم أني ممدكم بألف من الملائكة مردفين) فلما كان يومئذ والتقوا فهزم الله عز وجل المشركين فقتل منهم سبعون رجلا وأسر منهم سبعون رجلا، فاستشار رسول الله - صلى الله عليه وسلم - أبا بكر وعليا وعمر رضي الله عنه فقال أبو بكر يا نبي الله هؤلاء بنوا العم والعشيرة والأخوان فإني أري أن تأخذ منهم الفدية فيكون ما أخذنا منهم قوة لنا علي الكفار وعسي الله أن يهديهم فيكونون لنا عضداً: فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ما تري يا ابن الخطاب؟ قال قلت والله ما أري ما رأي أبو بكر ولكني أري أن تمكنني من فلان قريبا لعمر فأضرب عنقه وتمكن عليا من عقيل فيضرب عنقه وتمكن حمزة من فلان أخيه فيضرب عنقه حتي يعلم الله أنه ليست في قلوبنا هوادة للمشركين: هؤلاء صناديدهم وائمتهم وقادتهم، فهوي رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ما قال أبو بكر ولم يهو ما قلت، فأخذ منهم الفداء، فلما كان من الغد قال عمر رضي الله عنه غدوت الي النبي - صلى الله عليه وسلم - فاذا هو قاعد وأبو بكر رضي الله عنه واذا هما يبكيان: فقلت يا رسول الله أخبرني ماذا يبكيك أنت وصاحبك؟ فان وجدت بكاء بكيت، وان لم أجد بكاء تباكيت لبكائكما، قال فقال النبي - صلى الله عليه وسلم - الذي عرض علي أصحابك من الفداء لقد عرض علي عذابكم أدني من هذه الشجرة لشجرة قريبة: وأنزل الله عز وجل (ماكان لنبي أن يكون له أسري حتي يثحن في الأرض الي قوله) (لولا كتاب من الله سبق لمسكم فيما أخذتم) من الفداء، ثم أحل لهم الغنائم، فلما كان يوم أحد من العام المقبل عوقبوا بما صنعوا يوم بدر من أخذهم الفداء، فقتل منهم سبعون وفر أصحاب النبي - صلى الله عليه وسلم - عن النبي - صلى الله عليه وسلم - وكسرت رباعيته وهشمت البيضة علي رأسه وسال الدم علي وجهه وأنزل الله تعالي (أو لما أصابتكم مصيبة قد أصبتم مثليها) الآية بأخذكم الفداء